তিনি অন্ধকার ও মৃত্যুচ্ছায়া হইতে তাহাদিগকে বাহির করিয়া আনিলেন, তাহাদের বন্ধন সকল ছেদন করিলেন।
Cross references
অন্ধকার ও মৃত্যুচ্ছায়া তাহাকে আদায় করুক, মেঘ তাহাকে আচ্ছন্ন করুক, যাহা কিছু দিন অন্ধকার করে, তাহা তাহাকে ত্রাসযুক্ত করুক।
যে পর্য্যন্ত আমি সেই স্থানে না যাই, যথা হইতে আর ফিরিয়া আসিব না। তাহা তিমিরের ও মৃত্যুচ্ছায়ার দেশ,
সে বিশ্বাস করে না যে, অন্ধকার হইতে সে ফিরিয়া আসিবে, সে খড়্গের জন্য নির্দ্ধারিত।
সে অন্ধকার হইতে প্রস্থান করিবে না; অগ্নিশিখা তাহার শাখা শুষ্ক করিবে, সে তদীয় মুখের নিঃশ্বাসে উড়িয়া যাইবে।
তিনি অলঙ্ঘনীয় বেড়া দ্বারা আমার পথ রুদ্ধ, এবং আমার মার্গ অন্ধকারাবৃত করিয়াছেন।
যেন কূপ হইতে তাহার প্রাণ ফিরাইয়া আনেন, যেন সে জীবিতদের দীপ্তিতে দেদীপ্যমান হয়।
তাহারা যদি শৃঙ্খলে বদ্ধ হয়, যদি দুঃখ-রজ্জুতে আবদ্ধ হয়;
পরে ইয়োব আপন বন্ধুগণের নিমিত্ত প্রার্থনা করিলে সদাপ্রভু তাঁহার দুর্দ্দশার পরিবর্ত্তন করিলেন; বস্তুতঃ সদাপ্রভু ইয়োবকে পূর্ব্ব সম্পদের দ্বিগুণ সম্পদ দিলেন।
ঈশ্বর সঙ্গিহীনদিগকে পরিবার মধ্যে বাস করান, তিনি বন্দিগণকে মুক্ত করিয়া কুশলে রাখেন; কিন্তু বিদ্রোহীরা দগ্ধ ভূমিতে বাস করে।
বন্দির হাহাকার শুনিবার জন্য, মৃত্যুর সন্তানদিগকে মুক্ত করিবার জন্য;
যাবৎ তাঁহার বচন সফল না হইল, তাবৎ সদাপ্রভুর বাক্য তাঁহাকে পরীক্ষা করিল।
লোকেরা অন্ধকারে ও মৃত্যুচ্ছায়ায় বসিয়াছিল, দুঃখ-পাশে ও লৌহ-শৃঙ্খলে বদ্ধ ছিল;
বিনয় করি, সদাপ্রভু, আমি তোমার দাস; আমি তোমার দাস, তোমার দাসীর পুত্র; তুমি আমার বন্ধন সকল মুক্ত করিয়াছ।
তিনি উপদ্রুতদের পক্ষে ন্যায়বিচার করেন, তিনি ক্ষুধিতদিগকে খাদ্য দান করেন; সদাপ্রভু বন্দিদিগকে মুক্ত করেন।
আমি অন্ধদিগকে তাহাদের অবিদিত পথ দিয়া লইয়া যাইব; যে সকল মার্গ তাহারা জানে না, সেই সকল মার্গ দিয়া তাহাদিগকে চালাইব; আমি তাহাদের অগ্রে অন্ধকারকে আলোক, এ বক্রভূমিকে সরল করিব; এই সমস্ত আমি করিব, তাহাদিগকে পরিত্যাগ করিব না।
তুমি বন্দিগণকে বলিবে, বাহির হও; যাহারা অন্ধকারে আছে, তাহাদিগকে বলিবে প্রকাশিত হও। তাহারা পথে পথে চরিবে, ও বৃক্ষশূন্য গিরিশ্রেণী তাহাদের চরাণিস্থান হইবে।
