রাজা ও তাঁহার দাসগণ ঐ সকল বাক্য শুনিয়াও কেহ ভীত হইলেন না, ও আপন আপন বস্ত্র ছিঁড়িলেন না।
Cross references
পরে রূবেণ গর্ত্তের নিকটে ফিরিয়া গেল, আর দেখ, যোষেফ সেখানে নাই; তখন সে আপন বস্ত্র চিরিল, আর ভ্রাতাদের নিকটে ফিরিয়া আসিয়া কহিল,
যেমন সদাপ্রভু বলিয়াছিলেন। পরে ফরৌণ আপন গৃহে ফিরিয়া গেলেন, ইহাতেও মনোযোগ করিলেন না।
আহাব যখন ঐ সকল কথা শুনিলেন, তখন আপন বস্ত্র ছিঁড়িলেন, এবং গায়ে চট বাঁধিয়া উপবাস করিলেন, চটে শয়ন করিলেন, এবং ধীরে ধীরে বেড়াইলেন।
তাহা শুনিয়া হিষ্কিয় রাজা আপন বস্ত্র ছিঁড়িয়া চট পরিধান করিয়া সদাপ্রভুর গৃহে গমন করিলেন।
তখন রাজা সেই ব্যবস্থাপুস্তকের বাক্য সকল শুনিয়া আপনার বস্ত্র ছিঁড়িলেন।
তখন রাজা ব্যবস্থার বাক্য সকল শুনিয়া আপনার বস্ত্র ছিঁড়িলেন।
তুমি ত ভয় ছাড়িয়া দিতেছ, ঈশ্বরের সাক্ষাতে প্রার্থনানুরাগ ক্ষীণ করিতেছ।
দুষ্টের হৃদয়মধ্যে অধর্ম্ম তাহার কাছে কথা বলে, ঈশ্বর-ভয় তাহার চক্ষুর অগোচর।
সে নিজের দৃষ্টিতে আত্মশ্লাঘা করিয়া বলে, আমার অধর্ম্ম আবিষ্কৃত ও ঘৃণিত হইবে না।
তাহারা কুমন্ত্রণায় আপনাদিগকে সবল করে, গোপনে ফাঁদ পাতিবার বিষয়ে কথাবার্ত্তা কহে; তাহারা বলে, কে আমাদিগকে দেখিবে?
হে সদাপ্রভু, তোমার হস্ত উত্তোলিত হইয়াছে, তবু তাহারা দেখে না; কিন্তু তাহারা প্রজাগণের পক্ষে তোমার উদ্যোগ দেখিবে ও লজ্জা পাইবে, হাঁ, অগ্নি তোমার বিপক্ষদিগকে দদ্ধ করিবে।
পরে হিল্কিয়ের পুত্র রাজবাটীর অধ্যক্ষ ইলিয়াকীম, শিব্ন লেখক ও আসফের পুত্র ইতিহাস-রচক যোয়াহ আপন আপন বস্ত্র ছিঁড়িয়া হিষ্কিয়ের নিকটে আসিয়া রব্শাকির কথা জ্ঞাত করিলেন।
হে সদাপ্রভু, তোমার দৃষ্টি কি সত্যের প্রতি নয়? তুমি তাহাদিগকে প্রহার করিলেও তাহারা দুঃখার্ত্ত হইল না; তাহাদিগকে জীর্ণ করিলেও তাহারা শাসন গ্রহণ করিতে অস্বীকার করিল; তাহারা আপন আপন মুখ পাষাণ হইতেও কঠিন করিল; তাহারা ফিরিয়া আসিতে অস্বীকার করিল।
তখন ঐ সকল কথা শুনিয়া তাঁহারা সকলে ভয় প্রযুক্ত পরস্পর তাকাতাকি করিলেন, এবং বারূককে কহিলেন, আমরা এই সকল কথার বিষয় অবশ্য রাজাকে জানাইব।
আর সেই বার্ত্তা নীনবী-রাজের নিকটে পৌঁছিলে তিনি আপন সিংহাসন হইতে উঠিলেন, গাত্রের শাল রাখিয়া দিলেন, এবং চট পরিধান করিয়া ভস্মে বসিলেন।
নীনবীয় লোকেরা বিচারে এই কালের লোকদের সহিত দাঁড়াইয়া ইহাদিগকে দোষী করিবে, কেননা তাহারা যোনার প্রচারে মন ফিরাইয়াছিল, আর দেখ, যোনা হইতে মহান্ এক ব্যক্তি এখানে আছেন।
ঈশ্বর-ভয় তাহাদের চক্ষুর অগোচর।”