তিনি একে একে তাহাদের হৃদয় গঠন করেন। তিনি তাহাদের সমস্ত কার্য্যালোচনা করেন।
Cross references
তোমার হস্ত আমাকে গড়িয়াছে, নিরমিয়াছে, আমার সর্ব্বাঙ্গ সুসংযুক্ত [করিয়াছে], তথাপি তুমি আমাকে সংহার করিতেছ।
কেননা তিনি অলীক লোকদিগকে জানেন, আলোচনা না করিয়াও অধর্ম্ম দেখেন।
কেননা মানুষের পথে তাঁহার দৃষ্টি আছে; তিনি তাহার সমস্ত পাদসঞ্চার দেখেন;
তবে ঈশ্বর কি তাহার সন্ধান পাইবেন না? তিনি ত অন্তঃকরণের গুপ্ত বিষয় সকল জানেন।
ধনবান ও দরিদ্র একত্র মিলে; সদাপ্রভু তাহাদের উভয়ের নির্ম্মাতা।
যদি বল, দেখ, আমরা ইহা জানিতাম না, তবে যিনি হৃদয় তৌল করেন, তিনি কি তাহা বুঝেন না? যিনি তোমার প্রাণ রক্ষা করেন, তিনি কি তাহা জানিতে পারেন না? তিনি কি প্রত্যেক মনুষ্যকে তাহার কর্ম্মানুযায়ী ফল দিবেন না?
জলমধ্যে যেমন মুখের প্রতিরূপ মুখ, তেমনি মনুষ্যের প্রতিরূপ মনুষ্য-হৃদয়।
দেখ, কেবল ইহাই জানিতে পাইয়াছি যে, ঈশ্বর মনুষ্যকে সরল করিয়া নির্ম্মাণ করিয়াছিলেন, কিন্তু তাহারা অনেক কল্পনার অন্বেষণ করিয়া লইয়াছে।
কিন্তু এখন, হে সদাপ্রভু, তুমি আমাদের পিতা; আমরা মৃত্তিকা, আর তুমি আমাদের কুম্ভকার; আমরা সকলে তোমার হস্তকৃত বস্তু।
কেননা তাহাদের সমস্ত পথে আমার দৃষ্টি আছে, তাহারা আমার সম্মুখ হইতে লুক্কায়িত নহে, এবং তাহাদের অপরাধও আমার দৃষ্টি হইতে গুপ্ত নহে।
তুমি মন্ত্রণায় মহান ও ক্রিয়ায় শক্তিমান; প্রত্যেক জনকে আপন আপন পথানুসারে ও আপন আপন ক্রিয়ানুসারে সমুচিত ফল দিবার জন্য মনুষ্য-সন্তানদের সমস্ত পথের প্রতি তোমার চক্ষু উন্মীলিত রহিয়াছে।
আর তাহাদের সমস্ত দুষ্টতা যে আমার স্মরণে আছে, ইহা তাহারা অন্তঃকরণে বিবেচনা করে না; এখন তাহাদের কার্য্য সকল তাহাদিগকে ঘেরিয়াছে, আমারই দৃষ্টিগোচরে সে সকল রহিয়াছে।
আর তিনি এক ব্যক্তি হইতে মনুষ্যদের সকল জাতিকে উৎপন্ন করিয়াছেন, যেন তাহারা সমস্ত ভূতলে বাস করে; তিনি তাহাদের নির্দ্দিষ্ট কাল ও নিবাসের সীমা স্থির করিয়াছেন;
অতএব তোমরা সময়ের পূর্ব্বে, যে পর্য্যন্ত প্রভু না আইসেন, সেই পর্য্যন্ত কোন বিচার করিও না; তিনিই অন্ধকারের গুপ্ত বিষয় সকল দীপ্তিতে আনিবেন, এবং হৃদয়সমূহের মন্ত্রণা সকল প্রকাশ করিবেন; আর তৎকালে প্রত্যেক জন ঈশ্বর হইতে আপন আপন প্রশংসা পাইবে।