চক্ষুর জ্যোতিঃ চিত্তকে আনন্দিত করে, মঙ্গল-সমাচার অস্থি সকল পুষ্ট করে।
Cross references
আর এখন আমাদের ঈশ্বর সদাপ্রভুর কাছে ক্ষণকাল জন্য আমাদের কৃপালাভ হইল, যেন তিনি আমাদের কতকগুলি অবশিষ্ট লোককে রক্ষা করেন, আপন পবিত্র স্থানে আমাদিগকে একটী গোঁজ দেন, আমাদের ঈশ্বর যেন আমাদের চক্ষু দীপ্তিময় করেন ও দাসত্বের অবস্থায় একটুকু প্রাণ জুড়াইয়া দেন।
ধন্য সেই প্রজারা, যাহারা সেই আনন্দধ্বনি জানে, হে সদাপ্রভু, তাহারা তোমার মুখের দীপ্তিতে গমনাগমন করে।
ইহা তোমার নাভির স্বাস্থ্যস্বরূপ হইবে, তোমার অস্থির মজ্জাস্বরূপ হইবে।
মনুষ্যের মনোব্যথা মনকে নত করে; কিন্তু উত্তম বাক্য তাহা হর্ষযুক্ত করে।
ধার্ম্মিকের দীপ্তি আনন্দ করে; কিন্তু দুষ্টদের প্রদীপ নিভিয়া যায়।
সানন্দ হৃদয় স্বাস্থ্যজনক; কিন্তু ভগ্ন আত্মা অস্থি শুষ্ক করে।
পিপাসার্ত্ত প্রাণের পক্ষে যেমন শীতল জল, দূরদেশ হইতে প্রাপ্ত মঙ্গল সংবাদ তদ্রূপ।
সত্যই, আলো মিষ্ট, এবং চক্ষুর পক্ষে সূর্য্যদর্শন ভাল।
আর সদাপ্রভু নিয়ত তোমাকে পথ প্রদর্শন করিবেন, মরুভূমিতে তোমার প্রাণ তৃপ্ত করিবেন, ও তোমার অস্থি সকল বলবান্ করিবেন, তাহাতে তুমি জলসিক্ত উদ্যানের ন্যায় হইবে, এবং এমন জলের উনুইর ন্যায় হইবে, যাহার জল শুকায় না।
তখন দূত তাহাদিগকে কহিলেন, ভয় করিও না, কেননা দেখ, আমি তোমাদিগকে মহানন্দের সুসমাচার জানাইতেছি; সেই আনন্দ সমুদয় লোকেরই হইবে;
“আর সেই নগরে দীপ্তিদানার্থে সূর্য্যের বা চন্দ্রের কিছু প্রয়োজন নাই; কারণ ঈশ্বরের প্রতাপ তাহা আলোকময় করে, এবং মেষশাবক তাহার প্রদীপস্বরূপ।
সেখানে রাত্রি আর হইবে না, এবং প্রদীপের আলোকে কিম্বা সূর্য্যের আলোকে লোকদের কিছু প্রয়োজন হইবে না, কারণ “প্রভু ঈশ্বর তাহাদিগকে আলোকিত করিবেন; এবং তাহারা যুগপর্য্যায়ের যুগে যুগে রাজত্ব করিবে”।