হঠাৎ ‘পবিত্র হইল’ বলিয়া উচ্চারণ করা, আর মানতের পর বিচার করা, মনুষ্যের পক্ষে ফাঁদস্বরূপ।
Cross references
তবে সে সদাপ্রভুর নিকটে দোষার্থক বলি আনিবে, পবিত্র স্থানের শেকল অনুসারে তোমার নিরূপিত পরিমাণে রৌপ্য দিয়া পাল হইতে এক নির্দ্দোষ মেষ আনিয়া দোষার্থক বলি উপস্থিত করিবে।
অন্য বংশীয় কোন লোক পবিত্র বস্তু ভোজন করিবে না; যাজকের গৃহপ্রবাসী কিম্বা বেতনজীবী কেহ পবিত্র বস্তু ভোজন করিবে না;
আর যদি কেহ সদাপ্রভুর কাছে উৎসর্গের জন্য পশু দান করে, তবে সদাপ্রভুর উদ্দেশে দত্ত তাদৃশ সমস্ত পশু পবিত্র বস্তু হইবে।
আর ভূমির শস্য কিম্বা বৃক্ষের ফল হউক, ভূমির উৎপন্ন সমস্ত দ্রব্যের দশমাংশ সদাপ্রভুর; তাহা সদাপ্রভুর উদ্দেশে পবিত্র।
কোন পুরুষ যদি সদাপ্রভুর উদ্দেশে মানত করে, কিম্বা ব্রতবন্ধনে আপন প্রাণকে বদ্ধ করিবার জন্য দিব্য করে, তবে সে আপন বাক্য ব্যর্থ না করুক, আপন মুখ হইতে নির্গত সমস্ত বাক্যানুসারে কার্য্য করুক।
কিন্তু যদি মানত না কর, তবে তাহাতে তোমার পাপ হইবে না।
তোমার ওষ্ঠ নির্গত বাক্য সযত্নে পালন করিবে; তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর উদ্দেশে তোমার মুখ হইতে যেমন স্ব-ইচ্ছায় দত্ত মানতের কথা নির্গত হয়, তদনুসারে করিবে।
প্রতিবাসীর দ্রাক্ষাক্ষেত্রে গেলে তুমি আপন ইচ্ছানুসারে তৃপ্তি পর্য্যন্ত দ্রাক্ষাফল ভোজন করিতে পারিবে, কিন্তু পাত্রে করিয়া কিছু লইবে না।
আর তাহাদের পিতা কিম্বা ভ্রাতৃগণ যদি বিবাদ করিবার জন্য আমাদের নিকটে আইসে, তবে আমরা তাহাদিগকে বলিব, তোমরা আমাদের অনুরোধে তাহাদিগকে দান কর; কেননা যুদ্ধের সময়ে আমরা তাহাদের প্রত্যেক জনের জন্য স্ত্রী পাই নাই; আর তোমরাও তাহাদিগকে দেও নাই, দিলে এখন অপরাধী হইতে।
হীনবুদ্ধির মুখ তাহার সর্ব্বনাশজনক, তাহার ওষ্ঠ তাহার প্রাণের ফাঁদ।
তুমি আপন মুখকে বেগে কথা কহিতে দিও না, এবং ঈশ্বরের সাক্ষাতে কথা উচ্চারণ করিতে তোমার হৃদয় ত্বরান্বিত না হউক; কেননা ঈশ্বর স্বর্গে ও তুমি পৃথিবীতে, অতএব তোমার কথা অল্প হউক।
ঈশ্বরের নিকটে মানত করিলে তাহা পরিশোধ করিতে বিলম্ব করিও না, কারণ হীনবুদ্ধি লোকদিগেতে তাঁহার সন্তোষ নাই; যাহা মানত করিবে, তাহা পরিশোধ করিও।
মনুষ্য কি ঈশ্বরকে ঠকাইবে? তোমরা ত আমাকে ঠকাইয়া থাক। কিন্তু তোমরা বলিতেছ, কিসে তোমাকে ঠকাইয়াছি? দশমাংশে ও উপহারে।
আবার তোমরা শুনিয়াছ, পূর্ব্বকালীয় লোকদের নিকটে উক্ত হইয়াছিল, ‘তুমি মিথ্যা দিব্য করিও না, কিন্তু প্রভুর উদ্দেশে তোমার দিব্য সকল পালন করিও।’