আমি সপ্তাহের মধ্যে দুই বার উপবাস করি, সমস্ত আয়ের দশমাংশ দান করি;
Cross references
আর ভূমির শস্য কিম্বা বৃক্ষের ফল হউক, ভূমির উৎপন্ন সমস্ত দ্রব্যের দশমাংশ সদাপ্রভুর; তাহা সদাপ্রভুর উদ্দেশে পবিত্র।
কেননা ইস্রায়েল-সন্তানগণ সদাপ্রভুর উদ্দেশে উত্তোলনীয় উপহাররূপে যে দশমাংশ উৎসর্গ করে, তাহা আমি লেবীয়দিগকে অধিকারার্থে দিলাম; এই জন্য তাহাদের উদ্দেশে কহিলাম, ইস্রায়েল-সন্তানগণের মধ্যে তাহারা কোন অধিকার পাইবে না।
তখন ঈশ্বর বিলিয়মের কাছে দেখা দিলেন, আর সে তাঁহাকে কহিল, আমি সাতটী বেদি প্রস্তুত করিয়াছি; আর এক এক বেদিতে এক একটী গোবৎস ও এক একটী মেষ উৎসর্গ করিয়াছি।
আর শমূয়েল শৌলের নিকটে আসিলে শৌল তাঁহাকে কহিলেন, আপনি সদাপ্রভুর আশীর্ব্বাদের পাত্র; আমি সদাপ্রভুর বাক্য পালন করিয়াছি।
আর তিনি কহিলেন, আমার সঙ্গে চল, সদাপ্রভুর নিমিত্ত আমার যে উদ্যোগ, তাহা দেখ; এইরূপে তাঁহাকে তাঁহার রথে চড়াইয়া লওয়া হইল।
তোমরা অঞ্জলি প্রসারণ করিলে আমি তোমাদের হইতে আমার চক্ষু আচ্ছাদন করিব; যদ্যপি অনেক প্রার্থনা কর, তথাপি শুনিব না; তোমাদের হস্ত রক্তে পরিপূর্ণ।
তাহারা ত দিন দিন আমারই অন্বেষণ করে, আমার পথ জানিতে ভালবাসে; যে জাতি ধার্ম্মিকতার অনুষ্ঠান করে ও আপন ঈশ্বরের শাসন ত্যাগ করে নাই, এমন জাতির ন্যায় আমাকে ধর্ম্মশাসন সকলের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে, ঈশ্বরের নিকটে আসিতে ভালবাসে।
তোমরা এই সত্তর বৎসর কাল পঞ্চম ও সপ্তম মাসে যখন উপবাস ও বিলাপ করিয়াছ, তখন তাহা কি আমার, আমারই উদ্দেশে করিয়াছ?
মনুষ্য কি ঈশ্বরকে ঠকাইবে? তোমরা ত আমাকে ঠকাইয়া থাক। কিন্তু তোমরা বলিতেছ, কিসে তোমাকে ঠকাইয়াছি? দশমাংশে ও উপহারে।
সাবধান, লোককে দেখাইবার জন্য তাহাদের সাক্ষাতে তোমাদের ধর্ম্মকর্ম্ম করিও না, করিলে তোমাদের স্বর্গস্থ পিতার নিকটে তোমাদের পুরস্কার নাই।
আর তোমরা যখন প্রার্থনা কর, তখন কপটীদের ন্যায় হইও না; কারণ তাহারা সমাজ-গৃহে ও পথের কোণে দাঁড়াইয়া লোক-দেখান প্রার্থনা করিতে ভাল বাসে; আমি তোমাদিগকে সত্য বলিতেছি, তাহারা আপনাদের পুরস্কার পাইয়াছে।
আর তোমরা যখন উপবাস কর, তখন কপটীদের ন্যায় বিষণ্ণ-বদন হইও না; কেননা তাহারা লোককে উপবাস দেখাইবার নিমিত্ত আপনাদের মুখ মলিন করে; আমি তোমাদিগকে সত্য বলিতেছি, তাহারা আপনাদের পুরস্কার পাইয়াছে।
তখন যোহনের শিষ্যগণ তাঁহার নিকটে আসিয়া কহিল, ফরীশীরা ও আমরা অনেক বার উপবাস করি, কিন্তু আপনার শিষ্যগণ উপবাস করে না, ইহার কারণ কি?
কপটীরা, যিশাইয় তোমাদের বিষয়ে বিলক্ষণ ভাববাণী বলিয়াছেন,
হা অধ্যাপক ও ফরীশীগণ, কপটীরা, ধিক্ তোমাদিগকে! কারণ তোমরা পোদিনা, মৌরি ও জিরার দশমাংশ দিয়া থাক; আর ব্যবস্থার মধ্যে গুরুতর বিষয়—ন্যায়বিচার, দয়া ও বিশ্বাস—পরিত্যাগ করিয়াছ; কিন্তু এ সকল পালন করা, এবং ঐ সকলও পরিত্যাগ না করা, তোমাদের উচিত ছিল।
কিন্তু হা ফরীশীরা, ধিক্ তোমাদিগকে, কেননা তোমরা পোদিনা, আরুদ ও সকল প্রকার শাকের দশমাংশ দান করিয়া থাক, আর ন্যায়বিচার ও ঈশ্বর-প্রেম উপেক্ষা করিয়া থাক; কিন্তু এ সকল পালন করা, এবং ঐ সকল পরিত্যাগ না করা, তোমাদের উচিত ছিল।
সেই প্রকারে সমস্ত আজ্ঞা পালন করিলে পর তোমরাও বলিও আমার অনুপযোগী দাস, যাহা করিতে বাধ্য ছিলাম, তাহাই করিলাম।
অতএব শ্লাঘা কোথায় রহিল? তাহা দূরীকৃত হইল। কিরূপ ব্যবস্থা দ্বারা? কার্য্যের ব্যবস্থা দ্বারা? না; কিন্তু বিশ্বাসের ব্যবস্থা দ্বারা।
ভ্রাতৃগণ, আমার হৃদয়ের সুবাসনা এবং তাহাদের জন্য ঈশ্বরের কাছে বিনতি এই, যেন তাহাদের পরিত্রাণ হয়।
যেন কোন মর্ত্ত্য ঈশ্বরের সাক্ষাতে শ্লাঘা না করে।
আর পরম্পরাগত পৈতৃক রীতিনীতি পালনে অতিশয় উদ্যোগী হওয়াতে আমার স্বজাতীয় সমবয়স্ক অনেক লোক অপেক্ষা যিহূদী-ধর্ম্মে উত্তর উত্তর অগ্রসর হইতেছিলাম।
তাহা কর্ম্মের ফল নয়, যেন কেহ শ্লাঘা না করে।
আর ভক্তিতে দক্ষ হইতে অভ্যাস কর; কেননা শারীরিক দক্ষতার অভ্যাস অল্প বিষয়ে সুফলদায়ক হয়; কিন্তু ভক্তি সর্ব্ববিষয়ে সুফলদায়িকা, তাহা বর্ত্তমান ও ভবিষ্যৎ জীবনের প্রতিজ্ঞাযুক্ত।