বস্ত্রাভাবে উলঙ্গ হইয়া রাত্রি যাপন করে, শীতকালে তাহাদের আচ্ছাদনমাত্র থাকে না।
Cross references
আমার এরূপ দশা হইত, আমি দিবাতে উত্তাপের ও রাত্রিতে শীতের গ্রাসে পতিত হইতাম; নিদ্রা আমার চক্ষু হইতে দূরে পলায়ন করিত।
যদি তুমি আপন প্রতিবাসীর বস্ত্র বন্ধক রাখ, তবে সুর্য্যাস্তের পূর্ব্বে তাহা ফিরাইয়া দিও;
তুমি বাহিরে দাঁড়াইয়া থাকিবে, এবং ঋণী ব্যক্তি বন্ধকী দ্রব্য বাহির করিয়া তোমার নিকটে আনিবে।
আর সে যদি দরিদ্র হয়, তবে তুমি তাহার বন্ধকী দ্রব্য রাখিয়া নিদ্রা যাইবে না।
সূর্য্যাস্তকালে তাহার বন্ধকী দ্রব্য তাহাকে অবশ্য ফিরাইয়া দিবে; তাহাতে সে আপন বস্ত্রে শয়ন করিয়া তোমাকে আশীর্ব্বাদ করিবে; আর তাহা তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভুর সাক্ষাতে তোমার ধার্ম্মিকতার কার্য্য হইবে।
তুমি অকারণে নিজ ভ্রাতা হইতে বন্ধক লইতে, তুমি বস্ত্রহীনের বস্ত্র হরণ করিতে।
তাই ইহারা বস্ত্রাভাবে উলঙ্গ হইয়া বেড়ায়, ক্ষুধিত হইয়া শস্যের আটি বহন করে।
যখন আমি কাহাকেও বস্ত্রাভাবে মৃতকল্প দেখিয়াছি, দীনহীনকে উলঙ্গ দেখিয়াছি,
তিনি নিজ পরিবারের বিষয়ে তুষার হইতে ভয় পান না; কারণ তাঁহার সমস্ত পরিজন লাল বস্ত্র পরিধান করে।
ক্ষুধিত লোককে তোমার খাদ্য বন্টন করা, তাড়িত দুঃখীদিগকে গৃহে আশ্রয় দেওয়া, ইহা কি নয়? উলঙ্গকে দেখিলে তাহাকে বস্ত্র দান করা, তোমার নিজ মাংস হইতে আপনার গা না ঢাকা, ইহা কি নয়?
তখন যিহূদিয়া, গালীল ও শমরিয়ার সর্ব্বত্র মণ্ডলী শান্তিভোগ করিতে ও গ্রথিত হইতে লাগিল, এবং প্রভুর ভয়ে ও পবিত্র আত্মার আশ্বাসে চলিতে চলিতে বহুসংখ্যক হইয়া উঠিল।