আর যে অধ্যাপকেরা যিরূশালেম হইতে আসিয়াছিল, তাহারা কহিল, ইহাকে বেল্সবূবে পাইয়াছে, ভূতগণের অধিপতি দ্বারা এ ভূত ছাড়ায়।
Cross references
কিন্তু আমি কীট, মানব নহি, মনুষ্যদের নিন্দাস্পদ, লোকদের অবজ্ঞাত।
কিন্তু ফরীশীরা বলিতে লাগিল, ভূতগণের অধিপতি দ্বারা সে ভূত ছাড়ায়।
শিষ্য আপন গুরুর তুল্য ও দাস আপন কর্ত্তার তুল্য হইলেই তাহার পক্ষে যথেষ্ট। তাহারা যখন গৃহের কর্ত্তাকে বেল্সবূল বলিয়াছে, তখন তাঁহার পরিজনগণকে আরও কি না বলিবে?
কারণ যোহন আসিয়া ভোজন পান করেন নাই; তাহাতে লোকে বলে, সে ভূতগ্রস্ত।
কিন্তু ফরীশীরা তাহা শুনিয়া কহিল, এ ব্যক্তি আর কিছুতে নয়, কেবল ভূতগণের অধিপতি বেল্সবূলের দ্বারাই ভূত ছাড়ায়।
[1] তখন যিরূশালেম হইতে ফরীশীরা ও অধ্যাপকেরা যীশুর নিকটে আসিয়া কহিল,
আর ফরীশীরা ও কয়েক জন অধ্যাপক যিরূশালেম হইতে আসিয়া তাঁহার নিকটে একত্র হইল।
আর এক দিবস তিনি উপদেশ দিতেছিলেন, এবং ফরীশীরা ও ব্যবস্থার গুরুরা নিকটে বসিয়াছিল; তাহারা গালীল ও যিহূদিয়ার সমস্ত গ্রাম এবং যিরূশালেম হইতে আসিয়াছিল; আর প্রভুর শক্তি উপস্থিত ছিল, যেন তিনি সুস্থ করেন।
কিন্তু তাহাদের মধ্যে কেহ কেহ বলিল, এ ব্যক্তি ভূতগণের অধিপতি বেল্সবূলের দ্বারা ভূত ছাড়ায়।
লোকসমূহ উত্তর করিল, তোমাকে ভূতে পাইয়াছে, কে তোমাকে বধ করিতে চেষ্টা করিতেছে?
যিহূদীরা উত্তর করিয়া তাঁহাকে কহিল, আমরা কি ভালই বলি না যে, তুমি একজন শমরীয় ও ভূতগ্রস্ত?
যিহূদীরা তাঁহাকে বলিল, এখন জানিলাম, তুমি ভূতগ্রস্ত; অব্রাহাম ও ভাববাদিগণ মরিয়া গিয়াছেন; আর তুমি বলিতেছ, কেহ যদি আমার বাক্য পালন করে, সে কখনও মৃত্যুর আস্বাদ পাইবে না।
সেই সময়ে যিরূশালেমে মন্দির-প্রতিষ্ঠার পর্ব্ব উপস্থিত হইল; তখন শীতকাল;