সেই সময়ে অব্রাহাম ও সারা বৃদ্ধ ও গতবয়স্ক ছিলেন; সারার স্ত্রীধর্ম্ম নিবৃত্ত হইয়াছিল।
Cross references
তখন অব্রাহাম উবুড় হইয়া পড়িয়া হাসিলেন, মনে মনে কহিলেন, শতবর্ষবয়স্ক পুরুষের কি সন্তান হইবে? আর নব্বই বৎসর বয়স্কা সারা কি প্রসব করিবে?
অব্রাহামের লিঙ্গাগ্রের ত্বক্ছেদন কালে তাঁহার বয়স নিরানব্বই বৎসর।
তৎকালে অব্রাহাম বৃদ্ধ ও গতবয়স্ক ছিলেন; এবং সদাপ্রভু অব্রাহামকে সর্ব্ববিষয়ে আশীর্ব্বাদ করিয়াছিলেন।
আর আমার কর্ত্তার ভার্য্যা সারা বৃদ্ধকালে তাঁহার জন্য এক পুত্র প্রসব করিয়াছেন, তাঁহাকেই তিনি আপনার সর্ব্বস্ব দিয়াছেন।
তখন রাহেল পিতাকে কহিলেন, কর্ত্তা, আপনার সাক্ষাতে আমি উঠিতে পারিলাম না, ইহাতে বিরক্ত হইবেন না, কেননা আমি স্ত্রীধর্ম্মিণী আছি। এইরূপে তিনি অন্বেষণ করিলেও সেই ঠাকুরগুলাকে পাইলেন না।
আর যে স্ত্রী রজস্বলা হয়, তাহার শরীরস্থ রক্ত ক্ষরিলে সাত দিবস তাহার অশৌচ থাকিবে, এবং যে কেহ তাহাকে স্পর্শ করে, সে সন্ধ্যা পর্য্যন্ত অশুচি থাকিবে।
যিহোশূয় বৃদ্ধ ও গতবয়স্ক হইয়াছিলেন; আর সদাপ্রভু তাঁহাকে কহিলেন, তুমি বৃদ্ধ ও গতবয়স্ত হইলে; কিন্তু এখনও অধিকার করিতে বিস্তর দেশ অবশিষ্ট আছে।
তাঁহাদের সন্তান ছিল না, কেননা ইলীশাবেৎ বন্ধ্যা ছিলেন, এবং দুই জনেরই অধিক বয়স হইয়াছিল।
তখন সখরিয় দূতকে কহিলেন, কিসে ইহা জানিব? কেননা আমি বৃদ্ধ এবং আমার স্ত্রীরও অধিক বয়স হইয়াছে।
আর দেখ, তোমার জ্ঞাতি যে ইলীশাবেৎ, তিনিও বৃদ্ধ বয়সে পুত্রসন্তান গর্ভে ধারণ করিয়াছেন; লোকে যাঁহাকে বন্ধ্যা বলিত, এই তাঁহার ষষ্ঠ মাস।
অব্রাহাম প্রত্যাশা না থাকিলেও প্রত্যাশাযুক্ত হইয়া বিশ্বাস করিলেন, যেন ‘এইরূপ তোমার বংশ হইবে,’ এই বচন অনুসারে তিনি বহুজাতির পিতা হন।
বিশ্বাসে স্বয়ং সারাও বংশ উৎপাদনের শক্তি পাইলেন, যদিও তাঁহার অতিরিক্ত বয়স হইয়াছিল, কেননা তিনি প্রতিজ্ঞাকারীকে বিশ্বাস্য জ্ঞান করিয়াছিলেন।
তিনি মনে স্থির করিয়াছিলেন, ঈশ্বর মৃতগণের মধ্য হইতেও উত্থাপন করিতে সমর্থ; আবার তিনি তথা হইতে দৃষ্টান্তরূপে তাঁহাকে ফিরিয়া পাইলেন।