সদাপ্রভু যাহা ইচ্ছা করিয়াছেন, তাহাই করিয়াছেন, আকাশে, পৃথিবীতে, সমুদ্র-সমূহে ও সমস্ত জলধি-মধ্যে করিয়াছেন।
Cross references
আমি জানি, তুমি সকলই করিতে পার; কোন সঙ্কল্প সাধন তোমার অসাধ্য নয়।
তিনি কথা কহিলেন, আর উৎপত্তি হইল, তিনি আজ্ঞা করিলেন, আর স্থিতি হইল।
সদাপ্রভুর মন্ত্রণা চিরকাল স্থির থাকে, তাঁহার চিত্তের সঙ্কল্প পুরুষানুক্রমে স্থায়ী।
আমাদের ঈশ্বর ত স্বর্গে থাকেন; তিনি যাহা ইচ্ছা করিয়াছেন, তাহাই করিয়াছেন।
[তাঁহার স্তব কর,] যিনি সূফ-সাগরকে দ্বিভাগ করিলেন; —তাঁহার দয়া অনন্তকালস্থায়ী—
আমি শেষের বিষয় আদি অবধি জ্ঞাত করি, যাহা সাধিত হয় নাই, তাহা পূর্ব্বে জানাই, আর বলি, আমার মন্ত্রণা স্থির থাকিবে, আমি আপনার সমস্ত মনোরথ সিদ্ধ করিব।
আর তুমি মানব-সমাজ হইতে দূরীকৃত হইবে, মাঠের পশুদের সহিত তোমার বসতি হইবে, বলদের ন্যায় তোমাকে তৃণ ভোজন করান যাইবে, ও তোমার উপরে সাত কাল ঘূরিবে; যে পর্য্যন্ত না তুমি জানিবে যে, মনুষ্যদের রাজ্যে পরাৎপর কর্ত্তৃত্ব করেন, ও যাহাকে তাহা দিতে ইচ্ছা করেন, তাহাকে তাহা দেন।
আর পৃথিবীনিবাসিগণ সকলে অবস্তুবৎ গণ্য; তিনি স্বর্গীয় বাহিনীর ও পৃথিবীনিবাসীদের মধ্যে আপন ইচ্ছানুসারে কার্য্য করেন; এবং এমন কেহ নাই যে, তাঁহার হস্ত থামাইয়া দিবে, কিম্বা তাঁহাকে বলিবে, তুমি কি করিতেছ?
কেননা দেখ, তিনি পর্ব্বতগণের নির্ম্মাতা, ও বায়ুর সৃষ্টিকর্ত্তা; তিনি মানুষের কাছে তাহার চিন্তা প্রকাশ করেন; তিনি অরুণকে অন্ধকার করেন, ও পৃথিবীর উচ্চস্থলী সকলের উপর দিয়া গমনাগমন করেন; বাহিনীগণের ঈশ্বর সদাপ্রভু, এই তাঁহার নাম।
তিনি আকাশে আপন উচ্চ কক্ষ সকল নির্ম্মাণ করিয়াছেন, পৃথিবীর ঊর্দ্ধে আপন চন্দ্রাতপ স্থাপন করিয়াছেন; তিনি সমুদ্রের জলসমূহকে ডাকিয়া স্থলের উপরে ঢালিয়া দেন; সদাপ্রভু তাঁহার নাম।
তিনি তাঁহাদিগকে কহিলেন, হে অল্পবিশ্বাসীরা, কেন ভীরু হও? তখন তিনি উঠিয়া বায়ু ও সমুদ্রকে ধমক দিলেন; তাহাতে মহাশান্তি হইল।
পরে চতুর্থ প্রহর রাত্রিতে তিনি সমুদ্রের উপর দিয়া হাঁটিয়া তাঁহাদের নিকটে আসিলেন।
তখন যীশু নিকটে আসিয়া তাঁহাদের সহিত কথা কহিলেন, বলিলেন, স্বর্গে ও পৃথিবীতে সমস্ত কর্ত্তৃত্ব আমাকে দত্ত হইয়াছে।