হে আমাদের ত্রাণেশ্বর, তুমি ধার্ম্মিকতায় ভয়ানক ক্রিয়া দ্বারা আমাদিগকে উত্তর দিবে; তুমি পৃথিবীর সমস্ত প্রান্তের, এবং দূরবর্ত্তী সমুদ্রবাসীদের বিশ্বাস-ভূমি।
Cross references
কিম্বা তোমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভু মিসরে তোমাদের সাক্ষাতে যে সকল কর্ম্ম করিয়াছেন, ঈশ্বর কি তদনুসারে গিয়া পরীক্ষাসিদ্ধ প্রমাণ, চিহ্ন, অদ্ভুত লক্ষণ, যুদ্ধ, বলবান্ হস্ত, বিস্তারিত বাহু ও ভয়ঙ্কর মহামহাকর্ম্ম দ্বারা অন্য জাতির মধ্য হইতে আপনার জন্য এক জাতি গ্রহণ করিতে উপক্রম করিয়াছেন?
তিনি তোমার প্রশংসা-ভূমি, তিনি তোমার ঈশ্বর; তুমি স্বচক্ষে যাহা যাহা দেখিয়াছ, সেই মহৎ ও ভয়ঙ্কর কর্ম্ম সকল তিনিই তোমার জন্য করিয়াছেন।
পৃথিবীর প্রান্তস্থিত সকলে স্মরণ করিয়া সদাপ্রভুর প্রতি ফিরিবে; জাতিগণের সমস্ত গোষ্ঠী তোমার সম্মুখে প্রণিপাত করিবে।
কারণ তোমারই কাছে জীবনের উনুই আছে; তোমারই দীপ্তিতে আমরা দীপ্তি দেখিতে পাই।
আর স্বীয় প্রতাপে কৃতকার্য্য হও, বাহনে চড়িয়া যাও, সত্যের ও ধার্ম্মিকতাযুক্ত নম্রতার পক্ষে, তাহাতে তোমার দক্ষিণ হস্ত তোমাকে ভয়াবহ কার্য্য শিখাইবে।
কেননা পরাৎপর সদাপ্রভু ভয়াবহ, তিনি সমস্ত পৃথিবীর উপরে মহান্ রাজা।
ঈশ্বরকে বল, তোমার কর্ম্ম সকল কি ভয়াবহ! তোমার পরাক্রমের মহত্ত্বে তোমার শত্রুগণ তোমার কর্ত্তৃত্ব স্বীকার করিবে।
ধন্য প্রভু, যিনি দিন দিন আমাদের ভার বহন করেন; সেই ঈশ্বর আমাদের পরিত্রাণ। সেলা।
সেখানে তিনি ধনুকের বিজলি সকল, ঢাল, খড়্গ ও সংগ্রাম ভঙ্গ করিয়াছেন। সেলা।
ধন্য সেই ব্যক্তি, যাহার বল তোমাতে, [সিয়োনগামী] রাজপথ যাহার হৃদয়ে রহিয়াছে।
হে আমাদের ত্রাণেশ্বর, আমাদিগকে ফিরাও, আমাদের প্রতি তোমার অসন্তোষ নিবৃত্ত কর।
যাহারা জাহাজে চড়িয়া সমুদ্রযাত্রা করে, মহাজলরাশির মধ্যে ব্যবসায় করে,
সদাপ্রভু আপনার সমস্ত পথে ধর্ম্মশীল, আপনার সমস্ত কার্য্যে দয়াবান্।
পরে সদাপ্রভুর দূত যাত্রা করিয়া অশূরীয়দের শিবিরে এক লক্ষ পঁচাশী সহস্র লোককে বধ করিলেন; লোকেরা প্রত্যূষে উঠিল, আর দেখ, সমস্তই মৃত দেহ।
হে পৃথিবীর প্রান্ত সকল, আমার প্রতি দৃষ্টি করিয়া পরিত্রাণ প্রাপ্ত হও, কেননা আমিই ঈশ্বর, আর কেহ নয়।
আমার ধর্ম্মশীলতা নিকটবর্ত্তী, আমার পরিত্রাণ নির্গত হইল, এবং আমার বাহু জাতিগণের বিচার নিষ্পন্ন করিবে; উপকূল সকল আমারই অপেক্ষায় থাকিবে, ও আমার বাহুতে প্রত্যাশা রাখিবে।
