তুমি ধার্ম্মিক হইলে কি সর্ব্বশক্তিমানের আমোদ হয়? তুমি সিদ্ধ আচরণ করিলে কি তাঁহার লাভ হয়?
Cross references
আর আমি জানি, হে আমার ঈশ্বর, তুমি অন্তঃকরণের পরীক্ষা করিয়া থাক, ও তুমি সরলতায় প্রসন্ন; আমি আপন অন্তঃকরণের সরলতায় ইচ্ছাপূর্ব্বক এই সকল দ্রব্য দিলাম, এবং এখন এই স্থানে সমাগত তোমার প্রজাদিগকেও আনন্দ সহকারে তোমার উদ্দেশে ইচ্ছাপূর্ব্বক দান করিতে দেখিলাম।
সর্ব্বশক্তিমান কে যে, আমরা তাঁহার সেবা করিব? তাঁহার কাছে প্রার্থনা করিলে আমাদের কি লাভ?”
তথাচ তিনি আমার অবলম্বিত পথ জানেন, তিনি আমার পরীক্ষা করিলে আমি সুবর্ণের ন্যায় উত্তীর্ণ হইব।
কেননা তিনি বলিয়াছেন, মনুষ্যের কিছুই লাভ নাই, যখন সে ঈশ্বরের সহিত প্রণয় রাখে।
আমি কহিলাম, ‘আমি আপন পথে সাবধানে চলিব, যেন জিহ্বা দ্বারা পাপ না করি; যাবৎ আমার সাক্ষাতে দুর্জ্জন থাকে, আমি মুখে জাল্তি বাঁধিয়া রাখিব।’
আবার তাহারা অন্যায় করে না, তাহারা তাঁহার সকল পথে গমন করে।
আমি নিজ পথসমূহ বিবেচনা করিলাম, ও তোমার সাক্ষ্যকলাপের প্রতি আমার চরণ ফিরাইলাম।
অশ্বের বলে তিনি আনন্দ করেন না, পুরুষের চরণেও সন্তুষ্ট হন না।
তুমি যদি জ্ঞানবান হও, নিজেরই মঙ্গলার্থে জ্ঞানবান হইবে, যদি নিন্দা কর, একাই তাহা বহন করিবে।
ছলনার নিক্তি সদাপ্রভুর ঘৃণিত; কিন্তু ন্যায্য বাট্খারা তাঁহার তুষ্টিকর।
বক্রচিত্তেরা সদাপ্রভুর ঘৃণার পাত্র; কিন্তু যাহারা আপন পথে সিদ্ধ, তাহারা তাঁহার সন্তোষের পাত্র।
মিথ্যাবাদী ওষ্ঠ সদাপ্রভুর ঘৃণিত; কিন্তু যাহারা বিশ্বস্ততায় চলে, তাহারা তাঁহার সন্তোষ-পাত্র।
দুষ্টদের বলিদান সদাপ্রভুর ঘৃণাস্পদ; কিন্তু সরলদের প্রার্থনা তাঁহার সন্তোষজনক।
তোমরা আপন আপন বাক্য দ্বারা সদাপ্রভুকে ক্লান্ত করিয়াছ। তথাপি বলিয়া থাক, কিসে তাঁহাকে ক্লান্ত করিয়াছি? এই কথায় করিতেছ, তোমরা বলিতেছ, যে কেহ দুষ্কর্ম্ম করে, সে সদাপ্রভুর দৃষ্টিতে উত্তম; তিনি তাহাদিগেতে প্রীত; অথবা, বিচারকর্ত্তা ঈশ্বর কোথায়?