বাবিল-রাজ নবূখদ্রিৎসর যিরমিয়ের বিষয়ে নবূষরদন রক্ষক-সেনাপতিকে এই আজ্ঞা দিয়াছিলেন,
Cross references
তিনি ছয় সঙ্কট হইতে তোমাকে উদ্ধার করিবেন, সপ্ত সঙ্কটে অমঙ্গল তোমাকে স্পর্শ করিবে না।
সদাপ্রভু কহিলেন, আমি নিশ্চয়ই তোমাকে মুক্ত করিয়া তোমার মঙ্গল করিব; নিশ্চয়ই শত্রুগণকে সঙ্কটকালে ও দুর্দ্দশার সময়ে তোমার কাছে বিনতি করাইব।
আর আমি দুষ্টদের হস্ত হইতে তোমাকে উদ্ধার করিব, দুর্দ্দান্তদের করতল হইতে তোমাকে মুক্ত করিব।
কিন্তু তিনি, তাঁহার দাসগণ ও দেশীয় লোকেরা যিরমিয় ভাববাদী দ্বারা কথিত সদাপ্রভুর বাক্যে কর্ণপাত করিতেন না।
রক্ষক-সেনাপতি নবূষরদন যিরমিয়কে রামা হইতে বিদায় দিলে পর তাঁহার নিকটে সদাপ্রভুর যে বাক্য উপস্থিত হইল, তাহার বৃত্তান্ত। [নবূষরদন] যখন তাঁহাকে গ্রহণ করিলেন, তখন তিনি শৃঙ্খলে বদ্ধ, এবং যিরূশালেমের ও যিহূদার যে সমস্ত লোক নির্ব্বাসার্থে বাবিলে নীত হইতেছিল, তাহাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।
পরে পঞ্চম মাসে, মাসের দশম দিনে, বাবিল-রাজ নবূখদ্রিৎসরের ঊনবিংশ বৎসরে, রক্ষ-সেনাপতি নবূষরদন—যিনি বাবিল-রাজের সম্মুখে দাঁড়াইতেন—যিরূশালেমে প্রবেশ করিলেন;
পরে তিনি শতপতিকে এই আজ্ঞা দিলেন, তুমি ইহাকে আবদ্ধ রাখ, কিন্তু স্বচ্ছন্দে রাখিও, ইহার কোন আত্মীয়কে ইহার সেবা করণার্থে আসিতে বারণ করিও না।