মানুষের সমস্ত পরিশ্রম তাহার মুখের জন্য, তথাপি আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ হয় না।
Cross references
আর তিনি অাদমকে কহিলেন, যে বৃক্ষের ফলের বিষয়ে আমি তোমাকে বলিয়াছিলাম, তুমি তাহা ভোজন করিও না, তুমি তোমার স্ত্রীর কথা শুনিয়া তাহার ফল ভোজন করিয়াছ, এই জন্য তোমার নিমিত্ত ভূমি অভিশপ্ত হইল; তুমি যাবজ্জীবন ক্লেশে উহা ভোগ করিবে;
শ্রমীর ক্ষুধাই তাহাকে পরিশ্রম করায়; বস্তুতঃ তাহার মুখ তাহাকে পীড়াপীড়ি করে।
সমস্ত বিষয় ক্লান্তিজনক; তাহার বর্ণনা করা মনুষ্যের অসাধ্য; দর্শনে চক্ষু তৃপ্ত হয় না, এবং শ্রবণে কর্ণ তৃপ্ত হয় না।
আর দেশের ফল সকলেরই জন্য; ভূমির দ্বারা রাজা সেবিত হন।
যে ব্যক্তি রৌপ্য ভালবাসে, সে রৌপ্যে তৃপ্ত হয় না; আর যে ব্যক্তি ধনরাশি ভালবাসে, সে ধনাগমে তৃপ্ত হয় না; ইহাও অসার।
কোন ব্যক্তি যদি এক শত পুত্রের জন্ম দিয়া অনেক বৎসর বাঁচিয়া দীর্ঘজীবী হয়, কিন্তু তাহার প্রাণ যদি মঙ্গলে তৃপ্ত না হয়, এবং তাহার কবরও যদি না হয়, তবে আমি বলি, তাহা হইতে বরং গর্ভস্রাবও ভাল।
এই জন্য আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, ‘কি ভোজন করিব, কি পান করিব’ বলিয়া প্রাণের বিষয়ে, কিম্বা ‘কি পরিব’ বলিয়া শরীরের বিষয়ে ভাবিত হইও না; ভক্ষ্য হইতে প্রাণ ও বস্ত্র হইতে শরীর কি বড় বিষয় নয়?
আর আপন প্রাণকে বলিব, প্রাণ, বহুবৎসরের নিমিত্ত তোমার জন্য অনেক দ্রব্য সঞ্চিত আছে; বিশ্রাম কর, ভোজন পান কর, আমোদ প্রমোদ কর।
নশ্বর ভক্ষ্যের নিমিত্ত শ্রম করিও না, কিন্তু সেই ভক্ষ্যের জন্য শ্রম কর, যাহা অনন্ত জীবন পর্য্যন্ত থাকে, যাহা মনুষ্যপুত্র তোমাদিগকে দিবেন, কেননা পিতা —ঈশ্বর—তাঁহাকেই মুদ্রাঙ্কিত করিয়াছেন।
বাস্তবিকই ভক্তি, সন্তোষযুক্ত হইলে, মহালাভের উপায়,