তখন তাঁহারা ভীত হইয়া ভূমির দিকে মুখ নত করিলে সেই দুই ব্যক্তি তাঁহাদিগকে কহিলেন, মৃতদের মধ্যে জীবিতের অন্বেষণ কেন করিতেছ?
Cross references
তাহাতে আমি যে স্থানে দাঁড়াইয়া ছিলাম, তিনি সেই স্থানের নিকটে আসিলেন; তিনি আসিলে আমি ত্রাসযুক্ত হইলাম, উপুড় হইয়া পড়িলাম; কিন্তু তিনি আমাকে কহিলেন, হে মনুষ্য-সন্তান, বুঝিয়া লও, কারণ এই দর্শন শেষকাল-বিষয়ক।
আমি দানিয়েল একাকী সেই দর্শন পাইলাম; কারণ আমার সঙ্গীরা সেই দর্শন পাইল না, কিন্তু তাহারা অতিশয় কাঁপিয়া উঠিল, এবং আপনাদিগকে লুকাইবার জন্য পলায়ন করিল।
আর দেখ, মনুষ্য-সন্তানদের আকৃতিবিশিষ্ট এক ব্যক্তি আমার ওষ্ঠাধর স্পর্শ করিলেন; তখন আমি মুখ খুলিয়া কথা কহিলাম, যিনি আমার সম্মুখে দাঁড়াইয়াছিলেন, তাঁহাকে কহিলাম, হে আমার প্রভু, এই দর্শন প্রযুক্ত মর্ম্মবেদনা আমাকে ধরিয়াছে, কিছুমাত্র বল রক্ষা করিতে পারিতেছি না।
আর তিনি কহিলেন, হে মহাপ্রীতি-পাত্র, ভয় করিও না, তোমার শান্তি হউক, সবল হও, সবল হও। তিনি আমার সহিত আলাপ করিলে আমি সবল হইলাম, আর বলিলাম, আমার প্রভু বলুন, কেননা আপনি আমাকে সবল করিয়াছেন।
তাঁহার দৃশ্য বিদ্যুতের ন্যায়, এবং তাঁহার বস্ত্র হিমের ন্যায় শুভ্রবর্ণ।
পরে তাঁহারা কবরের ভিতরে গিয়া দেখিলেন, দক্ষিণ পার্শ্বে শুক্লবস্ত্র পরিহিত এক জন যুবক বসিয়া আছেন; তাহাতে তাঁহারা অতিশয় বিস্ময়াপন্ন হইলেন।
দেখিয়া সখরিয় ত্রাসযুক্ত হইলেন, ভয় তাঁহাকে আক্রমণ করিল।
কিন্তু তিনি সেই বাক্যে অতিশয় উদ্বিগ্ন হইলেন, আর মনে মনে আন্দোলন করিতে লাগিলেন, এ কেমন মঙ্গলবাদ?
এক দিন বেলা অনুমান নবম ঘটিকার সময়ে তিনি দর্শনযোগে স্পষ্ট দেখিলেন যে, ঈশ্বরের এক দূত তাঁহার নিকটে ভিতরে আসিয়া বলিতেছেন, কর্ণীলিয়।
আবার এই স্থলে মরণশীল মনুষ্যেরাই দশমাংশ পায়, কিন্তু ঐ স্থলে তিনি পান, যাঁহার বিষয়ে এমন সাক্ষ্য দেওয়া হইয়াছে যে, তিনি জীবনবিশিষ্ট।
আমি মরিয়াছিলাম, আর দেখ, আমি যুগপর্য্যায়ের যুগে যুগে জীবন্ত; আর মৃত্যুর ও পাতালের চাবি আমার হস্তে আছে।
আর স্মূর্ণাস্থ মণ্ডলীর দূতকে লিখ;— যিনি প্রথম ও শেষ, যিনি মরিয়াছিলেন, আর জীবিত হইলেন, তিনি এই কথা কহেন।