হে লোকদের মধ্যবর্ত্তী নরপশুগণ, বিবেচনা কর; হে নির্ব্বোধেরা, কবে তোমাদের সুবুদ্ধি হইবে?
Cross references
আহা, কেন তাহারা জ্ঞানবান হইয়া এই কথা বুঝে না? কেন আপনাদের শেষদশা বিবেচনা করে না?
কারণ সে দেখে যে, জ্ঞানবানেরা মরে, হীনবুদ্ধি ও পশুবৎ লোক নির্ব্বিশেষে বিনষ্ট হয়, তাহারা অন্যদের জন্য আপনাদের ধন রাখিয়া যায়।
আমি মূর্খ ও অজ্ঞান, তোমার কাছে পশুবৎ ছিলাম।
নরপশু জানে না, নির্ব্বোধ ইহা বুঝে না।
‘অবোধেরা, কত দিন নির্বুদ্ধিতা ভালবাসিবে? নিন্দকেরা কত দিন নিন্দায় রত থাকিবে? হীনবুদ্ধিরা, কত দিন জ্ঞানকে ঘৃণা করিবে?
হে অবোধেরা, চতুরতা শিক্ষা কর; হে হীনবুদ্ধি সকল, সুবুদ্ধিচিত্ত হও।
যে শাসন ভালবাসে, সে জ্ঞান ভালবাসে; কিন্তু যে অনুযোগ ঘৃণা করে, সে পশুবৎ!
তথাকার ডালপালা শুষ্ক হইলে ভাঙ্গা যাইবে, স্ত্রীলোকেরা আসিয়া তাহাতে আগুন দিবে। কারণ সেই জাতি নির্ব্বোধ, সেই জন্য তাহার নির্ম্মাতা তাহার প্রতি করুণা করিবেন না, তাহার গঠনকর্ত্তা তাহার প্রতি কৃপা করিবেন না।
আমি কর্ণপাত করিয়া শুনিলাম, কিন্তু তাহারা যথার্থ কথা কহিল না; কেহ আপন দুষ্টতার জন্য অনুতাপ করিয়া বলে না, ‘হায়, আমি কি করিলাম!’ অশ্ব যেমন ঊর্দ্ধশ্বাসে যুদ্ধে দৌড়িয়া যায়, তেমনি প্রত্যেক জন, আপন আপন ধাবন পথে ফিরে।
কিন্তু তাহারা নির্ব্বিশেষে পশুবৎ ও স্থূলবুদ্ধি; অসার লোকদের শিক্ষা! উহা কাষ্ঠমাত্র।
বুঝে, এমন কেহই নাই, ঈশ্বরের অন্বেষণ করে, এমন কেহই নাই।
কেননা পূর্ব্বে আমরাও নির্ব্বোধ, অবাধ্য, ভ্রান্ত, নানাবিধ অভিলাষের ও সুখভোগের দাস, হিংসাতে ও মাৎসর্য্যে কালক্ষেপকারী, ঘৃণার্হ ও পরস্পর দ্বেষকারী ছিলাম।