যদ্যপি ইল্নাথন, দলায় ও গমরিয়, পুস্তকখানি যেন পোড়ান না হয়, সে জন্য রাজাকে বিনয় করিয়াছিলেন, তথাপি তিনি তাঁহাদের কথা শুনিলেন না।
Cross references
আর রূবেণ তাহাদিগকে কহিল, তোমরা রক্তপাত করিও না, উহাকে প্রান্তরের এই গর্ত্তমধ্যে ফেলিয়া দেও, কিন্তু উহার উপরে হস্ত তুলিও না। এইরূপে রূবেণ তাহাদের হস্ত হইতে তাহাকে উদ্ধার করিয়া পিতার নিকটে ফিরিয়া পাঠাইবার চেষ্টা করিল।
তখন যিহূদা আপন ভ্রাতৃগণকে কহিল, আমাদের ভ্রাতাকে বধ করিয়া তাহার রক্ত গোপন করিলে আমাদের কি লাভ?
দুষ্ট লোক আপন মুখ দৃঢ় করে; কিন্তু যে সরল, সে আপন পথ সুস্থির করে।
তোমরা শুন, কর্ণপাত কর, অহঙ্কার করিও না, কেননা সদাপ্রভু কথা বলিয়াছেন।
তখন যিহোয়াকীম রাজা অক্বোরের পুত্র ইল্নাথনকে এবং তাহার সহিত অন্য কয়েক জন লোককে মিসরে প্রেরণ করিলেন;
তখন তিনি রাজবাটীতে নামিয়া লেখকের কুঠরীতে গেলেন; আর দেখ, সেই স্থানে অধ্যক্ষগণ সকলে, অর্থাৎ ইলীশামা লেখক, শময়িয়ের পুত্র দলায়, অক্বোরের পুত্র ইল্নাথন, শাফনের পুত্র গমরিয় ও হনানিয়ের পুত্র সিদিকিয় প্রভৃতি সমস্ত অধ্যক্ষ উপবিষ্ট ছিলেন।
তাহারা বলিল, আমাদের কি? তুমি তাহা বুঝিবে।
পীলাত যখন দেখিলেন, তাঁহার চেষ্টা বিফল, বরং আরও গোলযোগ হইতেছে, তখন জল লইয়া লোকদের সাক্ষাতে হাত ধুইয়া কহিলেন, এই ধার্ম্মিক ব্যক্তির রক্তপাতের সম্বন্ধে আমি নির্দ্দোষ, তোমরাই তাহা বুঝিবে।
কিন্তু মহাসভায় গমলীয়েল নামে এক জন ফরীশী, যিনি সকল লোকের নিকটে মান্য ব্যবস্থা-গুরু ছিলেন, তিনি উঠিয়া ঐ লোকদিগকে কিছু ক্ষণের নিমিত্ত বাহির করিবার আজ্ঞা দিলেন।