তুমি তাঁহাকে গ্রহণ করিয়া তাঁহার তত্ত্বাবধান করিও, তাঁহার কিছুই হানি করিও না; বরং তিনি তোমাকে যেরূপ বলিবেন, তাঁহার সহিত তদ্রূপ ব্যবহার করিও।
Cross references
তিনি কোন মনুষ্যকে তাহাদের প্রতি উপদ্রব করিতে দিতেন না, বরং তাহাদের জন্য রাজগণকে অনুযোগ করিতেন;
‘আমার অভিষিক্ত ব্যক্তিদিগকে স্পর্শ করিও না, আমার ভাববাদিগণের অপকার করিও না।’
মানুষের পথ যখন সদাপ্রভুর সন্তোষজনক হয়, তখন তিনি তাহার শত্রুদিগকেও তাহার প্রণয়ী করেন।
সদাপ্রভুর হস্তে রাজার চিত্ত জলপ্রণালীর ন্যায়; তিনি যে দিকে ইচ্ছা, সেই দিকে তাহা ফিরান।
তুমি কি ধনের দিকে চাহিতেছ? তাহা আর নাই; কারণ ঈগল যেমন আকাশে উড়িয়া যায়, তেমনি ধন আপনার জন্য নিশ্চয়ই পক্ষ প্রস্তুত করে।
সদাপ্রভু কহিলেন, আমি নিশ্চয়ই তোমাকে মুক্ত করিয়া তোমার মঙ্গল করিব; নিশ্চয়ই শত্রুগণকে সঙ্কটকালে ও দুর্দ্দশার সময়ে তোমার কাছে বিনতি করাইব।
কারণ আমি মঙ্গলার্থে তাহাদের প্রতি দৃষ্টি রাখিব, ও পুনর্ব্বার তাহাদিগকে এই দেশে আনিব; তাহাদিগকে গাঁথিব, উৎপাটন করিব না; রোপন করিব, উন্মূলন করিব না।
এখন দেখ, অদ্য আমি তোমার হস্তের শৃঙ্খল হইতে তোমাকে মুক্ত করিলাম; তুমি যদি আমার সহিত বাবিলে যাইতে ইচ্ছা কর, তবে আইস, আমি তোমার প্রতি অনুগ্রহদৃষ্টি রাখিব; আর যদি আমার সহিত বাবিলে যাইতে তোমার ইচ্ছা না হয়, তবে ক্ষান্ত হও; দেখ, সমস্ত দেশ তোমার সম্মুখে আছে; যে স্থানে যাওয়া তোমার উত্তম ও বিহিত বোধ হয়, সেই স্থানে যাও।
আর তাহারা শত্রুদের সম্মুখে বন্দি-দশার স্থানে গেলেও আমি সেখানে খড়্গকে আজ্ঞা দিব, আর তাহা তাহাদিগকে বধ করিবে; এইরূপে অমঙ্গলের জন্য আমি তাহাদের প্রতি চক্ষু রাখিব, মঙ্গলের জন্য নয়।
কিন্তু ঈশ্বর তাঁহার সঙ্গে সঙ্গে ছিলেন, এবং তাঁহার সমস্ত ক্লেশ হইতে তাঁহাকে উদ্ধার করিলেন, আর মিসর-রাজ ফরৌণের সাক্ষাতে অনুগ্রহ ও বিজ্ঞতা প্রদান করিলেন; তাহাতে ফরৌণ তাঁহাকে মিসরের ও আপন সমস্ত গৃহের অধ্যক্ষ-পদে নিযুক্ত করিলেন।
কেননা ধার্ম্মিকগণের প্রতি প্রভুর চক্ষু আছে; তাহাদের বিনতির প্রতি তাঁহার কর্ণ আছে; কিন্তু প্রভুর মুখ দুরাচারদের প্রতিকূল।”