হে অজ্ঞান নির্ব্বোধ জাতি, চক্ষু থাকিতে অন্ধ, কর্ণ থাকিতে বধির যে তোমরা, তোমরা এই কথা শুন।
Cross references
পরীক্ষাসিদ্ধ সেই সকল মহৎ প্রমাণ, সেই সকল চিহ্ন ও সেই সকল মহৎ অদ্ভুত লক্ষণ তোমরা স্বচক্ষে দেখিয়াছ;
তথাচ সদাপ্রভু অদ্যাপি তোমাদিগকে জানিবার হৃদয়, দেখিবার চক্ষু ও শুনিবার কর্ণ দেন নাই।
তোমরা কি সদাপ্রভুকে এই প্রতিশোধ দিতেছ? হে মূঢ় ও অজ্ঞান জাতি। তিনি কি তোমার পিতা নহেন, যিনি তোমাকে লাভ করিলেন। তিনিই তোমার নির্ম্মাতা ও স্থিতিকর্ত্তা।
হে লোকদের মধ্যবর্ত্তী নরপশুগণ, বিবেচনা কর; হে নির্ব্বোধেরা, কবে তোমাদের সুবুদ্ধি হইবে?
হীনবুদ্ধির হস্তে অর্থ কেন থাকিবে? কি প্রজ্ঞা কিনিবার জন্য? তাহার যে বুদ্ধি নাই।
তখন তিনি বলিলেন, তুমি যাও, এই জাতিকে বল, তোমরা শুনিতে থাকিও, কিন্তু বুঝিও না; এবং দেখিতে থাকিও, কিন্তু জানিও না।
তথাকার ডালপালা শুষ্ক হইলে ভাঙ্গা যাইবে, স্ত্রীলোকেরা আসিয়া তাহাতে আগুন দিবে। কারণ সেই জাতি নির্ব্বোধ, সেই জন্য তাহার নির্ম্মাতা তাহার প্রতি করুণা করিবেন না, তাহার গঠনকর্ত্তা তাহার প্রতি কৃপা করিবেন না।
তাহারা জানে না ও বিবেচনা করে না; কেননা তিনি তাহাদের চক্ষু বদ্ধ করিয়াছেন, তাই তাহারা দেখিতে পায় না; তাহাদের চিত্ত বদ্ধ করিয়াছেন, তাই তাহারা বুঝিতে পারে না।
বস্তুতঃ আমার প্রজারা অজ্ঞান, তাহারা আমাকে জানে না; তাহারা নির্ব্বোধ বালক, তাহাদের বিবেচনা নাই; তাহারা কদাচারে পটু, কিন্তু সদাচার করিতে জানে না।
তখন আমি কহিলাম, ইহারা ত দরিদ্র, ইহারা অজ্ঞান, কারণ সদাপ্রভুর পথ ও আপনাদের ঈশ্বরের বিচার জানে না; আমি একবার মহৎ লোকদের নিকটে গিয়া তাহাদের কাছে কথা কহিব, কেননা তাহারা সদাপ্রভুর পথ ও আপনাদের ঈশ্বরের বিচার জানে।
আর এখন তোমরা এই সকল কর্ম্ম করিয়াছ, ইহা সদাপ্রভু কহেন, এবং আমি প্রত্যূষে উঠিয়া তোমাদিগকে কথা কহিলেও তোমরা শুন নাই, আমি তোমাদিগকে ডাকিলেও তোমরা উত্তর দেও নাই;
আকাশে হাড়গিলাও আপনার সময় জানে, এবং ঘুঘু, তালচোঁচ ও বক আপন আপন আগমনের কাল রক্ষা করে, কিন্তু আমার প্রজারা সদাপ্রভুর বিধান জানে না।
কিন্তু তাহারা নির্ব্বিশেষে পশুবৎ ও স্থূলবুদ্ধি; অসার লোকদের শিক্ষা! উহা কাষ্ঠমাত্র।
হে মনুষ্য-সন্তান তুমি বিদ্রোহী-কুলের মধ্যে বাস করিতেছ; দেখিবার চক্ষু থাকিলেও তাহারা দেখে না, শুনিবার কর্ণ থাকিলেও শুনে না, কেননা তাহারা বিদ্রোহী-কুল।
হাঁ, ইফ্রয়িম অবোধ কপোতের ন্যায় হইয়াছে, সে বুদ্ধিহীন, লোকেরা মিসরকে আহ্বান করে, অশূরে গমন করে।
এই জন্য আমি তাহাদিগকে দৃষ্টান্ত দ্বারা কথা বলিতেছি, কারণ তাহারা দেখিয়াও দেখে না, শুনিয়াও শুনে না, এবং বুঝেও না।
চক্ষু থাকিতে কি দেখিতে পাও না? কর্ণ থাকিতে কি শুনিতে পাও না? আর মনেও কি পড়ে না?
“তিনি তাহাদের চক্ষু অন্ধ করিয়াছেন, তাহাদের হৃদয় কঠিন করিয়াছেন, পাছে তাহারা চক্ষে দেখে, হৃদয়ে বুঝে, এবং ফিরিয়া আইসে, আর আমি তাহাদিগকে সুস্থ করি।”
“এই লোকদের নিকটে গিয়া বল, তোমরা শ্রবণে শুনিবে, কিন্তু কোন মতে বুঝিবে না, এবং চক্ষে দেখিবে, কিন্তু কোন মতে জানিবে না;
অন্য সকলে কঠিনীভূত হইয়াছে, যেমন লিখিত আছে, “ঈশ্বর তাহাদিগকে জড়তার আত্মা দিয়াছেন; এমন চক্ষু দিয়াছেন, যাহা দেখিতে পায় না; এমন কর্ণ দিয়াছেন, যাহা শুনিতে পায় না, অদ্য পর্য্যন্ত;”