যে রাজা সত্যভাবে দীনহীনদের বিচার করেন, তাঁহার সিংহাসন নিত্য স্থির থাকিবে।
Cross references
আমার কথা শুনিলে কর্ণ মম সাধুবাদ করিত, আমাকে দেখিলে চক্ষু মম পক্ষে সাক্ষ্য দিত।
তিনি ধার্ম্মিকতায় তোমার প্রজাগণের, ন্যায়ে তোমার দুঃখীদের বিচার করিবেন ।
কেননা তিনি আর্ত্তনাদকারী দরিদ্রকে, এবং দুঃখী ও নিঃসহায়কে উদ্ধার করিবেন।
তোমরা কতকাল অন্যায় বিচার করিবে, ও দুষ্টলোকদের মুখাপেক্ষা করিবে? সেলা।
কারণ আমি বলিয়াছি, দয়া চিরতরে সংগ্রথিত হইবে, তুমি আপন বিশ্বস্ততাকে স্বর্গেই সংস্থাপন করিবে।
দুষ্ট আচরণ রাজাদের ঘৃণাস্পদ; কারণ ধার্ম্মিকতায় সিংহাসন স্থির থাকে।
দয়া ও সত্য রাজাকে রক্ষা করে; তিনি দয়ায় আপন সিংহাসন স্থির রাখেন।
রাজার সম্মুখ হইতে দুষ্টকে বাহির করিয়া দেও, তাঁহার সিংহাসন ধার্ম্মিকতায় স্থিরীকৃত হইবে।
যে অধ্যক্ষ হীনবুদ্ধি, সে আবার বড় উপদ্রবী; কিন্তু যে লোভ ঘৃণা করে, সেই দীর্ঘজীবী হইবে।
রাজা ন্যায়বিচার দ্বারা দেশ সুস্থির করেন; কিন্তু উৎকোচপ্রিয় তাহা লণ্ডভণ্ড করে।
সদাচরণ শিক্ষা কর, ন্যায়বিচারের অনুশীলন কর, উপদ্রবী লোককে শাসন কর, পিতৃহীন লোকের বিচার নিষ্পত্তি কর, বিধবার পক্ষ সমর্থন কর।
কারণ একটী বালক আমাদের জন্য জন্মিয়াছেন, একটী পুত্র আমাদিগকে দত্ত হইয়াছে; আর তাঁহারই স্কন্ধের উপরে কর্ত্তৃত্বভার থাকিবে, এবং তাঁহার নাম হইবে—‘আশ্চর্য্য মন্ত্রী, বিক্রমশালী ঈশ্বর, সনাতন পিতা, শান্তিরাজ’।
কিন্তু ধর্ম্মশীলতায় দীনহীনের বিচার করিবেন, সরলতায় পৃথিবীস্থ নম্রদের জন্য নিষ্পত্তি করিবেন; তিনি আপন মুখস্থিত দণ্ড দ্বারা পৃথিবীকে আঘাত করিবেন, আপন ওষ্ঠাধরের নিঃশ্বাস দ্বারা দুষ্টকে বধ করিবেন।
তাহারা স্থূলকায় ও চাকচিক্যশালী হইয়াছে; হাঁ, তাহারা দুষ্টতার রীতি অপেক্ষাও পাপ করে, তাহারা বিচার করে না, পিতৃহীনের কল্যাণার্থে বিচার করে না, ও দরিদ্রদের বিচার নিষ্পত্তি করে না।
সে দুঃখী দীনহীনের বিচার করিত, তাই মঙ্গল হইল। সদাপ্রভু কহেন, আমাকে জ্ঞাত হওয়া কি তাহাই নয়?
অতএব, হে রাজন্, আপনি আমার পরামর্শ গ্রাহ্য করুন; আপনি ধার্ম্মিকতা দ্বারা আপন পাপ সকল, ও দুঃখীদের প্রতি কৃপা প্রদর্শন দ্বারা আপন অপরাধ সকল মুছিয়া ফেলুন; হয় ত আপনার শান্তিকাল বৃদ্ধি পাইবে।
তিনি মহান্ হইবেন, আর তাঁহাকে পরাৎপরের পুত্র বলা যাইবে; আর প্রভু ঈশ্বর তাঁহার পিতা দায়ূদের সিংহাসন তাঁহাকে দিবেন;
কিন্তু পুত্রের বিষয়ে তিনি বলেন, “হে ঈশ্বর, তোমার সিংহাসন অনন্তকালস্থায়ী; আর সারল্যের শাসনদণ্ডই তাঁহার রাজ্যের শাসনদণ্ড।