হে ঈশ্বর, তুমি আমার ঈশ্বর; আমি সযত্নে তোমার অন্বেষণ করিব; আমার প্রাণ তোমার জন্য পিপাসু, আমার মাংস তোমার জন্য লালায়িত, শুষ্ক ও শ্রান্তিকর দেশে, জলবিহীন দেশে।
Cross references
সদাপ্রভু আমার বল ও গান, তিনি আমার পরিত্রাণ হইলেন; এই আমার ঈশ্বর, আমি তাঁহার প্রশংসা করিব; আমার পৈতৃক ঈশ্বর, আমি তাঁহার প্রতিষ্ঠা করিব।
তখন লোকেরা সেই স্থানে জলপিপাসায় ব্যাকুল হইল, আর মোশির বিরুদ্ধে বচসা করিয়া কহিল, তুমি আমাদিগকে এবং আমাদের সন্তানগণকে ও পশুগণকে তৃষ্ণা দ্বারা বধ করিতে মিসর হইতে কেন আনিলে?
পরে গাদ ভাববাদী দায়ূদকে কহিলেন, তুমি আর এই দুর্গম স্থানে থাকিও না, প্রস্থান করিয়া যিহূদা দেশে যাও। তখন দায়ূদ যাত্রা করিয়া হেরৎ বনে উপস্থিত হইলেন।
পরে দায়ূদ প্রান্তরে নানা দুরাক্রম স্থানে বাস করিলেন, সীফ প্রান্তরে পাহাড় অঞ্চলে রহিলেন। আর শৌল প্রতিদিন তাঁহার অন্বেষণ করিলেন, কিন্তু ঈশ্বর তাঁহার হস্তে তাঁহাকে সমর্পণ করিলেন না।
অতএব যে সমস্ত গুপ্ত স্থানে সে লুকাইয়া থাকে, তাহার কোন্ স্থানে সে আছে, তাহা দেখ, লক্ষ্য কর, পরে আমার নিকটে আবার নিশ্চয় সমাচার লইয়া আইস, আসিলে আমি তোমাদের সহিত যাইব; সে যদি দেশে থাকে, তবে আমি যিহূদার সমস্ত সহস্রের মধ্যে তাহার সন্ধান করিব।
পরে সীফীয়েরা গিবিয়াতে শৌলের নিকটে গিয়া কহিল, দায়ূদ কি মরুভূমির সম্মুখস্থ হখীলা পাহাড়ে লুকাইয়া নাই?
আর শৌল মরুভূমির সম্মুখস্থ হখীলা পাহাড়ে পথের পার্শ্বে শিবির স্থাপন করিলেন। কিন্তু দায়ূদ প্রান্তর মধ্যে অবস্থিতি করিতেছিলেন, আর তিনি দেখিতে পাইলেন, শৌল তাঁহার পশ্চাতে প্রান্তরে আসিতেছেন।
দেখ, যাবৎ তোমাদের নিকট হইতে আমার কাছে ঠিক সমাচার না আইসে, তাবৎ আমি প্রান্তরের পারঘাটায় থাকিয়া বিলম্ব করিব।
তিনি আমাদের ঈশ্বর, সদাপ্রভু, তাঁহার শাসন সকল সমস্ত পৃথিবীতে বিদ্যমান।
তুমিই যদি সযত্নে ঈশ্বরের অন্বেষণ কর, সর্ব্বশক্তিমানের নিকটে যদি সাধ্যসাধনা কর,
সদাপ্রভু, প্রাতঃকালে তুমি আমার রব শুনিবে; প্রাতে আমি তোমার উদ্দেশে [প্রার্থনা] সাজাইয়া চাহিয়া থাকিব।
কিন্তু, সদাপ্রভু, আমি তোমার উপরে নির্ভর করিলাম; আমি কহিলাম, তুমিই আমার ঈশ্বর।
দ্বিতীয় খণ্ড। [1] হরিণী যেমন জলস্রোতের আকাঙ্ক্ষা করে, তেমনি, হে ঈশ্বর, আমার প্রাণ তোমার আকাঙ্ক্ষা করিতেছে।
হে আমার প্রাণ, কেন অবসন্ন হও? আমার অন্তরে কেন ক্ষুব্ধ হও? ঈশ্বরের অপেক্ষা কর; কেননা আমি আবার তাঁহার স্তব করিব; তিনি আমার মুখের পরিত্রাণ ও আমার ঈশ্বর।
তিনি লোকদিগকে বধ করিলে তাহারা তাঁহার অনুসন্ধান করিল, ফিরিয়া সযত্নে ঈশ্বরের অন্বেষণ করিল;
আমার প্রাণ সদাপ্রভুর প্রাঙ্গণের জন্য আকাঙ্ক্ষা করে, এমন কি, মূর্চ্ছিত হয়, আমার হৃদয় ও আমার মাংস জীবন্ত ঈশ্বরের উদ্দেশে উচ্চধ্বনি করে।
আমি সদাপ্রভুর বিষয়ে বলিব, ‘তিনি আমার আশ্রয়, আমার দুর্গ, আমার ঈশ্বর, আমি তাঁহাতে নির্ভর করিব’।
কেননা আমার দিন সকল ধূমে লীন হইয়াছে, আমার অস্থি সকল জ্বলন্ত কাষ্ঠবৎ তপ্ত হইয়াছে;
তুমি আমার ঈশ্বর, আমি তোমার স্তব করিব; তুমি আমার ঈশ্বর, আমি তোমার প্রতিষ্ঠা করিব।
তোমার পরিত্রাণের প্রতীক্ষায় আমার প্রাণ ক্ষীণ হয়, আমি তোমার বাক্যের অপেক্ষা করি।
