এবং যাহারা মৃত্যুর ভয়ে যাবজ্জীবন দাসত্বের অধীন ছিল, তাহাদিগকে উদ্ধার করেন।
Cross references
চারিদিকে নানাবিধ ত্রাস তাহাকে ভয় দেখাইবে, পদে পদে তাহাকে তাড়না করিবে।
সে আপন বিশ্বাস-স্থল তাম্বু হইতে উৎপাটিত, এবং ত্রাস-রাজের কাছে নীত হইবে।
প্রাতঃকাল তাহাদের সকলের পক্ষে মৃত্যুচ্ছায়ার ন্যায়, কারণ তাহারা মৃত্যুচ্ছায়ার ভয়ানকতা জানে।
তাহার মাংস ক্ষয় পাইয়া অদৃশ্য হয়, তাহার অদৃশ্য অস্থি সকল বাহির হইয়া পড়ে।
মৃত্যু হইতে তাহাদের প্রাণরক্ষা করিবার জন্য, দুর্ভিক্ষে তাহাদিগকে বাঁচাইয়া রাখিবার জন্য।
আমার অন্তরে চিত্ত বড়ই ব্যথিত হইতেছে; মৃত্যুর ত্রাস আমাকে আক্রমণ করিয়াছে।
তুমি ত মৃত্যু হইতে আমার প্রাণ উদ্ধার করিয়াছ, তুমি কি পতন হইতে আমার চরণ [উদ্ধার কর নাই,] যেন আমি জীবিতদের দীপ্তিতে ঈশ্বরের সাক্ষাতে গমনাগমন করি?
তাহারা নিমিষকাল মধ্যে কেমন উচ্ছিন্ন হয়, নানা ত্রাসে কেমন নিঃশেষে সংহার পায়।
কোন্ মনুষ্য জীবিত থাকিবে, মৃত্যু দেখিবে না, কে পাতালের হস্ত হইতে আপন প্রাণ মুক্ত করিবে?
আমাদিগকে এই বর দিবার জন্য, যে আমরা শত্রুগণের হস্ত হইতে নিস্তার পাইয়া, নির্ভয়ে সাধুতায় ও ধার্ম্মিকতায় তাঁহার আরাধনা করিতে পারিব,
বস্তুতঃ তোমরা দাসত্বের আত্মা পাও নাই যে, আবার ভয় করিবে; কিন্তু দত্তকপুত্রতার আত্মা পাইয়াছ, যে আত্মাতে আমরা আব্বা, পিতা, বলিয়া ডাকিয়া উঠি।
এই প্রত্যাশায় হইল যে, সৃষ্টি নিজেও ক্ষয়ের দাসত্ব হইতে মুক্ত হইয়া ঈশ্বরের সন্তানগণের প্রতাপের স্বাধীনতা পাইবে।
আমি এই বলি, ভ্রাতৃগণ, রক্ত মাংস ঈশ্বরের রাজ্যের অধিকারী হইতে পারে না; এবং ক্ষয় অক্ষয়তার অধিকারী হয় না।
তিনিই এত বড় মৃত্যু হইতে আমাদিগকে উদ্ধার করিয়াছেন ও উদ্ধার করিবেন; আমরা তাঁহাতেই প্রত্যাশা করিয়াছি যে, ইহার পরেও তিনি উদ্ধার করিবেন;