বৃথাই তোমরা প্রত্যূষে উঠ ও বিলম্বে শয়ন কর, এবং পরিশ্রমের খাদ্য ভক্ষণ কর, তিনি আপন প্রিয়পাত্রকে নিদ্রাযোগে এইরূপ দেন।
Cross references
আর তিনি অাদমকে কহিলেন, যে বৃক্ষের ফলের বিষয়ে আমি তোমাকে বলিয়াছিলাম, তুমি তাহা ভোজন করিও না, তুমি তোমার স্ত্রীর কথা শুনিয়া তাহার ফল ভোজন করিয়াছ, এই জন্য তোমার নিমিত্ত ভূমি অভিশপ্ত হইল; তুমি যাবজ্জীবন ক্লেশে উহা ভোগ করিবে;
তুমি সাহস করিবে, কারণ প্রত্যাশা আছে, চারিদিকে তত্ত্ব লইয়া নির্ভয়ে শয়ন করিবে।
আমি শয়ন করিলাম ও নিদ্রা গেলাম, আমি জাগ্রৎ হইলাম; কারণ সদাপ্রভু আমাকে ধারণ করেন।
আমি শান্তিতে শয়ন করিব, নিদ্রাও যাইব; কেননা, হে সদাপ্রভু, তুমিই একাকী আমাকে নির্ভয়ে বাস করিতে দিতেছ।
দেখ, তুমি আমার আয়ু কতিপয় মুষ্টি পরিমিত করিয়াছ, আমার জীবনকাল তোমার দৃষ্টিতে অবস্তবৎ; সত্য, প্রত্যেক মনুষ্য স্থিরীকৃত হইলেও নিতান্ত অসার। সেলা।
তোমার প্রিয়েরা যেন উদ্ধার পায়, তজ্জন্য তুমি নিজ দক্ষিণ হস্ত দ্বারা পরিত্রাণ কর, আমাদিগকে উত্তর দেও।
সদাপ্রভুর আশীর্ব্বাদই ধনবান করে, এবং তিনি তাহার সহিত মনোদুঃখ দেন না।
তিনি রাত্রি থাকিতে উঠেন, আর নিজ পরিজনদিগকে খাদ্য দেন, নিজ দাসীদিগকে নিরূপিত কর্ম্ম দেন।
তিনি দেখিতে পান, তাঁহার ব্যবসায় উত্তম, রাত্রিতে তাঁহার দীপ নির্ব্বাণ হয় না।
সূর্য্যের নীচে কৃত সমস্ত কার্য্য আমি দেখিয়াছি; দেখ, সে সকলই অসার ও বায়ুভক্ষণ মাত্র।
আমি মনে মনে বলিলাম, ‘আইস, আমি এক বার আমোদের দ্বারা তোমার পরীক্ষা করি, তুমি সুখভোগ কর,’ আর দেখ, তাহাও অসার।
অতএব সূর্য্যের নীচে আমি যে পরিশ্রমে পরিশ্রান্ত হইতাম, ফিরিয়া আমার সেই সমস্ত পরিশ্রমের বিষয়ে আপন হৃদয়কে নিরাশ হইতে দিলাম।
কোন ব্যক্তি একা থাকে, তাহার দ্বিতীয় কেহ নাই, পুত্রও নাই, ভ্রাতাও নাই, তথাচ তাহার পরিশ্রমের সীমা নাই, তাহার চক্ষুও ধনে তৃপ্ত হয় না। [সে বলে,] তবে আমি কাহার নিমিত্ত পরিশ্রম করিতেছি, ও আপন প্রাণকে মঙ্গল হইতে বঞ্চিত করিতেছি? ইহাও অসার ও ভারী কষ্টজনক।
শ্রমজীবী অধিক বা অল্প আহার করুক, নিদ্রা তাহার মিষ্ট লাগে; কিন্তু ধনবানের পূর্ণতা তাহাকে নিদ্রা যাইতে দেয় না।