সে মরুভূমিস্থ ঝাউ গাছের সদৃশ হইবে, মঙ্গল আসিলে তাহার দর্শন পাইবে না, কিন্তু প্রান্তরের উত্তপ্ত স্থানে ও নিবাসীহীন লবণ-ভূমিতে বাস করিবে।
Cross references
ফলতঃ সদাপ্রভু আপন ক্রোধে ও রোষে যে সদোম, ঘমোরা, অদ্মা ও সবোয়িম নগর উৎসন্ন করিয়াছিলেন, তাহার মত এই দেশের সমস্ত ভূমি গন্ধক, লবণ ও দহনে পরিপূর্ণ হইয়াছে, তাহাতে কিছুই বুনা যায় না, ও তাহা ফল উৎপন্ন করে না, ও তাহাতে কোন তৃণ হয় না, এ সকল যখন দেখিবে; তখন তাহারা বলিবে, এমন কি,
আর অবীমেলক সেই সমস্ত দিন ঐ নগরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিল; আর নগর হস্তগত করিয়া তথাকার লোকদিগকে বধ করিল, এবং নগর সমভূমি করিয়া তাহার উপরে লবণ ছড়াইয়া দিল।
তখন রাজা যে সেনানীর হস্তে নির্ভর দিয়াছিলেন, তিনি ঈশ্বরের লোককে উত্তর করিলেন, দেখ, যদি সদাপ্রভু আকাশে গবাক্ষ করেন, তথাপি কি এমন হইতে পারিবে? তিনি বলিলেন, দেখ, তুমি স্বচক্ষে তাহা দেখিবে, কিন্তু তাহার কিছুই খাইতে পাইবে না।
আর ঐ সেনানী ঈশ্বরের লোককে উত্তর করিয়াছিলেন, দেখ, যদি সদাপ্রভু আকাশে গবাক্ষ করেন, তথাপি কি এমন হইতে পারিবে? তিনি বলিয়াছিলেন, দেখ, তুমি স্বচক্ষে তাহা দেখিবে, কিন্তু তাহার কিছুই খাইতে পাইবে না;
“কর্দ্দম বিনা কি নল বৃদ্ধি পাইতে পারে? খাগ্ড়া কি জল ব্যতিরেকে বাড়িতে পারে?
সে অন্ধকার হইতে প্রস্থান করিবে না; অগ্নিশিখা তাহার শাখা শুষ্ক করিবে, সে তদীয় মুখের নিঃশ্বাসে উড়িয়া যাইবে।
সে নদী সকলের প্রতি দৃষ্টি করিবে না, মধু ও দধিপ্রবাহী স্রোত সকল দেখিবে না।
আমি মরুভূমিকে তাহার গৃহ করিয়াছি, লবণভূমিকে তাহার নিবাস করিয়াছি।
দুষ্টগণ সেরূপ নহে; কিন্তু তাহারা বায়ুচালিত তুষের ন্যায়।
দুষ্টগণ যখন তৃণের ন্যায় অঙ্কুরিত হয়, অধর্ম্মাচারী সকলে যখন প্রফুল্ল হয়, তখন তাহাদের চির-বিনাশের জন্য সেইরূপ হয়।
তাহারা ছাদের উপরিস্থ তৃণের ন্যায় হউক, যাহা বাড়িতে না বাড়িতেই শুষ্ক হইয়া যায়;
কেননা তোমার শুষ্কপত্র এলা বৃক্ষের ও নির্জ্জল উদ্যানের ন্যায় হইবে।
‘পলায়ন কর, আপন আপন প্রাণ রক্ষা কর, প্রান্তরস্থ ঝাউ গাছের ন্যায় হও।’