তোমাদের মধ্যে কোন্ ব্যক্তি—যাহার এক শত মেষ আছে, ও সেই সকলের মধ্যে একটী হারাইয়া যায়—নিরানব্বইটা প্রান্তরে ছাড়িয়া যায় না, আর যে পর্য্যন্ত সেই হারাণটী না পায়, সে পর্য্যন্ত তাহার অন্বেষণ করিতে যায় না?
Cross references
আমি হারাণ মেষের ন্যায় ভ্রান্ত হইয়াছি; নিজ দাসের অন্বেষণ কর; কেননা আমি তোমার আজ্ঞাকলাপ ভুলিয়া যাই নাই।
আমরা সকলে মেষগণের ন্যায় ভ্রান্ত হইয়াছি, প্রত্যেকে আপন আপন পথের দিকে ফিরিয়াছি; আর সদাপ্রভু আমাদের সকলকার অপরাধ তাঁহার উপরে বর্ত্তাইয়াছেন।
আমার প্রজারা হারান মেষ হইয়া পড়িয়াছে, তাহাদের পালকগণ তাহাদিগকে ভ্রান্ত করিয়াছে, নানা পর্ব্বতে পথহারা করিয়া ফেলিয়াছে; উহারা পর্ব্বত হইতে উপপর্ব্বতে গমন করিয়াছে, আপনাদের শয়নস্থান ভুলিয়া গিয়াছে।
প্রভু সদাপ্রভু কহেন, আমার জীবনের দিব্য, আমার পাল লুটদ্রব্য হইয়াছে, এবং আমার মেষগণ বন্য পশু সকলের খাদ্য হইয়াছে; কেননা পালক নাই, এবং আমার পালকেরা আমার মেষগণের অন্বেষণ করে নাই; বরং সেই পালকেরা আপনাদিগকেই পালন করিয়াছে, আমার মেষগণকে পালন করে নাই;
কারণ প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, দেখ, আমি, আমিই আপন মেষগণের অন্বেষণ করিব, তাহাদিগকে খুঁজিয়া বাহির করিব।
আমি হারাণ মেষের অন্বেষণ করিব, দূরীকৃতকে ফিরাইয়া আনিব, ভগ্নাঙ্গের ক্ষত বাঁধিব, ও পীড়িতকে সবল করিব, এবং হৃষ্টপুষ্ট ও বলবানকে সংহার করিব; আমি বিচারমতে তাহাদিগকে পালন করিব।
আর তোমরা আমার মেষ, আমার চরাণির মেষ; তোমরা মনুষ্য, আমিই তোমাদের ঈশ্বর; ইহা প্রভু সদাপ্রভু বলেন।
তিনি তাহাদিগকে কহিলেন, তোমাদের মধ্যে এমন ব্যক্তি কে, যে একটী মেষ রাখে, আর সেটী যদি বিশ্রামবারে গর্ত্তে পড়িয়া যায়, সে কি তাহা ধরিয়া তুলিবে না?
তোমাদের কেমন বোধ হয়? কোন ব্যক্তির যদি এক শত মেষ থাকে, আর তাহাদের মধ্যে একটী হারাইয়া যায়, তবে সে কি অন্য নিরানব্বইটা ছাড়িয়া পর্ব্বতে গিয়া ঐ হারান মেষটীর অন্বেষণ করে না?
কিন্তু প্রভু তাহাকে উত্তর দিয়া কহিলেন, কপটীরা, তোমাদের প্রত্যেক জন কি বিশ্রামবারে আপন আপন বলদ কিম্বা গর্দ্দভ যাবপাত্র হইতে খুলিয়া জল খাওয়াইতে লইয়া যায় না?
তোমাদের মধ্যে কোন্ ব্যক্তি—যাহার এক শত মেষ আছে, ও সেই সকলের মধ্যে একটী হারাইয়া যায়—নিরানব্বইটা প্রান্তরে ছাড়িয়া যায় না, আর যে পর্য্যন্ত সেই হারাণটী না পায়, সে পর্য্যন্ত তাহার অন্বেষণ করিতে যায় না?
কারণ যাহা হারাইয়া গিয়াছিল, তাহার অন্বেষণ ও পরিত্রাণ করিতে মনুষ্যপুত্র আসিয়াছেন।
যেমন পিতা আমাকে জানেন, ও আমি পিতাকে জানি; এবং মেষদিগের জন্য আমি আপন প্রাণ সমর্পণ করি।
কিন্তু তোমরা বিশ্বাস কর না, কারণ তোমরা আমার মেষদের মধ্যে নহ।
অতএব, হে মনুষ্য, তুমি যে বিচার করিতেছ, তুমি যে কেহ হও, তোমার উত্তর দিবার পথ নাই; কারণ যে বিষয়ে তুমি পরের বিচার করিয়া থাক, সেই বিষয়ে আপনাকেই দোষী করিয়া থাক; কেননা তুমি যে বিচার করিতেছ; তুমি সেই মত আচরণ করিয়া থাক।
কেননা তোমরা “মেষের ন্যায় ভ্রান্ত হইয়াছিলে,” কিন্তু এখন তোমাদের প্রাণের পালক ও অধ্যক্ষের কাছে ফিরিয়া আসিয়াছ।