তাহাতে এই দর্শকেরা লজ্জিত ও এই মন্ত্রপাঠকেরা হতাশ হইবে, সকলে আপন আপন ওষ্ঠাধর ঢাকিবে, কেননা ঈশ্বর উত্তর দিবেন না।
Cross references
তখন মন্ত্রবেত্তারা আপনাদের মায়াবলে পিশু উৎপন্ন করিবার জন্য সেইরূপ করিল বটে, কিন্তু পারিল না, আর মনুষ্যে ও পশুতে পিশু হইল।
সেই স্ফোটক প্রযুক্ত মন্ত্রবেত্তারা মোশির সম্মুখে দাঁড়াইতে পারিল না, কারণ মন্ত্রবেত্তাদের ও সমস্ত মিস্রীয়ের গাত্রে স্ফোটক জন্মিল।
আর যে কুষ্ঠীর ঘা হইয়াছে, তাহার বস্ত্র চেরা যাইবে, ও তাহার মস্তক মুক্তকেশ থাকিবে, ও সে আপনার ওষ্ঠ বস্ত্র দ্বারা ঢাকিয়া ‘অশুচি, অশুচি’ এই শব্দ করিবে।
—পূর্ব্বকালে ইস্রায়েলের মধ্যে ঈশ্বরের নিকটে জিজ্ঞাসা করণার্থে যাইতে হইলে লোকে এইরূপ বলিত, চল, আমরা দর্শকের নিকটে যাই; কেননা সম্প্রতি যাঁহাকে ভাববাদী বলা যায়, পূর্ব্বকালে তাঁহাকে দর্শক বলা যাইত।
তাহাতে শৌল ঈশ্বরের নিকটে জিজ্ঞাসা করিলেন, আমি কি পলেষ্টীয়দের পশ্চাতে নামিয়া যাইব? তুমি কি তাহাদিগকে ইস্রায়েলের হস্তে সমর্পণ করিবে? কিন্তু সেই দিন তিনি তাঁহাকে উত্তর দিলেন না।
তখন শৌল সদাপ্রভুর কাছে জিজ্ঞাসা করিলেন, কিন্তু সদাপ্রভু তাঁহাকে উত্তর দিলেন না; স্বপ্ন দ্বারাও নয়, ঊরীম দ্বারাও নয়, ভাববাদিগণ দ্বারাও নয়।
পরে শমূয়েল শৌলকে বলিলেন, কি জন্য আমাকে উঠাইয়া কষ্ট দিলে? শৌল বলিলেন, আমি মহাসঙ্কটে পড়িয়াছি, পলেষ্টীয়েরা আমার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিতেছে, ঈশ্বরও আমাকে ত্যাগ করিয়াছেন, আমাকে আর উত্তর দেন না, ভাববাদিগণ দ্বারাও নয়, স্বপ্ন দ্বারাও নয়। অতএব আমার যাহা কর্ত্তব্য, তাহা আমাকে জানাইবার নিমিত্ত আপনাকে ডাকাইলাম।
আমরা আমাদের চিহ্নসমূহ দেখিতে পাই না, কোন ভাববাদী আর নাই; আমাদের কেহ জানে না, কত দিন।
[সদাপ্রভু] বাচালদিগের চিহ্ন সকল ব্যর্থ করেন, ও মন্ত্রজ্ঞদিগকে উন্মত্ত করেন, তিনি জ্ঞানবানদিগকে হটাইয়া দেন, ও তাহাদের জ্ঞান মূর্খতাস্বরূপ করেন।
যে বিবিধ ইন্দ্রজালে ও মায়াবিত্বের বাহুল্যে তুমি বাল্যকালাবধি শ্রম করিয়া আসিতেছ, এখন সেই সকল লইয়া দাঁড়াও; দেখি, যদি উপকার পাও, দেখি, যদি ভয় দেখাইতে পার।
তখন তাহারা কহিল, চল, আমরা যিরমিয়ের বিরুদ্ধে পরামর্শ করি, কেননা যাজকের নিকট হইতে ব্যবস্থা, জ্ঞানবানের নিকট হইতে মন্ত্রণা ও ভাববাদীর নিকট হইতে বাক্য লুপ্ত হইবে না; চল, আমরা জিহ্বা দ্বারা উহাকে প্রহার করি, উহার কোন কথায় মনোযোগ না করি।
দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়, নীরব হও, মৃতের জন্য বিলাপ করিও না; তুমি মস্তকে শিরোভূষণ বাঁধ, ও পায়ে পাদুকা দেও; তুমি ওষ্ঠাধর আচ্ছাদন করিও না, ও লোকদের [প্রেরিত] রুটী খাইও না।
তখন তোমরা আমার এই কর্ম্মের মত কর্ম্ম করিবে, ওষ্ঠাধর আচ্ছাদন করিবে না, ও লোকদের [প্রেরিত] রুটী খাইবে না।
কিন্তু যদি তোমরা সেই স্বপ্ন আমাকে জ্ঞাত না কর, তবে তোমাদের জন্য একমাত্র ব্যবস্থা রহিল; কেননা তোমরা আমার সাক্ষাতে মিথ্যাকথা ও বঞ্চনাবাক্য বলিবার মন্ত্রণা করিতেছ, যে পর্য্যন্ত না সময়ের পরিপর্ত্তন হয়; অতএব তোমরা আমাকে স্বপ্নটী বল, তাহাতে জানিব, স্বপ্নের তাৎপর্য্যও আমাকে জানাইতে পার।
প্রভু সদাপ্রভু কহেন, দেখ, এমন দিন আসিতেছে, যে দিনে আমি এই দেশে দুর্ভিক্ষ প্রেরণ করিব; তাহা অন্নের দুর্ভিক্ষ কিম্বা জলের পিপাসা নয়, কিন্তু সদাপ্রভুর বাক্য শ্রবণের।
জাতিগণ দেখিয়া আপনাদের সমস্ত পরাক্রমের বিষয়ে লজ্জিত হইবে; তাহারা মুখে হস্ত দিবে, ও তাহাদের কর্ণ বধির হইবে।
আর সেই দিন ভাববাদীরা প্রত্যেকে ভাববাণী বলিবার সময়ে আপন আপন দর্শনের বিষয়ে লজ্জিত হইবে, এবং প্রতারণা করণার্থে লোমশ বস্ত্র আর পরিধান করিবে না।
আর যান্নি ও যাম্ব্রি যেমন মোশির প্রতিরোধ করিয়াছিল, তদ্রূপ ইহারা সত্যের প্রতিরোধ করিতেছে, এই লোকেরা নষ্টবিবেক, বিশ্বাস সম্বন্ধে অপ্রামাণিক।