কারণ মিসরের সাহায্য অসার ও মিথ্যা; এই নিমিত্ত আমি সেই জাতির এই নাম রাখিলাম, ‘রহব [গর্ব্বী], যে বসিয়া থাকে।’
Cross references
তখন মোশি লোকদিগকে কহিলেন, ভয় করিও না, সকলে স্থির হইয়া দাঁড়াও। সদাপ্রভু অদ্য তোমাদের যে নিস্তার করেন, তাহা দেখ; কেননা এই যে মিস্রীয়দিগকে অদ্য দেখিতেছ, ইহাদিগকে আর কখনই দেখিবে না।
তুমি স্বর্গ হইতে বিচারাজ্ঞা শ্রবণ করাইলে, পৃথিবী ভীত হইল, নিস্তব্ধ হইল,
মনুষ্যে নির্ভর করণাপেক্ষা সদাপ্রভুর শরণ লওয়া উত্তম।
সঙ্কটের সময়ে বিশ্বাসঘাতকের উপর ভরসা ভগ্ন দন্ত ও বিকল চরণের তুল্য।
তোমার মনুষ্যের আশ্রয় ছাড়িয়া যাও, যাহার নাসাগ্রে প্রাণবায়ু; ফলে সে কিসের মধ্যে গণ্য?
এই দুই ধূমময় কাষ্ঠের পুচ্ছ হইতে, রৎসীন ও অরামের, এবং রমলিয়ের পুত্রের, ক্রোধানল হইতে ভীত হইও না, তোমার হৃদয়কে দ্রব হইতে দিও না।
যাহাদিগকে তিনি বলিলেন, ‘এই বিশ্রামস্থানে, তোমরা ক্লান্তকে বিশ্রাম দেও, আর এই প্রাণ জুড়াইবার স্থান;’ তথাপি তাহারা শুনিতে সম্মত হইল না।
বস্তুতঃ, প্রভু সদাপ্রভু, ইস্রায়েলের পবিত্রতম, এই কথা বলিলেন, ফিরিয়া আসিয়া শান্ত হইলে তোমরা পরিত্রাণ পাইবে, সুস্থির থাকিয়া বিশ্বাস করিলে তোমাদের পরাক্রম হইবে; কিন্তু তোমরা সম্মত হইলে না।
ধিক্ তাহাদিগকে, যাহারা সাহায্যের জন্য মিসরে নামিয়া যায়, অশ্বগণে বিশ্বাস করে, রথের বাহুল্য প্রযুক্ত রথে নির্ভর করে, অশ্বারোহিগণ অতি বলবান বলিয়া তাহাদের উপরে নির্ভর করে, কিন্তু ইস্রায়েলের পবিত্রতমের দিকে চাহে না, এবং সদাপ্রভুর অন্বেষণ করে না।
পরন্তু তিনিও জ্ঞানবান; তিনি অমঙ্গল ঘটাইবেন, আপন বাক্য অন্যথা করিবেন না; তিনি দুরাচারদের কুলের বিরুদ্ধে ও অধর্ম্মাচারীদের সহায়গণের বিরুদ্ধে উঠিবেন।
মিস্রীয়গণ ত মনুষ্যমাত্র, ঈশ্বর নয়; তাহাদের অশ্বগণ মাংসমাত্র, আত্মা নয়; এবং সদাপ্রভু আপন হস্ত বিস্তার করিলে সাহায্যকারী উছোট খাইবে, ও সাহায্যপ্রাপ্ত ব্যক্তি পতিত হইবে, সকলে একসঙ্গে নষ্ট হইবে।
জাগ, জাগ, বল পরিধান কর, হে সদাপ্রভুর বাহু; জাগ, যেমন পূর্ব্বকালে, সেকালের পুরুষে পুরুষে জাগিয়াছিলে, তুমিই কি রহবকে কুচি কুচি করিয়া কাট নাই, প্রকাণ্ড জলচরকে বিদ্ধ কর নাই?
সদাপ্রভু, ইস্রায়েলের ঈশ্বর, এই কথা কহেন, যিহূদার যে রাজা আমার নিকটে জিজ্ঞাসা করিতে তোমাদিগকে পাঠাইয়াছে, তাহাকে এই কথা বল, দেখ, ফরৌণের যে সৈন্য তোমাদের সাহায্যার্থে বাহির হইয়া আসিয়াছে, তাহারা মিসরে আপন দেশে ফিরিয়া যাইবে।
সদাপ্রভুর পরিত্রাণের প্রত্যাশা করা, নীরবে অপেক্ষা করা, ইহাই মঙ্গল।
যখন ইফ্রয়িম আপন রোগ ও যিহূদা আপন ক্ষত দেখিতে পাইল, তখন ইফ্রয়িম অশূরের কাছে গমন করিল, ও বিবাদ-রাজের নিকটে লোক পাঠাইল; কিন্তু সে তোমাদিগকে সুস্থ করিতে পারে না, তোমাদের ক্ষত আরোগ্য করিবে না।