আমি তাহা বুঝিবার জন্য চিন্তা করিলাম, কিন্তু তাহা আমার দৃষ্টিতে কষ্টকর হইল,
Cross references
তোমার ধর্ম্মশীলতা ঈশ্বরের পর্ব্বতসমূহের তুল্য, তোমার শাসন সকল মহাজলধিস্বরূপ; সদাপ্রভু, তুমি মনুষ্য ও পশু রক্ষা করিয়া থাক।
সত্য, মনুষ্য ছায়ার ন্যায় গমনাগমন করে, সত্য, তাহারা অসারের জন্য ব্যতিব্যস্ত; সে ধনরাশি সঞ্চয় করে, কিন্তু কে তাহা সংগ্রহ করিবে, জানে না।
সমুদ্রের মধ্যে তোমার পথ ছিল, বহু জলরাশির মধ্যে তোমার মার্গ ছিল, তোমার পদচিহ্ন জানা গেল না।
মেঘ ও অন্ধকার তাঁহার চারিদিকে বিদ্যমান, ধর্ম্মশীলতা ও বিচার তাঁহার সিংহাসনের ভিত্তিমূল।
সত্য, আমি মনুষ্য অপেক্ষা পশুবৎ, মনুষ্যের বিবেচনা আমার নাই।
আমি প্রজ্ঞা জানিতে, এবং ক্ষিপ্রতা ও অজ্ঞানতা জানিতে মনোযোগ করিলাম, আমি জানিলাম যে, তাহাও বায়ুভক্ষণ মাত্র।
ত মনুষ্যের চক্ষু নিদ্রা দেখে না—তখন ঈশ্বরের সমস্ত কার্য্যের বিষয়ে ইহা দেখিলাম, সূর্য্যের নীচে যে কার্য্য সাধন করা যায়, মনুষ্য তাহার তত্ত্ব পাইতে পারে না; কারণ যদ্যপি মনুষ্য তাহার অনুসন্ধানের জন্য পরিশ্রম করে, তথাপি তাহার তত্ত্ব পাইতে পারে না; এমন কি, জ্ঞানবান লোকেও যদি বলে, জানিতে পাইব, তবু তাহার তত্ত্ব পাইতে পারিবে না।
কারণ তিনি পরজাতীয়দের হস্তে সমর্পিত হইবেন, এবং লোকেরা তাঁহাকে বিদ্রূপ করিবে, তাঁহার অপমান করিবে, তাঁহার গায়ে থুথু দিবে;
অতএব তাঁহারা কহিলেন, ইনি এ কি বলিতেছেন, ‘অল্প কাল’? ইনি কি বলেন, আমরা বুঝিতে পারি না।
আহা! ঈশ্বরের ধনাঢ্যতা ও প্রজ্ঞা ও জ্ঞান কেমন অগাধ! তাঁহার বিচার সকল কেমন বোধাতীত! তাঁহার পথ সকল কেমন অননুসন্ধেয়!