তাহারা ত অকালে অপনীত হইল, তাহাদের ভিত্তিমূল বন্যায় ভাসিয়া গেল।
Cross references
নোহের বয়সের ছয় শত বৎসরের দ্বিতীয় মাসের সপ্তদশ দিনে মহাজলধির সমস্ত উনুই ভাঙ্গিয়া গেল, এবং আকাশের বাতায়ন সকল মুক্ত হইল;
আর চল্লিশ দিন পর্য্যন্ত পৃথিবীতে জলপ্লাবন হইল, তাহাতে জল বৃদ্ধি পাইয়া জাহাজ ভাসাইলে তাহা মৃত্তিকা ছাড়িয়া উঠিল।
পরে জল প্রবল হইয়া পৃথিবীতে অতিশয় বৃদ্ধি পাইল, এবং জাহাজ জলের উপরে ভাসিয়া গেল।
জল পাষাণকেও ক্ষয় করে, তাহার বন্যা ভূমির ধূলি ভাসাইয়া লইয়া যায়; তদ্রূপ তুমি মর্ত্ত্যের আশা ক্ষয় করিতেছ।
তাহার কালের পূর্ব্বেই তাহা পরিশোধ হইবে, তাহার শাখা সতেজ হইবে না।
তাহারা যৌবনকালে প্রাণত্যাগ করে, পুংগামীদের মধ্যে তাহাদেরও প্রাণ যায়।
কিন্তু হে ঈশ্বর, তুমিই উহাদিগকে বিনাশের কূপে নামাইবে; রক্তপাতী ও ছলপ্রিয়েরা আয়ুর অর্দ্ধকালও বাঁচিবে না; কিন্তু আমি তোমার উপরে নির্ভর করিব।
আমি বলিলাম, হে আমার ঈশ্বর, আয়ুর মধ্যভাগে আমাকে তুলিয়া লইও না; তোমার বৎসর সকল পুরুষে পুরুষে স্থায়ী।
কেন আপনাকে নষ্ট করিবে? অতি দুষ্ট হইও না, অজ্ঞানও হইও না; তোমার সময় না হইতে কেন মরিবে?
আর যে কেহ আমার এই সকল বাক্য শুনিয়া পালন না করে, তাহাকে এমন এক জন নির্ব্বোধ লোকের তুল্য বলিতে হইবে, যে বালুকার উপরে আপন গৃহ নির্ম্মাণ করিল।
বাস্তবিক নোহের সময়ে যেরূপ হইয়াছিল, মনুষ্যপুত্রের আগমনও তদ্রূপ হইবে।
আবার আত্মাতে গমন করিয়া কারাবদ্ধ সেই আত্মাদিগের কাছে ঘোষণা করিলেন,
আর তিনি পুরাতন জগতের প্রতি মমতা করেন নাই, কিন্তু যখন ভক্তিহীনদের জগতে জলপ্লাবন আনিলেন, তখন আর সাত জনের সহিত ধার্ম্মিকতার প্রচারক নোহকে রক্ষা করিলেন।