দাসের ভার, যখন সে রাজত্ব প্রাপ্ত হয়, মূর্খের ভার, যখন সে ভক্ষ্যে পরিতৃপ্ত হয়,
Cross references
তৎকালে মায়োনে এক ব্যক্তি ছিল, কর্ম্মিলে তাহার বিষয়-আশয় ছিল; সে অতি বড় মানুষ; তাহার তিন সহস্র মেষ ও এক সহস্র ছাগী ছিল। সেই ব্যক্তি কর্ম্মিলে আপন মেষদিগের লোম ছেদন করিতেছিল।
সেই পুরুষের নাম নাবল ও তাহার স্ত্রীর নাম অবীগল; ঐ স্ত্রী সুবুদ্ধি ও সুবদনা, কিন্তু ঐ পুরুষ কঠিন ও দুর্বৃত্ত ছিল; সে কালেবের বংশজাত।
নাবল উত্তর করিয়া দায়ূদের দাসদিগকে কহিল, দায়ূদ কে? যিশয়ের পুত্র কে? এই সময়ে অনেক দাস আপন আপন প্রভু হইতে পৃথক্ হইয়া বেড়াইতেছে।
বিনয় করি, আমার প্রভু সেই পাষণ্ডকে অর্থাৎ নাবলকে গণনার মধ্যে ধরিবেন না; তাহার যেমন নাম, সেও তেমনি। তাহার নাম নাবল [মূর্খ], তাহার অন্তরে মূর্খতা। কিন্তু আপনার এই দাসী আমি আমার প্রভুর প্রেরিত যুবকদিগকে দেখি নাই।
পরে অবীগল নাবলের নিকটে আসিল; আর দেখ, রাজভোজের মত তাহার গৃহে ভোজ হইতেছিল, এবং নাবল প্রফুল্লচিত্ত ছিল, সে অতিশয় মত্ত হইয়াছিল; এই জন্য অবীগল রাত্রি প্রভাতের পূর্ব্বে ঐ বিষয়ের অল্প কি অধিক কিছুই তাহাকে কহিল না।
পরে যখন সে তাঁহাকে পৌঁছাইয়া দিল, দেখ, তাহারা সমস্ত ভূমি ব্যাপিয়াছিল, ভোজন পান ও উৎসব করিতেছিল, কারণ পলেষ্টীয়দের দেশ ও যিহূদার দেশ হইতে তাহারা প্রচুর লুটদ্রব্য আনিয়াছিল।
সুখভোগ হীনবুদ্ধির অনুপযুক্ত, জনাধ্যক্ষদের উপরে দাসের কর্ত্তৃত্ব আরও অনুপযুক্ত।
যে দরিদ্র লোক দীনহীনদের প্রতি উপদ্রব করে, সে এমন প্লাবক বৃষ্টির তুল্য, যাহার পরে ভক্ষ্য থাকে না।
আমি দাসদিগকে ঘোড়ার উপরে, এবং অধিপতিদিগকে দাসের ন্যায় পায়ে হাঁটিয়া চলিতে দেখিয়াছি।
আর আমি বালকগণকে তাহাদের অধিপতি করিব, শিশুরা তাহাদের উপরে কর্ত্তৃত্ব করিবে।