জাতিগণের প্রতিমা সকল রৌপ্য ও সুবর্ণ, সে গুলি মনুষ্যের হস্তের কার্য্য।
Cross references
আর তোমরা সেখানে মনুষ্যের হস্তকৃত দেবগণের—দর্শনে, শ্রবণে, ভোজনে ও আঘ্রাণে অসমর্থ কাষ্ঠ ও প্রস্তরখণ্ডের—সেবা করিবে।
উহাদের প্রতিমা সকল রৌপ্য ও স্বর্ণ, মনুষ্যের হস্তের কার্য্য।
এবং তাহাদের দেবগণকে অগ্নিতে নিক্ষেপ করিয়াছে, কারণ তাহারা ঈশ্বর নয়, কিন্তু মনুষ্যের হস্তের কার্য্য, কাষ্ঠ ও প্রস্তর; এই জন্য উহারা তাহাদিগকে বিনষ্ট করিয়াছে।
শিল্পকর প্রতিমা ছাঁচে ঢালে, স্বর্ণকার তাহা স্বর্ণপত্রে মোড়ে, ও তাহার নিমিত্ত রৌপ্যের শৃঙ্খল প্রস্তুত করে।
ক্ষোদিত প্রতিমার নির্ম্মাতারা সকলে অবস্তু, তাহাদের পুত্তলিরত্ন সকল উপকারী নয়; এবং তাহাদের নিজের সাক্ষিগণ দেখে না, জানে না, যেন তাহারা লজ্জাপ্রাপ্ত হয়।
তাহারা তোড়া হইতে স্বর্ণ ঢালে, নিক্তিতে রৌপ্য তৌল করে, স্বর্ণকারকে বানি দেয়, আর সে তাহার দ্বারা এক দেবতা নির্ম্মাণ করে, পরে তাহারা দণ্ডবৎ হইয়া প্রণিপাত করে। তাহারা তাহাকে স্কন্ধে তুলিয়া বহন করে,
কেননা জাতিগণের বিধি সকল অসার; লোকে বনে কাষ্ঠ ছেদন করে, তাহাই বাটালি সহকারে কারুকরের হস্তকৃত কর্ম্ম হইয়া উঠে।
ক্ষোদিত প্রতিমায় উপকার কি যে, তাহার নির্ম্মাতা তাহা ক্ষোদন করে? ছাঁচে ঢালা প্রতিমার ও মিথ্যার শিক্ষকেই বা [উপকার কি] যে, আপনার নির্ম্মিত বস্তুর নির্ম্মাতা তাহাতে বিশ্বাস করিয়া অবাক্ অবস্তু নির্ম্মাণ করে?
অতএব আমরা যখন ঈশ্বরের বংশ, তখন ঈশ্বরের স্বরূপকে মনুষ্যের শিল্প ও কল্পনা অনুসারে ক্ষোদিত স্বর্ণের কি রৌপ্যের কি প্রস্তরের সদৃশ জ্ঞান করা আমাদের কর্ত্তব্য নহে।