পরে তাঁহারা নিকটে গিয়া তাঁহাকে জাগাইয়া কহিলেন, নাথ, নাথ, আমরা মারা পড়িলাম। তখন তিনি জাগিয়া উঠিয়া বায়ুকে ও জলের তরঙ্গকে ধমক্ দিলেন, আর উভয়ই থামিয়া গেল, ও শান্তি হইল।
Cross references
তুমি সমুদ্রের গর্জ্জন, তাহার তরঙ্গের গর্জ্জন, ও জাতিগণের কোলাহল শান্ত করিয়া থাক।
হে ঈশ্বর, আমাকে পরিত্রাণ কর, কেননা আমার প্রাণ পর্য্যন্ত জল উঠিয়াছে।
তুমি তাহা জলধি-বস্ত্রে আচ্ছাদন করিয়াছিলে; পর্ব্বতগণের উপরে জল দাঁড়াইয়াছিল।
তিনি আজ্ঞা দ্বারা প্রচণ্ড বায়ু উত্থাপন করেন, তাহা জলের তরঙ্গমালা উঠায়।
মৃত্যুর রজ্জু আমাকে বেষ্টন করিল, পাতালের কষ্ট আমাকে পাইয়া বসিল, আমি সঙ্কটে ও দুঃখে পড়িলাম।
[আমার] দক্ষিণে নিরীক্ষণ করিয়া দেখ, আমাকে চিনে এমন কেহই নাই, আমার আশ্রয় বিনষ্ট হইল; কেহই আমার প্রাণের তত্ত্ব করে না।
আমি আসিলে কেহ উপস্থিত হইল না কেন? আমি ডাকিলে কেহ উত্তর দিল না কেন? আমার হস্ত কি এমন খাট হইয়াছে যে, আমি মুক্ত করিতে পারি না? আমার কি উদ্ধার করিবার ক্ষমতা নাই? দেখ, আমি ধমকে সমুদ্র শুষ্ক করি, নদনদী প্রান্তরে পরিণত করি, তথাকার মৎস্যগণ জলাভাবে দুর্গন্ধযুক্ত হয়, পিপাসায় মারা পড়ে।
সদাপ্রভু কহেন, তোমরা কি আমাকে ভয় করিবে না? আমার সাক্ষাতে কি কম্পমান হইবে না? আমি ত বালুকা দ্বারা সমুদ্রের সীমা নিত্যস্থায়ী বিধিক্রমে স্থির করিয়াছি; সে তাহা উল্লঙ্ঘন করিতে পারে না; তাহার তরঙ্গ আস্ফালন করিলেও কৃতার্থ হয় না, কল্লোলধ্বনি করিলেও সীমা অতিক্রম করিতে পারে না।
আমার মস্তকের উপর দিয়া জল বহিল; আমি কহিলাম, আমি উচ্ছিন্ন হইয়াছি।
তিনি সমুদ্রকে ধম্কান, শুষ্ক করেন, নদনদী সকল নির্জ্জল করেন; বাশন ও কর্মিল ম্লান হয়, আর লিবানোনের পুষ্প ম্লান হয়।
কিন্তু বাতাস দেখিয়া তিনি ভয় পাইলেন, এবং ডুবিয়া যাইতে যাইতে উচ্চৈঃস্বরে ডাকিয়া কহিলেন, হে প্রভু, আমায় রক্ষা করুন।
তখন তিনি তাঁহার নিকটে দাঁড়াইয়া জ্বরকে ধমক্ দিলেন, তাহাতে তাঁহার জ্বর ছাড়িয়া গেল; আর তিনি তৎক্ষণাৎ উঠিয়া তাঁহাদের পরিচর্য্যা করিতে লাগিলেন।
শিমোন উত্তর করিলেন, হে নাথ, আমরা সমস্ত রাত্রি পরিশ্রম করিয়া কিছুমাত্র পাই নাই, কিন্তু আপনার কথায় আমি জাল ফেলিব।
আর সেই বিবাহে যীশুর ও তাঁহার শিষ্যগণেরও নিমন্ত্রণ হইয়াছিল।
বরং আমরা আপনাদের অন্তরে এই উত্তর পাইয়াছিলাম যে, মৃত্যু আসিতেছে, যেন আপনাদের উপরে নির্ভর না দিয়া মৃতগণের উত্থাপনকারী ঈশ্বরের উপরে নির্ভর দিই।