সদাপ্রভুর কর্ম্ম সকল মহৎ; তৎপ্রীত সকলে সেই সকল অনুশীলন করে।
Cross references
তিনি মহৎ মহৎ কর্ম্ম করেন, যাহার সন্ধান করা যায় না, আশ্চর্য্য ক্রিয়া করেন, যাহার সংখ্যা নাই।
তিনি মহৎ মহৎ কর্ম্ম করেন, যাহা সন্ধানের অতীত, আশ্চর্য্য ক্রিয়া করেন, যাহার সংখ্যা নাই।
তিনি আপন পরাক্রমে সমুদ্রকে উত্তেজিত করেন, আপন বুদ্ধিতে গর্ব্বীকে আঘাত করেন।
তিনি মনুষ্যমাত্রের হস্ত মুদ্রাঙ্কিত করেন, যেন তাঁহার নির্ম্মিত সকল মনুষ্যই জ্ঞান পায়।
হে ইয়োব, আপনি ইহাতে কর্ণপাত করুন, স্থির থাকুন, ঈশ্বরের আশ্চর্য্য কার্য্য সকল বিবেচনা করুন।
পরে সদাপ্রভু ঘূর্ণবায়ুর মধ্য হইতে ইয়োবকে উত্তর দিয়া কহিলেন,
তুমি কি বড়শীতে লিবিয়াথনকে তুলিতে পার? হাতসূতে তাহার জিহ্বা বাঁধিতে পার?
আমি সদাপ্রভুর কর্ম্ম সকল উল্লেখ করিব; তোমার পূর্ব্বকালীন আশ্চর্য্য ক্রিয়া সকল স্মরণ করিব।
কেননা, হে সদাপ্রভু, তুমি আপন কার্য্য দ্বারা আমাকে আহ্লাদিত করিয়াছ; আমি তোমার হস্তকৃত কার্য্য সকলে জয়ধ্বনি করিব।
হে সদাপ্রভু, তোমার নির্ম্মিত বস্তু কেমন বহুবিধ! তুমি প্রজ্ঞা দ্বারা সে সমস্ত নির্ম্মাণ করিয়াছ; পৃথিবী তোমার সম্পত্তিতে পরিপূর্ণ।
তাঁহার কাছে আমার ধ্যান মধুর হউক; আমি সদাপ্রভুতে আনন্দ করিব।
জ্ঞানবান কে? সে এই সমস্ত বিবেচনা করিবে, তাহারা সদাপ্রভুর বিবিধ দয়া আলোচনা করিবে।
ধার্ম্মিকগণের তাম্বুতে আনন্দের ও পরিত্রাণের ধ্বনি হইতেছে; সদাপ্রভুর দক্ষিণ হস্ত বিক্রমসাধক।
আমি তোমার স্তব করিব, কেননা আমি ভয়াবহরূপে ও আশ্চর্য্যরূপে নির্ম্মিত; তোমার কর্ম্ম সকল আশ্চর্য্য, তাহা আমার প্রাণ বিলক্ষণ জানে।
আমি পূর্ব্বকালের দিন সকল স্মরণ করিতেছি, তোমার সমস্ত কর্ম্ম ধ্যান করিতেছি, তোমার হস্তের কার্য্য আলোচনা করিতেছি।
হীনবুদ্ধির হস্তে অর্থ কেন থাকিবে? কি প্রজ্ঞা কিনিবার জন্য? তাহার যে বুদ্ধি নাই।
যে পৃথক্ হয় সে নিজ অভীষ্ট চেষ্টা করে, এবং সমস্ত বুদ্ধিকৌশলের বিরুদ্ধে উচ্চণ্ড হয়।
জানিও, তোমার প্রাণের পক্ষে প্রজ্ঞা তদ্রূপ; তাহা পাইলে শেষ ফল হইবে, তোমার আশা ছিন্ন হইবে না।
তিনি সকলই যথাকালে মনোহর করিয়াছেন, আবার তাহাদের হৃদয়মধ্যে চিরকাল রাখিয়াছেন; তথাপি ঈশ্বর আদি অবধি শেষ পর্য্যন্ত যে সকল কার্য্য করেন, মনুষ্য তাহার তত্ত্ব বাহির করিতে পারে না।
কে আপন করতলে জলরাশি মাপিয়াছে, বিঘত দিয়া আকাশমণ্ডল পরিমাণ করিয়াছে, পৃথিবীর ধূলা পালিতে ভরিয়াছে, পাল্লাতে পর্ব্বতগণকে, ও নিক্তিতে উপপর্ব্বতগণকে তৌল করিয়াছে?
হা, প্রভু সদাপ্রভু! দেখ, তুমিই আপন মহাপরাক্রম ও বিস্তারিত বাহু দ্বারা আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী নির্ম্মাণ করিয়াছ; তোমার অসাধ্য কিছুই নাই।
তুমি মন্ত্রণায় মহান ও ক্রিয়ায় শক্তিমান; প্রত্যেক জনকে আপন আপন পথানুসারে ও আপন আপন ক্রিয়ানুসারে সমুচিত ফল দিবার জন্য মনুষ্য-সন্তানদের সমস্ত পথের প্রতি তোমার চক্ষু উন্মীলিত রহিয়াছে।
আহা! তাঁহার চিহ্ন সকল কেমন মহৎ! তাঁহার আশ্চর্য্য কার্য্য সকল কেমন পরাক্রমশালী! তাঁহার রাজ্য অনন্তকালীন রাজ্য, ও তাঁহার কর্ত্তৃত্ব পুরুষানুক্রমে স্থায়ী।
আর যেমন তাহারা ঈশ্বরকে আপনাদের জ্ঞানে ধারণ করিতে সম্মত হয় নাই, তেমনি ঈশ্বর তাহাদিগকে অনুচিত ক্রিয়া করিতে ভ্রষ্ট মতিতে সমর্পণ করিলেন।
কারণ মাংসের ভাব মৃত্যু, কিন্তু আত্মার ভাব জীবন ও শান্তি।
এবং বিশ্বাসকারী যে আমরা, আমাদের প্রতি তাঁহার পরাক্রমের অনুপম মহত্ত্ব কি। ইহা তাঁহার শক্তির পরাক্রমের সেই কার্য্যসাধনের অনুযায়ী,
উদ্দেশ্য এই, খ্রীষ্ট যীশুতে আমাদের প্রতি প্রদর্শিত তাঁহার মধুর ভাব দ্বারা যেন তিনি আগামী যুগপর্য্যায়ে আপনার অনুপম অনুগ্রহ-ধন প্রকাশ করেন।
সেই পরিত্রাণের বিষয় ভাববাদিগণ সযত্নে আলোচনা ও অনুসন্ধান করিয়াছিলেন, তাঁহারা তোমাদের জন্য নিরূপিত অনুগ্রহের বিষয়ে ভাববাণী বলিতেন।
আর তাহারা ঈশ্বরের দাস মোশির গীত ও মেষশাবকের গীত গায়, বলে, “মহৎ ও আশ্চর্য্য তোমার ক্রিয়া সকল, হে প্রভু ঈশ্বর, সর্ব্বশক্তিমান্; ন্যায্য ও সত্য তোমার মার্গ সকল, হে জাতিগণের রাজন্!