তুমি হিংসা হইতে তোমার জিহ্বাকে, ছলনা-বাক্য হইতে তোমার ওষ্ঠকে সাবধানে রাখ।
Cross references
তুমি ত ঈশ্বরের বিরুদ্ধে তোমার আত্মা ফিরাইতেছ, সেইরূপ কথা মুখ হইতে নির্গত করিতেছ।
আমি কহিলাম, ‘আমি আপন পথে সাবধানে চলিব, যেন জিহ্বা দ্বারা পাপ না করি; যাবৎ আমার সাক্ষাতে দুর্জ্জন থাকে, আমি মুখে জাল্তি বাঁধিয়া রাখিব।’
তন্মধ্যে দুষ্টতা রহিয়াছে; উপদ্রব ও ছলনা তাহার চক ত্যাগ করে না।
হে সদাপ্রভু, আমার মুখে প্রহরী নিযুক্ত কর, আমার ওষ্ঠাধরের কবাট রক্ষা কর।
দুষ্টগণ নিপাতিত হয়, তাহারা আর নাই; কিন্তু ধার্ম্মিকদের বাটী অটল থাকে।
সত্যের ওষ্ঠ চিরকাল স্থায়ী; কিন্তু মিথ্যাবাদী জিহ্বা নিমেষমাত্র স্থায়ী।
মিথ্যাবাদী ওষ্ঠ সদাপ্রভুর ঘৃণিত; কিন্তু যাহারা বিশ্বস্ততায় চলে, তাহারা তাঁহার সন্তোষ-পাত্র।
যে মুখ সাবধানে রাখে, সে প্রাণ রক্ষা করে; যে ওষ্ঠাধর খুলিয়া দেয়, তাহার সর্ব্বনাশ হয়।
মরণ ও জীবন জিহ্বার অধীন; যাহারা তাহা ভালবাসে, তাহারা তাহার ফল ভোগ করিবে।
মিথ্যাসাক্ষী অদণ্ডিত থাকিবে না, মিথ্যাভাষী বিনাশ পাইবে।
যে কেহ আপন মুখ ও জিহ্বা রক্ষা করে, সে সঙ্কট হইতে আপন প্রাণ রক্ষা করে।
কারণ তিনি কহিলেন, উহারা অবশ্য আমার প্রজা, উহারা এমন সন্তান, যাহারা মিথ্যা আচরণ করিবে না; এইরূপে তিনি তাহাদের ত্রাণকর্ত্তা হইলেন।
উত্তমের চেষ্টা কর, মন্দের নয়, যেন বাঁচিতে পার; তাহাতে সদাপ্রভু, বাহিনীগণের ঈশ্বর, তোমাদের সঙ্গে থাকিবেন, যেমন তোমরা বলিয়া থাক।
ভাল মানুষ ভাল ভাণ্ডার হইতে ভাল দ্রব্য বাহির করে, এবং মন্দ মানুষ মন্দ ভাণ্ডার হইতে মন্দ দ্রব্য বাহির করে।
এক জন অন্য জনের কাছে মিথ্যা কথা কহিও না; কেননা তোমরা পুরাতন মনুষ্যকে তাহার ক্রিয়াশুদ্ধ বস্ত্রবৎ ত্যাগ করিয়াছ,
হে আমার প্রিয় ভ্রাতৃগণ, তোমরা ইহা জ্ঞাত আছ। কিন্তু তোমাদের প্রত্যেক জন শ্রবণে সত্বর, কথনে ধীর,
যে ব্যক্তি আপনাকে ধর্ম্মশীল বলিয়া মনে করে, আর আপন জিহ্বাকে বল্গা দ্বারা বশে না রাখে, কিন্তু নিজ হৃদয়কে ভুলায়, তাহার ধর্ম্ম অলীক।
কারণ আমরা সকলে অনেক প্রকারে উছোট খাই। যদি কেহ বাক্যে উছোট না খায়, তবে সে সিদ্ধ পুরুষ, সমস্ত শরীরকেই বল্গা দ্বারা বশে রাখিতে সমর্থ।
তদ্রূপ জিহ্বাও ক্ষুদ্র অঙ্গ বটে, কিন্তু মহাদর্পের কথা কহে। দেখ, কেমন অল্প অগ্নি কেমন বৃহৎ বন প্রজ্বলিত করে!
অতএব তোমরা সমস্ত দুষ্টতা ও সমস্ত ছল এবং কপটতা ও মাৎসর্য্য ও সমস্ত পরীবাদ ত্যাগ করিয়া
“তিনি পাপ করেন নাই, তাঁহার মুখে কোন ছলও পাওয়া যায় নাই”।
ইহারা রমণীদের সংসর্গে কলুষিত হয় নাই, কারণ ইহারা অমৈথুন। যে কোন স্থানে মেষশাবক গমন করেন, সেই স্থানে ইহারা তাঁহার অনুগামী হয়। ইহারা ঈশ্বরের ও মেষশাবকের নিমিত্ত অগ্রিমাংশ বলিয়া মনুষ্যদের মধ্য হইতে ক্রীত হইয়াছে।