অব্রাহাম প্রত্যাশা না থাকিলেও প্রত্যাশাযুক্ত হইয়া বিশ্বাস করিলেন, যেন ‘এইরূপ তোমার বংশ হইবে,’ এই বচন অনুসারে তিনি বহুজাতির পিতা হন।
Cross references
পরে তিনি তাঁহাকে বাহিরে আনিয়া কহিলেন, তুমি আকাশে দৃষ্টি করিয়া যদি তারা গণিতে পার, তবে গণিয়া বল; তিনি তাঁহাকে আরও বলিলেন, এইরূপ তোমার বংশ হইবে।
নয়মী কহিল, হে আমার বৎসারা, ফিরিয়া যাও; তোমরা আমার সহিত কেন যাইবে? তোমাদের স্বামী হইবার জন্য এখনও কি আমার গর্ভে সন্তান আছে?
আশাসিদ্ধির বিলম্ব হৃদয়ের পীড়াজনক; কিন্তু বাঞ্ছার সিদ্ধি জীবনবৃক্ষ।
পরে তিনি আমাকে কহিলেন, হে মনুষ্য-সন্তান, এই সকল অস্থি সমস্ত ইস্রায়েল-কুল; দেখ, তাহারা বলিতেছে, আমাদের অস্থি সকল শুষ্ক হইয়া গিয়াছে, এবং আমাদের আশ্বাস নষ্ট হইয়াছে; আমরা একেবারে উচ্ছিন্ন হইলাম।
তিনি এই কথা কহিতেছেন, ইতিমধ্যে সমাজ-গৃহের অধ্যক্ষের বাটী হইতে লোক আসিয়া কহিল, আপনার কন্যার মৃত্যু হইয়াছে, গুরুকে আর কেন কষ্ট দিতেছেন?
তখন সখরিয় দূতকে কহিলেন, কিসে ইহা জানিব? কেননা আমি বৃদ্ধ এবং আমার স্ত্রীরও অধিক বয়স হইয়াছে।
অতএব মহাশয়েরা সাহস করুন, কেননা ঈশ্বরে আমার এমন বিশ্বাস আছে যে, আমার নিকটে যেরূপ উক্ত হইয়াছে, সেইরূপই ঘটিবে।
(যেমন লিখিত আছে, “আমি তোমাকে বহু জাতির পিতা করিলাম,” ) সেই ঈশ্বরের সাক্ষাতেই পিতা, যাঁহাকে তিনি বিশ্বাস করিলেন, যিনি মৃতগণকে জীবন দেন, এবং যাহা নাই, তাহা আছে বলেন;
আর বিশ্বাসে দুর্ব্বল না হইয়া, তাঁহার বয়স প্রায় শত বৎসর হইলেও, তিনি আপনার মৃতকল্প শরীর, এবং সারার গর্ভের মৃতকল্পতাও টের পাইলেন বটে,
আর প্রত্যাশা লজ্জাজনক হয় না, যেহেতুক আমাদিগকে দত্ত পবিত্র আত্মা দ্বারা ঈশ্বরের প্রেম আমাদের হৃদয়ে সেচিত হইয়াছে।
কেননা প্রত্যাশায় আমরা পরিত্রাণ প্রাপ্ত হইয়াছি; কিন্তু দৃষ্টিগোচর যে প্রত্যাশা, তাহা প্রত্যাশাই নয়। কেননা যে যাহা দেখে, সে তাহার প্রত্যাশা কেন করিবে?