তখন তুমি তাহা দেখিয়া দীপ্যমান হইবে, তোমার হৃদয় স্পন্দন করিবে ও বিকসিত হইবে; কেননা সমুদ্রের দ্রব্যরাশি তোমার দিকে ফিরান যাইবে, জাতিগণের ঐশ্বর্য্য তোমার কাছে আসিবে।
আর আমি তাহাদের মধ্যে এক চিহ্ন স্থাপন করিব; এবং তাহাদের মধ্য হইতে উত্তীর্ণ লোকদিগকে জাতিগণের কাছে, তর্শীশ, পূল ও ধনুর্দ্ধর লূদ, এবং তূবল ও যবনের কাছে, যে দূরস্থ উপকূল সমূহ কখনও আমার খ্যাতি শুনে নাই ও আমার প্রতাপ দেখে নাই, তাহাদের কাছে প্রেরণ করিব; এবং তাহারা জাতিগণের মধ্যে আমার প্রতাপ জ্ঞাত করিবে।
সদাপ্রভু উহাদের প্রতি ভয়ঙ্কর হইবেন, কারণ তিনি পৃথিবীস্থ সমস্ত দেবতাকে ক্ষীণ করিবেন, এবং মনুষ্যেরা সকলে আপন আপন স্থান হইতে তাঁহার কাছে প্রণিপাত করিবে, জাতিগণের উপকূলসমূহ করিবে।
বাহিনীগণের সদাপ্রভু বলেন, সেই দিন, হে শল্টীয়েলের পুত্র, আমার দাস, সরুব্বাবিল, আমি তোমাকে গ্রহণ করিব, ইহা সদাপ্রভু বলেন; আমি তোমাকে মুদ্রণার্থক অঙ্গুরীয়স্বরূপ রাখিব; কেননা আমি তোমাকে মনোনীত করিয়াছি, ইহা বাহিনীগণের সদাপ্রভু বলেন।
আর আমি ইফ্রয়িম হইতে রথ ও যিরূশালেম হইতে অশ্ব উচ্ছিন্ন করিব, আর যুদ্ধ-ধনু উচ্ছিন্ন হইবে; এবং তিনি জাতিদিগকে শান্তির কথা কহিবেন; আর তাঁহার কর্ত্তৃত্ব এক সমুদ্র অবধি অপর সমুদ্র পর্য্যন্ত, ও নদী অবধি পৃথিবীর প্রান্ত পর্য্যন্ত ব্যাপিবে।
অতএব তোমরা গিয়া সমুদয় জাতিকে শিষ্য কর; পিতার ও পুত্রের ও পবিত্র আত্মার নামে তাহাদিগকে বাপ্তাইজ কর;
কিন্তু তোমার কঠিন ভাব এবং অপরিবর্ত্তনশীল চিত্ত অনুসারে তুমি আপনার জন্য এমন ক্রোধ সঞ্চয় করিতেছ, যাহা ক্রোধের ও ঈশ্বরের ন্যায়বিচার-প্রকাশের দিনে আসিবে;
আবার তিনি বলেন, “জাতিগণ! তাঁহার প্রজাদের সহিত হর্ষনাদ কর।”
আর তিনি আসিয়া “দূরবর্ত্তী” যে তোমরা, তোমাদের কাছে “সন্ধির, ও নিকটবর্ত্তীদের কাছেও সন্ধির” সুসমাচার জানাইয়াছেন।
আর তাহারা ঈশ্বরের দাস মোশির গীত ও মেষশাবকের গীত গায়, বলে, “মহৎ ও আশ্চর্য্য তোমার ক্রিয়া সকল, হে প্রভু ঈশ্বর, সর্ব্বশক্তিমান্; ন্যায্য ও সত্য তোমার মার্গ সকল, হে জাতিগণের রাজন্!
তখন আমি জলসমূহের দূতের এই বাণী শুনিলাম, হে সাধু, তুমি আছ ও তুমি ছিলে, তুমি ন্যায়পরায়ণ, কারণ এরূপ বিচারাজ্ঞা করিয়াছ;
এই সকলের পরে আমি যেন স্বর্গস্থিত বৃহৎ লোকারণ্যের মহারব শুনিলাম, তাহারা বলিতেছে—হাল্লিলূয়া, পরিত্রাণ ও প্রতাপ ও পরাক্রম আমাদের ঈশ্বরেরই;