উঠ, দীপ্তিমতী হও, কেননা তোমার দীপ্তি উপস্থিত, সদাপ্রভুর প্রতাপ তোমার উপরে উদিত হইল।
প্রভু সদাপ্রভুর আত্মা আমাতে অধিষ্ঠান করেন, কেননা নম্রগণের কাছে সুসমাচার প্রচার করিতে সদাপ্রভু আমাকে অভিষেক করিয়াছেন; তিনি আমাকে প্রেরণ করিয়াছেন, যেন আমি ভগ্নান্তঃকরণ লোকদের ক্ষত বাঁধিয়া দিই; যেন বন্দি লোকদের কাছে মুক্তি, ও কারাবদ্ধ লোকদের কাছে কারামোচন প্রচার করি;
পরে যিহূদার যিহোয়াখীন রাজার বন্দি-দশার সপ্তত্রিংশ বৎসরে, দ্বাদশ মাসে, মাসের পঞ্চবিংশ দিবসে, বাবিল-রাজ ইবিল-মরোদক আপন রাজত্বের প্রথম বৎসরে যিহূদা-রাজ যিহোয়াখীনের মস্তক উঠাইলেন, ও তাঁহাকে কারাগার হইতে মুক্ত করিলেন।
আর তোমার বিষয়ে বলিতেছি, তোমার নিয়মের রক্ত প্রযুক্ত আমি তোমার বন্দিদিগকে সেই নির্জল কূপের মধ্য হইতে মুক্ত করিয়াছি।
তবে এই স্ত্রীলোক, অব্রাহামের কন্যা, যাহাকে শয়তান, দেখ, আজ আঠারো বৎসর ধরিয়া বাঁধিয়া রাখিয়াছিল, ইহার এই বন্ধন হইতে বিশ্রামবারে মুক্তি পাওয়া কি উচিত নয়?
কিন্তু রাত্রিকালে প্রভুর এক দূত কারাগারের দ্বার সকল খুলিয়া দিলেন, ও তাঁহাদিগকে বাহিরে আনিয়া কহিলেন, তোমরা যাও,
ইতিমধ্যে কোন ব্যক্তি আসিয়া তাঁহাদিগকে এই সংবাদ দিল, দেখুন, আপনারা যে লোকদিগকে কারাগারে রাখিয়াছিলেন, তাহারা ধর্ম্মধামে দাঁড়াইয়া আছে, ও লোকদিগকে উপদেশ দিতেছে।
আর দেখ, প্রভুর এক দূত তাঁহার কাছে আসিয়া দাঁড়াইলেন, এবং কারাকক্ষে আলোক প্রকাশ পাইল। তিনি পিতরের কুক্ষিদেশে আঘাত করিয়া তাঁহাকে জাগাইয়া কহিলেন, শীঘ্র উঠ। তখন তাঁহার দুই হস্ত হইতে শৃঙ্খল পড়িয়া গেল।
তখন হঠাৎ মহাভূমিকম্প হইল, এমন কি, কারাগারের ভিত্তিমূল কাঁপিয়া উঠিল; আর অমনি সমস্ত দ্বার খুলিয়া গেল, ও সকলের বন্ধন মুক্ত হইল।
কারণ তোমরা এক সময়ে অন্ধকার ছিলে, কিন্তু এখন প্রভুতে দীপ্তি হইয়াছ; দীপ্তির সন্তানদের ন্যায় চল
কিন্তু তোমরা “মনোনীত বংশ, রাজকীয় যাজকবর্গ, পবিত্র জাতি, [ঈশ্বরের] নিজস্ব প্রজাবৃন্দ, যেন তাঁহারই গুণকীর্ত্তন কর,” যিনি তোমাদিগকে অন্ধকার হইতে আপনার আশ্চর্য্য জ্যোতির মধ্যে আহ্বান করিয়াছেন।