তিনি পর্ব্বতগণকে স্থানান্তর করেন, তাহারা তাহা জানে না, তিনি ক্রোধে তাহাদিগকে উল্টাইয়া ফেলেন।
Cross references
আর যে ব্যক্তিরা তোমাদের সহকারী হইবে, তাহাদের এই এই নাম। রূবেণের পক্ষে শদেয়ূরের পুত্র ইলীষূর।
মনুষ্য দৃঢ় শৈলে হস্তক্ষেপ করে, পর্ব্বতদিগকে সমূলে উল্টাইয়া ফেলে।
তোমার উচ্চণ্ড ক্রোধ ঢালিয়া দেও, প্রত্যেক অহঙ্কারীকে দৃক্পাতমাত্র নত কর;
অতএব আমরা ভয় করিব না—যদ্যপি পৃথিবী পরিবর্ত্তিত হয়, যদ্যপি পর্ব্বতগণ টলিয়া সমুদ্রের গর্ভে পড়ে।
তখন পৃথিবী কম্পমান হইল, ঈশ্বরের সাক্ষাতে আকাশও জলবিন্দুময় হইল; ঐ সীনয় ঈশ্বরের সাক্ষাতে, ইস্রায়েলের ঈশ্বরের সাক্ষাতে [কাঁপিয়া উঠিল]।
পর্ব্বতগণ, তোমরা কেন লম্ফ দিলে মেষের ন্যায়? উপপর্ব্বতগণ, তোমরা কেন লম্ফ দিলে মেষশাবকের ন্যায়?
কে আপন করতলে জলরাশি মাপিয়াছে, বিঘত দিয়া আকাশমণ্ডল পরিমাণ করিয়াছে, পৃথিবীর ধূলা পালিতে ভরিয়াছে, পাল্লাতে পর্ব্বতগণকে, ও নিক্তিতে উপপর্ব্বতগণকে তৌল করিয়াছে?
তাঁহার ভয়ে পর্ব্বতগণ কাঁপে, উপপর্ব্বতগণ গলিয়া যায়, এবং তাঁহার সম্মুখ হইতে পৃথিবী, জগৎ ও তন্নিবাসী সকলে উঠিয়া যায়।
তাঁহার ক্রোধের সম্মুখে কে দাঁড়াইতে পারে? তাঁহার কোপের প্রদাহে কে তিষ্ঠিতে পারে? তাঁহার ক্রোধ অগ্নির ন্যায় সেচিত হয়, তাঁহার দ্বারা শৈলগণ ফাটিয়া যায়।
তিনি দাঁড়াইয়া পৃথিবীকে পরিমাণ করিলেন, তিনি দৃক্পাত করিয়া জাতিগণকে ত্রাসতাড়িত করিলেন; সনাতন পর্ব্বত সকল খণ্ডবিখণ্ড হইল, চিরন্তন গিরিমালা নত হইল; অনাদিকাল অবধি তাঁহার গতি।
পর্ব্বতগণ তোমাকে দেখিয়া কাঁপিয়া উঠিল, প্রচণ্ড জলরাশি বহিয়া গেল, বারিধি আপন রব উদীর্ণ করিল, আপন হস্তদ্বয় উচ্চে উঠাইল।
হে বৃহৎ পর্ব্বত, তুমি কে? সরুব্বাবিলের সম্মুখে তুমি সমভূমি হইবে, এবং ‘প্রীতি, প্রীতি, ইহার প্রতি,’ এই হর্ষধ্বনির সহিত সে মস্তকস্বরূপ প্রস্তরখানি বাহির করিয়া আনিবে।
আর সেই দিন তাঁহার চরণ সেই জৈতুন পর্ব্বতের উপরে দাঁড়াইবে, যাহা যিরূশালেমের সম্মুখে পূর্ব্বদিকে অবস্থিত; তাহাতে জৈতুন পর্ব্বতের মধ্যদেশ পূর্ব্বদিকে ও পশ্চিমদিকে বিদীর্ণ হইয়া অতি বৃহৎ উপত্যকা হইয়া যাইবে, পর্ব্বতের অর্দ্ধেক উত্তরদিকে ও অর্দ্ধেক দক্ষিণদিকে সরিয়া যাইবে।
যীশু উত্তর করিয়া তাঁহাদিগকে কহিলেন, আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, যদি তোমাদের বিশ্বাস থাকে, আর সন্দেহ না কর, তবে তোমরা কেবল ডুমুরগাছের প্রতি এইরূপ করিতে পারিবে তাহা নয়, কিন্তু এই পর্ব্বতকেও যদি বল, ‘উপড়িয়া যাও, আর সমুদ্রে গিয়া পড়’, তাহাই হইবে।
আর দেখ, মন্দিরের তিরস্করিণী উপর হইতে নীচ পর্য্যন্ত চিরিয়া দুইখান হইল, ভূমিকম্প হইল, ও শৈল সকল বিদীর্ণ হইল,
মহৎ মহৎ ভূমিকম্প এবং স্থানে স্থানে দুর্ভিক্ষ ও মহামারী হইবে, আর আকাশে ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর লক্ষণ ও মহৎ মহৎ চিহ্ন হইবে;
আর যদি ভাববাণী প্রাপ্ত হই, এ সমস্ত নিগূঢ়তত্ত্বে ও সমস্ত জ্ঞানে পারদর্শী হই, এবং যদি আমার সম্পূর্ণ বিশ্বাস থাকে যাহাতে আমি পর্ব্বত স্থানান্তর করিতে পারি, কিন্তু আমার প্রেম না থাকে, তবে আমি কিছুই নহি।
আর আকাশমণ্ডল সঙ্কুচ্যমান পুস্তকের ন্যায় অপসারিত হইল, এবং সমস্ত পর্ব্বত ও দ্বীপ স্ব স্ব স্থান হইতে চালিত হইল।
সেই দণ্ডে মহাভূমিকম্প হইল, তাহাতে নগরের দশমাংশ পতিত হইল; সেই ভূমিকম্পে সপ্ত সহস্র মনুষ্য হত হইল, এবং অবশিষ্ট সকলে ভীত হইল, ও স্বর্গের ঈশ্বরের গৌরব করিল।
‘হইয়াছে’। আর বিদ্যুৎ ও শব্দ ও মেঘধ্বনি হইল, এবং এক মহাভূমিকম্প হইল, পৃথিবীতে মনুষ্যের উৎপত্তিকাল অবধি যেমন কখনও হয় নাই, এমন প্রচণ্ড মহাভূমিকম্প হইল।