সে আপন শয্যায় ব্যথিত হইয়া শাস্তি পায়, তাহার অস্থিতে নিরন্তর সংগ্রাম হয়,
Cross references
আর মনে বুঝিয়া দেখ, মনুষ্য যেমন আপন পুত্রকে শাসন করে, তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাকে তদ্রূপ শাসন করেন।
তখন আসা ঐ দর্শকের প্রতি অসন্তুষ্ট হইয়া তাঁহাকে কারাগৃহে রাখিলেন; কেননা ঐ কথা প্রযুক্ত তিনি তাঁহার উপরে কোপান্বিত হইয়াছিলেন। আর ঐ সময়ে আসা প্রজাদের মধ্যেও কতকগুলি লোকের প্রতি দৌরাত্ম্য করিলেন।
আসার রাজত্বের ঊনচল্লিশ বৎসরে তাঁহার পায়ে রোগ হইল; তাঁহার রোগ অতি বিষম হইল; তথাপি রোগের সময়েও তিনি সদাপ্রভুর অন্বেষণ না করিয়া বৈদ্যগণেরই অন্বেষণ করিলেন।
দেখ, ধন্য সেই ব্যক্তি, যাহাকে ঈশ্বর অনুযোগ করেন, অতএব তুমি সর্ব্বশক্তিমানের দত্ত শাস্তি তুচ্ছ করিও না।
শয়নকালে আমি বলি, কখন্ উঠিব? কিন্তু রাত্রি দীর্ঘ হইয়া পড়ে, প্রভাত পর্য্যন্ত আমি কেবল ছট্ফট্ করিতে থাকি।
তাহার অস্থি যৌবনের তেজে পরিপূর্ণ, কিন্তু তাহার সহিত তাহাও ধূলায় শয়ন করিবে।
আমি অন্যায়ীর চোয়ালি ভগ্ন করিতাম, তাহার দন্ত হইতেই শিকার উদ্ধার করিতাম।
রাত্রিকালে আমার অস্থি সকল খসিয়া যায়, আমার দংশক সকল কখন নিদ্রা যায় না।
সদাপ্রভু, তোমার ক্রোধে আমাকে ভর্ৎসনা করিও না, তোমার রোষাগ্নিতে আমাকে শাস্তি দিও না।
কেননা আমার অপরাধসমূহ আমার মস্তকের উপরে উঠিয়াছে, ভারী বোঝার ন্যায় সে সকল আমার শক্তি অপেক্ষা ভারী।
ধন্য সেই ব্যক্তি, যাহাকে তুমি শাসন কর, হে সদাপ্রভু, যাহাকে তুমি আপন ব্যবস্থা হইতে শিক্ষা দেও,
দুঃখার্ত্ত হইবার পূর্ব্বে আমি ভ্রান্ত ছিলাম, কিন্তু এখন তোমার বচন পালন করিতেছি।
আমি যে দুঃখার্ত্ত হইয়াছি, এ আমার পক্ষে উত্তম, যেন আমি তোমার বিধি শিখিতে পাই।
বস্তুতঃ সমস্ত ব্যাপারের জন্য সময় ও বিচার আছে; কারণ মানুষের দুঃখ তাহার পক্ষে অতিমাত্র।
এই জন্য ইহা দ্বারা যাকোবের অপরাধ মোচন হইবে, এবং ইহা তাহার পাপ দূর করিবার সমস্ত ফল; সে চূণের ভগ্ন প্রস্তরগুলির ন্যায় যজ্ঞবেদির সমস্ত প্রস্তর চূর্ণ করিবে, আশেরা-মূর্ত্তি ও সূর্য্য-প্রতিমা সকল আর উঠিবে না।
আমার পিতৃপুরুষগণ যে সকল জাতিকে বিনষ্ট করিয়াছেন—গোষণ, হারণ, রেৎসফ এবং তলঃসর-নিবাসী এদন-সন্তানগণ—তাহাদের দেবগণ কি তাহাদিগকে উদ্ধার করিয়াছে?
কিন্তু আমরা যখন প্রভু কর্ত্তৃক বিচারিত হই, তখন শাসিত হই, যেন জগতের সহিত দণ্ডাজ্ঞা প্রাপ্ত না হই।
আমি যত লোককে ভালবাসি, সেই সকলকে অনুযোগ করি ও শাসন করি; অতএব উদ্যোগী হও, ও মন ফিরাও।