এখন শীহোর নদীর জল পান করিতে মিসরের পথে কেন যাইতেছ? অথবা ফরাৎ নদীর জল পান করিতে অশূরের পথে কেন যাইতেছ?
Cross references
মিসরের সম্মুখস্থ সীহোর নদী হইতে ইক্রোণের উত্তরসীমা পর্য্যন্ত, যাহা কনানীয়দের অধিকাররূপে গণনীয়; ঘসাতীয়, অস্দোদীয়, অস্কিলোনীয়, গাতীয় ও ইক্রোণীয়, পলেষ্টীয়দের এই পাঁচ ভূপালের দেশ,
তখন আহস অশূর-রাজ তিগ্লৎ-পিলেষরের নিকটে দূত পাঠাইয়া এই কথা বলিলেন, আমি আপনার দাস ও আপনার পুত্র, আপনি আসিয়া অরামের রাজার হস্ত হইতে ও ইস্রায়েলের রাজার হস্ত হইতে আমাকে নিস্তার করুন, তাহারা আমার বিরুদ্ধে উঠিয়াছে।
ঐ সময়ে আহস রাজা সাহায্য প্রার্থনা করিতে অশূর-রাজগণের নিকটে লোক পাঠাইলেন।
আর অশূর-রাজ তিল্গৎ-পিল্নেষর তাঁহার নিকটে আসিলেন বটে, কিন্তু তাঁহার বলবৃদ্ধি না করিয়া তাঁহাকে ক্লেশ দিলেন।
এবং মহাজলরাশিতে শীহোর নদীর বীজ, নীল নদীর শস্য তাহার লাভ হইত, এবং তাহা জাতিগণের হট্টস্বরূপ ছিল।
সদাপ্রভু কহেন, ধিক্ সেই বিদ্রোহী সন্তানগণকে, যাহারা মন্ত্রণা সাধন করে, কিন্তু আমা হইতে নয়, এবং সন্ধি করে, কিন্তু আমার আত্মার আবেশে নয়, উদ্দেশ্য এই, যেন পাপের উপরে পাপ করিতে পারে।
তাহারা মিসরে যাইবার জন্য যাত্রা করে, কিন্তু আমাকে জিজ্ঞাসা করে নাই, যেন ফরৌণের পরাক্রমে পরাক্রমী হইতে ও মিসরের ছায়াতে আশ্রয় লইতে পারে।
ধিক্ তাহাদিগকে, যাহারা সাহায্যের জন্য মিসরে নামিয়া যায়, অশ্বগণে বিশ্বাস করে, রথের বাহুল্য প্রযুক্ত রথে নির্ভর করে, অশ্বারোহিগণ অতি বলবান বলিয়া তাহাদের উপরে নির্ভর করে, কিন্তু ইস্রায়েলের পবিত্রতমের দিকে চাহে না, এবং সদাপ্রভুর অন্বেষণ করে না।
তুমি আপন পথ পরিবর্ত্তন করিতে কেন এত ঘুরিয়া বেড়াও? অশূরের বিষয়ে যেমন লজ্জিত হইয়াছিলে, মিসরের বিষয়েও তদ্রূপ লজ্জিত হইবে।
অয়ি বিপথগামিনি কন্যে, কতকাল ভ্রমণ করিবে? সদাপ্রভু ত পৃথিবীতে এক নূতন নিয়ম সৃষ্টি করিলেন; নারী পুরুষকে বেষ্টন করিবে।
আর ফরৌণের সৈন্য মিসর হইতে বাহির হইয়া আসিয়াছিল; এবং যিরূশালেম-অবরোধক কল্দীয়েরা তাহাদের সমাচার শুনিয়া যিরূশালেম হইতে চলিয়া গিয়াছিল।
এখনও আমাদের চক্ষু ক্ষীণ হইয়া পড়িতেছে, মিথ্যা সাহায্যের প্রত্যাশায়; আমরা অপেক্ষা করিতে করিতে এমন জাতির অপেক্ষায় রহিয়াছি, যে রক্ষা করিতে পারে না।
আমরা মিস্রীয়দের কাছে করযোড় করিয়াছি, অশূরীয়দের কাছেও করিয়াছি, খাদ্যে তৃপ্ত হইবার জন্য।
আরও তুমি তৃপ্ত না হওয়াতে অশূরীয়দের সহিত বেশ্যাক্রিয়া করিয়াছ; কিন্তু তাহাদের সহিত ব্যভিচার করিলেও তৃপ্ত হও নাই।
কিন্তু সে তাহার বিদ্রোহী হইয়া অশ্ব ও অনেক সৈন্য পাইবার জন্য মিসরে দূত পাঠাইয়া দিল। সে কি কৃতকার্য্য হইবে? এমন কার্য্য যে করে, সে কি রক্ষা পাইবে? সে ত নিয়ম ভঙ্গ করিয়াছে, তবু কি নিস্তার পাইবে?
তুমি জাতিগণের অনুগমনে ব্যভিচার করিয়াছ, তাহাদের পুত্তলিগণ দ্বারা অশুচি হইয়াছ, এই নিমিত্ত এ সকল তোমার প্রতি করা যাইবে।
যখন ইফ্রয়িম আপন রোগ ও যিহূদা আপন ক্ষত দেখিতে পাইল, তখন ইফ্রয়িম অশূরের কাছে গমন করিল, ও বিবাদ-রাজের নিকটে লোক পাঠাইল; কিন্তু সে তোমাদিগকে সুস্থ করিতে পারে না, তোমাদের ক্ষত আরোগ্য করিবে না।
হাঁ, ইফ্রয়িম অবোধ কপোতের ন্যায় হইয়াছে, সে বুদ্ধিহীন, লোকেরা মিসরকে আহ্বান করে, অশূরে গমন করে।