কেননা তিনি বলিয়াছেন, মনুষ্যের কিছুই লাভ নাই, যখন সে ঈশ্বরের সহিত প্রণয় রাখে।
Cross references
সকলই ত সমান, তাই আমি বলি, তিনি সিদ্ধ ও দুর্জ্জন উভয়কে সংহার করেন।
যদ্যপি হিমজলে গাত্র মার্জ্জন করি, যদ্যপি ক্ষার দিয়া হস্ত পরিষ্কার করি,
তথাপি তাহারা ঈশ্বরকে বলে, “ তুমি আমাদের নিকট হইতে দূর হও, কারণ আমরা তোমার পথ জানিতে চাহি না।
সর্ব্বশক্তিমান কে যে, আমরা তাঁহার সেবা করিব? তাঁহার কাছে প্রার্থনা করিলে আমাদের কি লাভ?”
বিনাশের দিন পর্য্যন্ত দুর্জ্জন রক্ষিত হয়, ক্রোধের দিন পর্য্যন্ত তাহারা উত্তীর্ণ হয়।
তুমি ধার্ম্মিক হইলে কি সর্ব্বশক্তিমানের আমোদ হয়? তুমি সিদ্ধ আচরণ করিলে কি তাঁহার লাভ হয়?
তাহারা ঈশ্বরকে বলিত, আমাদের নিকট হইতে দূর হও; সর্ব্বশক্তিমান্ আমাদের কি করিবেন?
সে কি সর্ব্বশক্তিমানে আমোদ করে? নিত্য কি ঈশ্বরকে আহ্বান করে?
কারণ আপনি বলিতেছেন, আমার কি উপকার? পাপ করিলে যাহা হইত, তাহা অপেক্ষা আমার কি লাভ হইবে?
আর সদাপ্রভুতে আমোদ কর, তিনি তোমার মনোবাঞ্ছা সকল পূর্ণ করিবেন।
[আর বলে,] ‘আমরা উপবাস করিয়াছি, তুমি কেন দৃষ্টি কর না? আমরা আপন আপন প্রাণকে দুঃখ দিয়াছি, তুমি কেন তাহা জান না?’ দেখ, তোমাদের উপবাস-দিনে তোমরা সুখের চেষ্টা ও আপন আপন কর্ম্মচারীদের প্রতি দৌরাত্ম্য করিয়া থাক;
এবং তাঁহার রক্ষণীয়-দ্রব্য রক্ষা করাতে ও বাহিনীগণের সদাপ্রভুর সাক্ষাতে শোকবেশে গমনাগমন করাতে আমাদের লাভ কি হইল?