আমি তোমার উদ্দেশে অঞ্জলি প্রসারণ করিতেছি; সেলা। শুষ্ক ভূমির ন্যায় আমার প্রাণ তোমার আকাঙ্ক্ষী।
তোমার ইষ্ট সাধন করিতে আমাকে শিক্ষা দেও; কেননা তুমিই আমার ঈশ্বর; তোমার আত্মা মঙ্গলময়, আমাকে সরল ভূমি দিয়া চালাও।
যখন ঝটিকার ন্যায় তোমাদের ভয় উপস্থিত হইবে, ঘূর্ণবায়ুর ন্যায় তোমাদের বিপদ আসিবে, যখন সঙ্কট ও সঙ্কোচ তোমাদের কাছে আসিবে।
যাহারা আমাকে প্রেম করে, আমিও তাহাদিগকে প্রেম করি, যাহারা সযত্নে আমার অন্বেষণ করে; তাহারা আমাকে পায়।
রাত্রিকালে আমি আমার শয্যায় আমার প্রাণ-প্রিয়তমের অন্বেষণ করিতেছিলাম, অন্বেষণ করিতেছিলাম, কিন্তু তাঁহাকে পাইলাম না।
অয়ি যিরূশালেমের কন্যাগণ! আমি তোমাদিগকে দিব্য দিয়া বলিতেছি, তোমরা যদি আমার প্রিয়তমের দেখা পাও, তবে তাঁহাকে বলিও যে, আমি প্রেমপীড়িতা।
যেমন বাত্যা হইতে আচ্ছাদন, ও ঝটিকা হইতে অন্তরাল, যেমন শুষ্ক স্থানে জলস্রোত ও শ্রান্তিজনক ভূমিতে কোন প্রকাণ্ড শৈলের ছায়া, এক জন মনুষ্য তদ্রূপ হইবেন।
আর মরীচিকা জলাশয় হইয়া যাইবে, ও শুষ্কভূমি জলের উনুইতে পরিপূর্ণ হইবে; শৃগালদিগের নিবাসে, সেগুলি যেখানে শুইত, তথায় নল খাগ্ড়ার বন হইবে।
আমি বৃক্ষাদিশূন্য গিরিশ্রেণীতে নদনদী, ও সমস্থলীর মধ্যে স্থানে স্থানে উনুই খুলিব; আমি প্রান্তরকে জলাশয় ও শুষ্ক ভূমিকে জলের প্রস্রবণ করিব।
সদাপ্রভু কহেন, সেই সময়ে আমি ইস্রায়েলের সমুদয় গোষ্ঠীর ঈশ্বর হইব, এবং তাহারা আমার প্রজা হইবে।
কিন্তু সেই সকল দিনের পর আমি ইস্রায়েল-কুলের সহিত এই নিয়ম স্থির করিব, ইহা সদাপ্রভু কহেন, আমি তাহাদের অন্তরে আমার ব্যবস্থা দিব, ও তাহাদের হৃদয়ে তাহা লিখিব; এবং আমি তাহাদের ঈশ্বর হইব, ও তাহারা আমার প্রজা হইবে।
আমি আপন স্থানে ফিরিয়া যাইব, যে পর্য্যন্ত তাহারা দোষ স্বীকার না করে, ও আমার শ্রীমুখের অন্বেষণ না করে; সঙ্কটের সময়ে তাহারা সযত্নে আমার অন্বেষণ করিবে।
সেই তৃতীয় অংশকে আমি অগ্নিমধ্যে প্রবেশ করাইব, যেমন রৌপ্য খাঁটী করা যায়, তেমনি খাঁটী করিব, ও যেমন সুবর্ণ পরীক্ষিত হয়, তেমনি তাহাদের পরীক্ষা করিব; তাহারা আমার নামে ডাকিবে, এবং আমি তাহাদিগকে উত্তর দিব; আমি বলিব, এ আমার প্রজা; আর তাহারা বলিবে, সদাপ্রভু আমার ঈশ্বর।
কিন্তু তোমরা প্রথমে তাঁহার রাজ্য ও তাঁহার ধার্ম্মিকতার বিষয়ে চেষ্টা কর, তাহা হইলে ঐ সকল দ্রব্যও তোমাদিগকে দেওয়া হইবে।
আর অশুচি আত্মা যখন মনুষ্য হইতে বাহির হইয়া যায়, তখন জলবিহীন নানা স্থান দিয়া ভ্রমণ করতঃ বিশ্রামের অন্বেষণ করে, কিন্তু তাহা পায় না।
শেষ দিন, পর্ব্বের প্রধান দিন, যীশু দাঁড়াইয়া উচ্চৈঃস্বরে কহিলেন, কেহ যদি তৃষ্ণার্ত্ত হয়, তবে আমার কাছে আসিয়া পান করুক।
যীশু তাঁহাকে কহিলেন, আমাকে স্পর্শ করিও না, কেননা এখনও আমি ঊর্দ্ধে পিতার নিকটে যাই নাই; কিন্তু তুমি আমার ভ্রাতৃগণের কাছে গিয়া তাহাদিগকে বল, যিনি আমার পিতা ও তোমাদের পিতা, এবং আমার ঈশ্বর ও তোমাদের ঈশ্বর, তাঁহার নিকটে আমি ঊর্দ্ধে যাই।
“ইহারা আর কখনও ক্ষুধিত হইবে না, আর কখনও তৃষ্ণার্ত্তও হইবে না, এবং ইহাদিগেতে রৌদ্র বা কোন উত্তাপ লাগিবে না;