কিন্তু এখন, হে সদাপ্রভু, তুমি আমাদের পিতা; আমরা মৃত্তিকা, আর তুমি আমাদের কুম্ভকার; আমরা সকলে তোমার হস্তকৃত বস্তু।
Cross references
আর তুমি ফরৌণকে কহিবে, সদাপ্রভু এই কথা কহেন, ইস্রায়েল আমার পুত্র, আমার প্রথমজাত।
মিস্রীয়েরা কেন বলিবে, অনিষ্টের নিমিত্তে, পর্ব্বতময় অঞ্চলে তাহাদিগকে নষ্ট করিতে ও ভূতল হইতে লোপ করিতে, তিনি তাহাদিগকে বাহির করিয়া আনিয়াছেন? তুমি নিজ প্রচণ্ড ক্রোধ সংবরণ কর, ও আপন প্রজাদের অনিষ্টকরণ বিষয়ে ক্ষান্ত হও।
ইহারাই ত তোমার প্রজা ও তোমার অধিকার; ইহাদিগকে তুমি আপন মহাশক্তি ও বিস্তারিত বাহু দ্বারা বাহির করিয়া আনিয়াছ।
তোমরা কি সদাপ্রভুকে এই প্রতিশোধ দিতেছ? হে মূঢ় ও অজ্ঞান জাতি। তিনি কি তোমার পিতা নহেন, যিনি তোমাকে লাভ করিলেন। তিনিই তোমার নির্ম্মাতা ও স্থিতিকর্ত্তা।
তোমার হস্ত আমাকে গড়িয়াছে, নিরমিয়াছে, আমার সর্ব্বাঙ্গ সুসংযুক্ত [করিয়াছে], তথাপি তুমি আমাকে সংহার করিতেছ।
হে ঈশ্বর, তুমি কেন চিরতরে ত্যাগ করিয়াছ? আপন চরাণির মেষগণের বিরুদ্ধে কেন তোমার ক্রোধাগ্নি প্রধূমিত হইতেছে?
আইস, আমরা প্রণিপাত করি, প্রণত হই, আমাদের নির্ম্মাতা সদাপ্রভুর সাক্ষাতে জানু পাতি।
তোমরা জানিও, সদাপ্রভুই ঈশ্বর, তিনিই আমাদিগকে নির্ম্মাণ করিয়াছেন, আমরা তাঁহারই; আমরা তাঁহার প্রজা ও তাঁহার চরাণির মেষ।
তোমার হস্ত আমার গঠন ও স্থিতি করিয়াছে; আমাকে বিবেচনা দেও, যেন তোমার আজ্ঞা সকল শিখিতে পারি।
সদাপ্রভু আমার পক্ষে সকলই সিদ্ধ করিবেন; হে সদাপ্রভু, তোমার দয়া অনন্তকালস্থায়ী; তোমার স্বহস্তের কর্ম্ম পরিত্যাগ করিও না।
তোমাদের কেমন বিপরীত বুদ্ধি! কুম্ভকার কি মৃত্তিকার সমান বলিয়া গণ্য? নির্ম্মিত বস্তু কি নির্ম্মাতার বিষয়ে বলিবে, ঐ ব্যক্তি আমাকে নির্ম্মাণ করে নাই? গঠিত বস্তু কি আপন গঠনকারীর বিষয়ে বলিবে, উহার বুদ্ধি নাই?
যে কেহ আমার নামে আখ্যাত, যাহাকে আমি আমার গৌরবার্থে সৃষ্টি করিয়াছি [সেই ব্যক্তিকে আনিয়া দেও], আমি তাহাকে নির্ম্মাণ করিয়াছি, আমি তাহাকে গঠন করিয়াছি।
আমি, আমিই আমার নিজের অনুরোধে তোমার অধর্ম্ম সকল মার্জ্জনা করি, তোমার পাপ সকল মনে রাখিব না।
হে যাকোব, হে ইস্রায়েল, তুমি এই সকল স্মরণ কর, কেননা তুমি আমার দাস, আমি তোমাকে গঠন করিয়াছি; তুমি আমার দাস; হে ইস্রায়েল, তুমি আমার স্মরণ হইতে ভ্রষ্ট হইবে না।
তোমার মুক্তিদাতা এবং গর্ভাবধি তোমার গঠনকারী সদাপ্রভু এই কথা কহেন, আমি সদাপ্রভু সর্ব্ববস্তু-নির্ম্মাতা, আমি একাকী আকাশমণ্ডল বিস্তার করিয়াছি, আমি ভূতল বিছাইয়াছি; আমার সঙ্গী কে?
ধিক্ তাহাকে, যে আপন নির্ম্মাতার সহিত বিবাদ করে; সে ত মাটীর খোলার মধ্যবর্ত্তী খোলা মাত্র। মৃত্তিকা কি মুম্ভকারকে বলিবে, ‘তুমি কি নির্ম্মাণ করিতেছ? তোমার রচিত বস্তু কি বলিবে, ‘উহার হস্ত নাই’?
কারণ আমি নিত্য বিবাদ করিব না, সর্ব্বদা ক্রোধ করিব না; করিলে আত্মা, এবং আমার নির্ম্মিত প্রাণী সকল, আমার সম্মুখে মূর্চ্ছাপন্ন হইবে।
কারণ তিনি কহিলেন, উহারা অবশ্য আমার প্রজা, উহারা এমন সন্তান, যাহারা মিথ্যা আচরণ করিবে না; এইরূপে তিনি তাহাদের ত্রাণকর্ত্তা হইলেন।
তুমি ত আমাদের পিতা; যদ্যপি অব্রাহাম আমাদিগকে জানেন না, ও ইস্রায়েল আমাদিগকে স্বীকার করেন না, তথাপি তুমি সদাপ্রভু আমাদের পিতা, অনাদিকাল হইতে আমাদের মুক্তিদাতা, এই তোমার নাম।
তুমি উঠিয়া কুম্ভকারের বাটীতে নামিয়া যাও, সেখানে আমি তোমাকে আমার বাক্য শুনাইব।
হে মনুষ্য, বরং, তুমি কে যে ঈশ্বরের প্রতিবাদ করিতেছ? নির্ম্মিত বস্তু কি নির্ম্মাতাকে বলিতে পারে, আমাকে এরূপ কেন গড়িলে?
কেননা তোমরা সকলে, খ্রীষ্ট যীশুতে বিশ্বাস দ্বারা, ঈশ্বরের পুত্র হইয়াছ;
আর তোমরা যদি খ্রীষ্টের হও, তবে সুতরাং অব্রাহামের বংশ, প্রতিজ্ঞানুসারে দায়াধিকারী।
কারণ আমরা তাঁহারই রচনা, খ্রীষ্ট যীশুতে বিবিধ সৎক্রিয়ার নিমিত্ত সৃষ্ট; সেগুলি ঈশ্বর পূর্ব্বে প্রস্তুত করিয়াছিলেন, যেন আমরা সেই পথে চলি।