পরে দ্বিতীয় পুত্রের নাম ইফ্রয়িম [ফলবান্] রাখিলেন, কেননা তিনি কহিলেন, আমার দুঃখভোগের দেশে ঈশ্বর আমাকে ফলবান্ করিয়াছেন।
Cross references
আমি তোমাকে অতিশয় ফলবান করিব, এবং তোমা হইতে বহু জাতি জন্মাইব; আর রাজারা তোমা হইতে উৎপন্ন হইবে।
আর সর্ব্বশক্তিমান্ ঈশ্বর তোমাকে আশীর্ব্বাদ করিয়া ফলবান্ ও বহুপ্রজ করুন, যেন তুমি জাতিসমাজ হইয়া উঠ।
আর লেয়া গর্ভবতী হইয়া পুত্র প্রসব করিলেন, ও তাহার নাম রূবেণ [পুত্রকে দেখ] রাখিলেন; কেননা তিনি কহিলেন, সদাপ্রভু আমার দুঃখ দেখিয়াছেন; এখন আমার স্বামী আমাকে ভাল বাসিবেন।
তখন রাহেল কহিলেন, ঈশ্বর আমার বিচার করিলেন, এবং আমার রবও শুনিয়া আমাকে পুত্র দিলেন; অতএব তিনি তাহার নাম দান [বিচার] রাখিলেন।
আর মিসরে তোমার কাছে আমার আসিবার পূর্ব্বে তোমার যে দুই পুত্র মিসর দেশে জন্মিয়াছে, তাহারা আমারই; রূবেণ ও শিমিয়োনের ন্যায় ইফ্রয়িম ও মনঃশিও আমারই হইবে।
যিনি আমাকে সমস্ত আপদ হইতে মুক্ত করিয়াছেন—তিনিই এই বালক দুইটীকে আশীর্ব্বাদ করুন। ইহাদের দ্বারা আমার নাম ও আমার পিতৃপুরুষ অব্রাহামের ও ইস্হাকের নাম আখ্যাত হউক, এবং ইহারা দেশের মধ্যে বহুগোষ্ঠীক হউক।
যোষেফ ফলবান্ তরু-পল্লব, জলপ্রবাহের পার্শ্বস্থিত ফলবান্ তরু পল্লব; তাহার শাখা সকল প্রাচীর অতিক্রম করে।
যোষেফ ইফ্রয়িমের পৌত্র পর্য্যন্ত দেখিলেন; মনঃশির মাখীর নামক পুত্রের শিশুসন্তানেরাও যোষেফের ক্রোড়ে ভূমিষ্ঠ হইল।
আপন আপন গোষ্ঠী অনুসারে যোষেফের পুত্র মনঃশি ও ইফ্রয়িম।
কেননা যোষেফ-সন্তানগণ দুই বংশ হইল, মনঃশি ও ইফ্রয়িম; আর লেবীয়দিগকে দেশে কোন অংশ দেওয়া গেল না, কেবল বাস করিবার জন্য কতকগুলি নগর, এবং তাহাদের পশুপালের ও তাহাদের সম্পত্তির জন্য সেই সকল নগরের পরিসরভূমি দেওয়া গেল।
এইরূপে যোষেফ-সন্তান মনঃশি ও ইফ্রয়িম আপন আপন অধিকার গ্রহণ করিল।
আর গুলিবাঁটক্রমে মনঃশি বংশের অংশ নিরূপিত হইল, সে যোষেফের জ্যেষ্ঠ পুত্র। কিন্তু গিলিয়দের পিতা, অর্থাৎ মনঃশির জ্যেষ্ঠ পুত্র মাখীর যোদ্ধা বলিয়া গিলিয়দ ও বাশন পাইয়াছিল।
তিনি তাহাদের অগ্রে এক পুরুষকে পাঠাইলেন, যোষেফ দাসরূপে বিক্রীত হইলেন।
তোমরা সান্ত্বনা কর, আমার প্রজাদিগকে সান্ত্বনা কর, তোমাদের ঈশ্বর ইহা বলেন।
তাহারা বড় বড় ভাণ্ডে দ্রাক্ষারস পান করে, এবং উৎকৃষ্ট তৈল গাত্রে লেপন করে, কিন্তু তাহারা যোষেফের দুর্দ্দশায় দুঃখিত হয় না।
কিন্তু ঈশ্বর তাঁহার সঙ্গে সঙ্গে ছিলেন, এবং তাঁহার সমস্ত ক্লেশ হইতে তাঁহাকে উদ্ধার করিলেন, আর মিসর-রাজ ফরৌণের সাক্ষাতে অনুগ্রহ ও বিজ্ঞতা প্রদান করিলেন; তাহাতে ফরৌণ তাঁহাকে মিসরের ও আপন সমস্ত গৃহের অধ্যক্ষ-পদে নিযুক্ত করিলেন।