আমার চিন্তা উত্তর দিতে আমাকে উত্তেজনা করে, কারণ আমি অধৈর্য্য হইলাম।
Cross references
তোমার সহিত কথা কহিতে চেষ্টা করিলে কি তুমি কাতর হইবে? কিন্তু কথা কহিতে কে নিবৃত্ত হইতে পারে?
বিচারে কে আমার প্রতিবাদ করিবে? করিলে আমি নীরব হইয়া প্রাণত্যাগ করিব।
আমি নিজ অপমানসূচক উপদেশ শুনিলাম, আমার বুদ্ধি হইতে আত্মা আমাকে উত্তর যোগায়।
তবে বলিবেন না, আমরা জ্ঞান পাইয়াছি; উহাঁকে পরাস্ত করা ঈশ্বরেরই সাধ্য, মনুষ্যের অসাধ্য।
আমি অধৈর্য্য হেতু বলিয়াছিলাম, আমি তোমার নয়নগোচর হইতে বিচ্ছিন্ন, কিন্তু তোমার উদ্দেশে আর্ত্তনাদ করিলে তুমি আমার বিনতির রব শ্রবণ করিলে।
আমি নীরবে বোবা হইয়া রহিলাম, সৎ কথা হইতেও বিরত থাকিলাম, আর আমার ব্যথা বাড়িয়া উঠিল।
আমি উদ্বেগে বলিয়াছিলাম, মনুষ্যমাত্র মিথ্যাবাদী।
যে ক্রোধে ধীর, সে বড় বুদ্ধিমান; কিন্তু আশুক্রোধী অজ্ঞানতা তুলিয়া ধরে।
তুমি কি হঠকারী লোককে দেখিতেছ? তাহার অপেক্ষা বরং হীনবুদ্ধির বিষয়ে অধিক আশা আছে।
তোমার আত্মাকে সত্বর বিরক্ত হইতে দিও না, কেননা হীনবুদ্ধি লোকদেরই বক্ষঃ বিরক্তির আশ্রয়।
যদি বলি, তাঁহার বিষয় আর উল্লেখ করিব না, তাঁহার নামে আর কিছু কহিব না, তবে আমার হৃদয়ে যেন দাহকারী অগ্নি অস্থিমধ্যে রুদ্ধ হয়; তাহা সহ্য করিতে করিতে আমি ক্লান্ত হইয়া পড়ি, আর তিষ্ঠিতে পারি না।
সে তৎক্ষণাৎ সত্বর রাজার নিকটে আসিয়া তাহা চাহিল, বলিল, আমি ইচ্ছা করি যে, আপনি এখনই যোহন বাপ্তাইজকের মস্তক থালায় করিয়া আমাকে দিউন।
কেননা আমি তাহাদের পক্ষে এই সাক্ষ্য দিতেছি যে, ঈশ্বরের বিষয়ে তাহাদের উদ্যোগ আছে, কিন্তু তাহা জ্ঞানানুযায়ী নয়।
হে আমার প্রিয় ভ্রাতৃগণ, তোমরা ইহা জ্ঞাত আছ। কিন্তু তোমাদের প্রত্যেক জন শ্রবণে সত্বর, কথনে ধীর,