কারণ যে ভূমি আপনার উপরে পুনঃ পুনঃ পতিত বৃষ্টি পান করিয়াছে, আর যাহাদের নিমিত্ত উহা চাষ করা গিয়াছে, তাহাদের জন্য উপযুক্ত ওষধি উৎপন্ন করে, তাহা ঈশ্বর হইতে আশীর্ব্বাদ প্রাপ্ত হয়; কিন্তু যদি কাঁটাবন ও শ্যাকুল উৎপন্ন করে,
Cross references
তখন তিনি নিকটে গিয়া চুম্বন করিলেন, আর ইস্হাক তাঁহার বস্ত্রের গন্ধ লইয়া তাঁহাকে আশীর্ব্বাদ করিয়া কহিলেন, দেখ, আমার পুত্রের সুগন্ধ সদাপ্রভুর আশীর্ব্বাদযুক্ত ক্ষেত্রের সুগন্ধের ন্যায়।
তবে আমি ষষ্ঠ বৎসরে তোমাদিগকে আশীর্ব্বাদ করিব; তাহাতে তিন বৎসরের জন্য শস্য উৎপন্ন হইবে।
আর সদাপ্রভু তোমাকে যে দেশ দিতে তোমার পিতৃপুরুষদের কাছে দিব্য করিয়াছেন, সেই দেশে তিনি মঙ্গলার্থেই তোমার শরীরের ফলে, তোমার পশুর ফলে ও তোমার ভূমির ফলে তোমাকে ঐশ্বর্য্যশালী করিবেন।
সেই সদাপ্রভু হইতে আশীর্ব্বাদ পাইবে, আপন ত্রাণেশ্বর হইতে ধার্ম্মিকতা পাইবে।
তুমি পৃথিবীর তত্ত্বাবধান করিতেছ, উহাতে জল সেচন করিতেছ, উহা অতিশয় ধনাঢ্য করিতেছ; ঈশ্বরের নদী জলে পরিপূর্ণ; এইরূপে ভূমি প্রস্তুত করিয়া তুমি মনুষ্যদের শস্য প্রস্তুত করিয়া থাক।
সে সকল মাঠের সমস্ত পশুকে জল দেয়; বনগর্দ্দভেরা তৃষ্ণা নিবারণ করে।
যে ব্যক্তি রোদন করিতে করিতে বপনীয় বীজ লইয়া বাহিরে যায়, সে আনন্দগান-সহ আপন আটি লইয়া আসিবেই আসিবে।
কেননা আমি তৃষিত ভূমির উপরে জল, এবং শুষ্ক স্থানের উপরে জলপ্রবাহ ঢালিয়া দিব; আমি তোমার বংশের উপরে আপন আত্মা, তোমার সন্তানদের উপরে আপন আশীর্ব্বাদ, ঢালিব।
বাস্তবিক যেমন বৃষ্টি বা হিম আকাশ হইতে নামিয়া আইসে, আর সেখানে ফিরিয়া যায় না, কিন্তু ভূমিকে আদ্র করিয়া ফলবতী ও অঙ্কুরিত করে, এবং বপনকারীকে বীজ ও ভক্ষককে ভক্ষ্য দেয়, আমার মুখনির্গত বাক্য তেমনি হইবে;
আর আমি তাহাদিগকে ও আমার গিরির চারিদিকের পরিসীমাকে আশীর্ব্বাদস্বরূপ করিব; এবং যথাসময়ে জলধারা বর্ষাইব, আশীর্ব্বাদের ধারা বর্ষিবে।
তোমরা আপনাদের জন্য ধার্ম্মিকতার বীজ বপন কর, দয়ানুযায়ী শস্য কাট, আপনাদের জন্য পতিত ভূমি তোল; কেননা সদাপ্রভুর অন্বেষণ করিবার সময় আছে, যে পর্য্যন্ত তিনি আসিয়া তোমাদের উপরে ধার্ম্মিকতা না বর্ষান।
হে দেশ, ভয় করিও না, উল্লাসিত হও, আনন্দ কর, কেননা সদাপ্রভু মহৎ মহৎ কর্ম্ম করিয়াছেন।