আর মণ্ডলী রক্তের প্রতিশোধদাতার হস্ত হইতে সেই নরহন্তাকে উদ্ধার করিবে; এবং সে যেখানে পলাইয়াছিল, তাহার সেই আশ্রয়-নগরে মণ্ডলী তাহাকে পুনর্ব্বার পৌঁছাইয়া দিবে; আর যে পর্য্যন্ত পবিত্র তৈলে অভিষিক্ত মহাযাজকের মৃত্যু না হয়, তাবৎ সে সেই নগরে থাকিবে।
Cross references
পরে অভিষেকার্থ তৈল লইয়া তাহার মস্তকের উপরে ঢালিয়া তাহাকে অভিষিক্ত করিবে।
বিশেষতঃ, অভিষিক্ত যাজক যদি এমন পাপ করে, যাহাতে লোকদের উপরে দোষ অর্শে, তবে সে স্বকৃত পাপের জন্য সদাপ্রভুর উদ্দেশে নির্দ্দোষ এক গোবৎস পাপার্থক বলিরূপে উৎসর্গ করিবে।
পরে অভিষেকার্থ তৈলের কিঞ্চিৎ হারোণের মস্তকে ঢালিয়া তাঁহাকে পবিত্র করণার্থে অভিষেক করিলেন।
আর আপন ভ্রাতাদের মধ্যে প্রধান যাজক, যাহার মস্তকে অভিষেক-তৈল ঢালা গিয়াছে, যে ব্যক্তি হস্তপূরণ দ্বারা পবিত্র বস্ত্র পরিধান করিবার অধিকারী হইয়াছে, সে আপন মস্তক মুক্তকেশ করিবে না ও আপন বস্ত্র চিরিবে না।
কেননা মহাযাজকের মৃত্যু পর্য্যন্ত আপন আশ্রয়-নগরে থাকা তাহার উচিত ছিল; কিন্তু মহাযাজকের মৃত্যু হইলে পর সেই নরহন্তা আপন অধিকার-ভূমিতে ফিরিয়া যাইতে পারিবে।
অতএব যাবৎ সে বিচারার্থে মণ্ডলীর সাক্ষাতে না দাঁড়ায়, এবং তাৎকালিক মহাযাজকের মৃত্যু না হয়, তাবৎ সে ঐ নগরে বাস করিবে; পরে সেই নরহন্তা আপন নগরে ও আপন বাটীতে, যে নগর হইতে পলায়ন করিয়াছিল, সেই স্থানে ফিরিয়া যাইবে।
উহারা বিনামূল্যে তাঁহারই অনুগ্রহে, খ্রীষ্ট যীশুতে প্রাপ্য মুক্তি দ্বারা, ধার্ম্মিক গণিত হয়।
এবং ক্রুশে শত্রুতাকে বধ-করণ পূর্ব্বক সেই ক্রুশ দ্বারা এক দেহে ঈশ্বরের সহিত উভয় পক্ষের মিলন করিয়া দেন।
ভাল, আমরা এক মহান্ মহাযাজককে পাইয়াছি, যিনি স্বর্গ সকল দিয়া গমন করিয়াছেন, তিনি যীশু, ঈশ্বরের পুত্র; অতএব আইস, আমরা ধর্ম্মপ্রতিজ্ঞাকে দৃঢ়রূপে ধারণ করি।
এই জন্য, যাহারা তাঁহা দিয়া ঈশ্বরের নিকটে উপস্থিত হয়, তাহাদিগকে তিনি সম্পূর্ণরূপে পরিত্রাণ করিতে পারেন, কারণ তাহাদের নিমিত্ত অনুরোধ করণার্থে তিনি সতত জীবিত আছেন।
সেই তাম্বু দিয়া—ছাগদের ও গোবৎসদের রক্তের গুণে নয়, কিন্তু নিজ রক্তের গুণে—একবারে পবিত্র স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, ও অনন্তকালীয় মুক্তি উপার্জ্জন করিয়াছেন।
অতএব, হে ভ্রাতৃগণ, যীশু আমাদের জন্য ‘তিরস্করিণী’ দিয়া, অর্থাৎ আপন মাংস দিয়া, যে পথ সংস্কার করিয়াছেন,