ব্যবস্থার কাছে ও সাক্ষ্যের কাছে [অন্বেষণ কর]; ইহার অনুরূপ কথা যদি তাহারা না বলে, তবে তাহাদের পক্ষে অরুণোদয় নাই।
Cross references
অতএব আইসুন, আমার প্রভুর মন্ত্রণানুসারে ও আমাদের ঈশ্বরের আজ্ঞাতে কম্পান্বিত লোকদের মন্ত্রণানুসারে সেই সকল স্ত্রী ও তাহাদের গর্ভজাত সন্তানদিগকে ত্যাগ করিতে আমরা এখন আমাদের ঈশ্বরের সহিত নিয়ম করি; আর তাহা ব্যবস্থানুসারে করা যাউক।
সদাপ্রভুর ব্যবস্থা সিদ্ধ, প্রাণের স্বাস্থ্যজনক; সদাপ্রভুর সাক্ষ্য বিশ্বসনীয়, অল্পবুদ্ধির জ্ঞানদায়ক।
তব বাক্যসমূহের বিকাশ আলোক প্রদান করে, তাহা অমায়িকদিগকে বুদ্ধিমান করে।
কিন্তু ধার্ম্মিকদের পথ প্রভাতীয় জ্যোতির ন্যায়, যাহা মধ্যাহ্ন পর্য্যন্ত উত্তরোত্তর দেদীপ্যমান হয়।
সদোমের শাসনকর্ত্তারা, সদাপ্রভুর বাক্য শ্রবণ কর; ঘমোরার প্রজাগণ, আমাদের ঈশ্বরের ব্যবস্থায় কর্ণপাত কর।
তুমি সাক্ষ্যের কথা বদ্ধ কর, আমার শিষ্যগণের মধ্যে ব্যবস্থা মুদ্রাঙ্কিত কর।
তুমি এখন যাও, উহাদের সাক্ষাতে এই কথা ফলকের উপরে লিখ, ও পুস্তকে লিপিবদ্ধ কর; যেন তাহা উত্তরকালে সাক্ষ্যরূপে চিরকাল থাকে।
জ্ঞানীরা লজ্জিত হইল, ব্যাকুল ও ধৃত হইল; দেখ, তাহারা সদাপ্রভুর বাক্য অগ্রাহ্য করিয়াছে, তবে তাহাদের জ্ঞান কি প্রকার?
আইস, আমরা সদাপ্রভুকে জ্ঞাত হই, জ্ঞাত হইবার জন্য অনুধাবন করি; অরুণোদয়ের ন্যায় তাঁহার উদয় নিশ্চিত; আর তিনি আমাদের নিকটে বৃষ্টির ন্যায় আসিবেন, ভূমি-সেচনকারী শেষ বর্ষার ন্যায় আসিবেন।
এই কারণ তোমাদের কাছে রাত্রি উপস্থিত হইবে, তোমরা দর্শন পাইবে না; তোমাদের কাছে অন্ধকার উপস্থিত হইবে, তোমরা মন্ত্র পাঠ করিবে না; এই ভাববাদীদের উপরে সূর্য্য অস্তগত হইবে, ও ইহাদের উপরে দিন কৃষ্ণবর্ণ হইবে।
কিন্তু তোমরা যে আমার নাম ভয় করিয়া থাক, তোমাদের প্রতি ধার্ম্মিকতা-সূর্য্য উদিত হইবেন, তাঁহার পক্ষপুট আরোগ্যদায়ক; এবং তোমরা বাহির হইয়া পালের গোবৎসদের ন্যায় নাচিবে।
কিন্তু তোমার চক্ষু যদি মন্দ হয়, তবে তোমার সমস্ত শরীর অন্ধকারময় হইবে। অতএব তোমার আন্তরিক দীপ্তি যদি অন্ধকার হয়, সেই অন্ধকার কত বড়!
যীশু উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, তোমরা ভ্রান্ত হইতেছ, কারণ তোমরা না জান শাস্ত্র, না জান ঈশ্বরের পরাক্রম;
ইহারা অনর্থক আমার আরাধনা করে, মনুষ্যদের আদেশ ধর্ম্মসূত্র বলিয়া শিক্ষা দেয়।”
তিনি উত্তর করিয়া তাহাদিগকে কহিলেন, মোশি তোমাদিগকে কি আজ্ঞা দিয়াছেন?
তিনি তাহাকে কহিলেন, ব্যবস্থায় কি লেখা আছে? কিরূপ পাঠ করিতেছ?
কিন্তু অব্রাহাম কহিলেন, তাহাদের নিকটে মোশি ও ভাববাদিগণ আছেন; তাঁহাদেরই কথা তাহারা শুনুক।
তোমরা শাস্ত্র অনুসন্ধান করিয়া থাক, কারণ তোমরা মনে করিয়া থাক যে, তাহাতেই তোমাদের অনন্ত জীবন রহিয়াছে; আর তাহাই আমার বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়;
কারণ যদি তোমরা মোশিকে বিশ্বাস করিতে, তবে আমাকেও বিশ্বাস করিতে, কেননা আমারই বিষয়ে তিনি লিখিয়াছেন।
থিষলনীকীর যিহূদীদের অপেক্ষা ইহারা ভদ্র ছিল; কেননা ইহারা সম্পূর্ণ আগ্রহপূর্ব্বক বাক্য গ্রহণ করিল, আর এ সকল বাস্তবিকই এইরূপ কি না, তাহা জানিবার জন্য প্রতিদিন শাস্ত্র পরীক্ষা করিতে লাগিল।
আপনাদিগকে বিজ্ঞ বলিয়া তাহারা মূর্খ হইয়াছে,
আর বিশ্বাস হেতু ঈশ্বর পরজাতিদিগকে ধার্ম্মিক গণনা করেন, শাস্ত্র ইহা অগ্রে দেখিয়া অব্রাহামের কাছে আগেই সুসমাচার প্রচার করিয়াছিল, যথা, “তোমাতে সমস্ত জাতি আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হইবে”।
বল দেখি, তোমরা ত ব্যবস্থার অধীন থাকিতে ইচ্ছা করিতেছ, তোমরা কি ব্যবস্থার কথা শুন না?
আরও জান, তুমি শিশুকাল অবধি পবিত্র শাস্ত্রকলাপ জ্ঞাত আছ, সে সকল খ্রীষ্ট যীশু সম্বন্ধীয় বিশ্বাস দ্বারা তোমাকে পরিত্রাণের নিমিত্ত জ্ঞানবান্ করিতে পারে।
কারণ এই সমস্ত যাহার নাই, সে অন্ধ, অদূরদর্শী, আপন পূর্ব্বপাপসমূহের মার্জ্জনা ভুলিয়া গিয়াছে।
আর ভাববাণীর বাক্য দৃঢ়তর হইয়া আমাদের নিকটে রহিয়াছে; তোমরা যে সেই বাণীর প্রতি মনোযোগ করিতেছ, তাহা ভালই করিতেছ; তাহা এমন প্রদীপের তুল্য, যাহা যে পর্য্যন্ত দিনের আরম্ভ না হয় এবং প্রভাতীয় তারা তোমাদের হৃদয়ে উদিত না হয়, সেই পর্য্যন্ত অন্ধকারময় স্থানে দীপ্তি দেয়।