হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি যিরূশালেমের দিকে আপন মুখ রাখ, পবিত্র স্থানের দিকে বাক্য বর্ষণ কর, ও ইস্রায়েল-দেশের বিরুদ্ধে ভাববাণী বল।
Cross references
আমার উপদেশ বৃষ্টির ন্যায় বর্ষিবে, আমার কথা শিশিরের ন্যায় ক্ষরিবে, তৃণের উপরে পতিত বিন্দু বিন্দু বৃষ্টির ন্যায়, শাকের উপরে পতিত জলধারার ন্যায়।
তুমি আপন দাসগণের দ্বারা প্রভুকে টিটকারি দিয়াছ, বলিয়াছ, ‘আমি নিজ রথবাহুল্য দ্বারা পর্ব্বতগণের উচ্চ মস্তকে, লিবানোনের নিভৃত স্থানে আরোহণ করিয়াছি, আমি তাহার দীর্ঘকায় এরস বৃক্ষ ও উৎকৃষ্ট দেবদারু সকল ছেদন করিব, তাহার প্রান্তভাগস্থ উচ্চতম স্থানে, উর্ব্বর ক্ষেত্রের কাননে প্রবেশ করিব।
পরে যাজকগণ ও ভাববাদিগণ অধ্যক্ষদিগকে ও সমস্ত প্রজালোককে কহিল, এই ব্যক্তি প্রাণদণ্ডের যোগ্য, কেননা এ এই নগরের বিপরীতে ভাববাণী বলিয়াছে, তোমরা ত স্বকর্ণে তাহা শুনিয়াছ।
আর একখানা লোহার তাওয়া লইয়া তোমার ও নগরের মধ্যস্থলে লৌহ-প্রাচীরের ন্যায় তাহা স্থাপন কর, এবং তোমার মুখ তাহার দিকে রাখ, তাহাতে তাহা অবরুদ্ধ হইবে, ও তুমি তাহা অবরোধ করিয়া থাকিবে। ইস্রায়েল-কুলের জন্য ইহা চিহ্নস্বরূপ হইবে।
আর তুমি আপন মুখ যিরূশালেমের অবরোধের দিকে রাখিবে, আপন বাহু অনাবৃত করিবে, ও তাহার বিরুদ্ধে ভাববাণী বলিবে।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি ইস্রায়েলের পর্ব্বতগণের দিকে মুখ রাখিয়া তাহাদের কাছে ভাববাণী বল।
অতএব ইহাদের বিরুদ্ধে ভাববাণী বল; হে মনুষ্য-সন্তান, ভাববাণী বল।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি দক্ষিণদিকে আপন মুখ রাখ, দক্ষিণ দেশের দিকে বাক্য বর্ষণ কর, ও দক্ষিণ প্রান্তরস্থ অরণ্যের বিপরীতে ভাববাণী বল।
অতএব প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, ধিক্ সেই রক্তপূর্ণা পুরীকে!
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি অম্মোন-সন্তানদের দিকে মুখ রাখ, ও তাহাদের বিরুদ্ধে ভাববাণী বল।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি সীদোনের দিকে মুখ রাখ, ও তাহার বিরুদ্ধে ভাববাণী বল;
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি মিসর-রাজ ফরৌণের বিরুদ্ধে মুখ রাখ, এবং তাহার বিরুদ্ধে ও সমস্ত মিসরের বিরুদ্ধে ভাববাণী বল।
আর, হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি ইস্রায়েলের পর্ব্বতগণের কাছে ভাববাণী বল, তুমি বল, হে ইস্রায়েলের পর্ব্বতগণ, সদাপ্রভুর বাক্য শুন।
হে মনুষ্য-সন্তান, তুমি রোশের, মেশকের ও তূবলের অধ্যক্ষ মাগোগ দেশীয় গোগের দিকে মুখ রাখ, ও তাহার বিরুদ্ধে ভাববাণী বল,
অতএব এখন তুমি সদাপ্রভুর বাক্য শুন, তুমি কহিতেছ, ইস্রায়েলের বিরুদ্ধে ভাববাণী বলিও না, ইস্হাক-কুলের বিপরীতে বাক্য বর্ষাইও না;
‘তোমরা বাক্য বর্ষাইও না,’ এইরূপে তাহারা বাক্য বর্ষায়; ‘ইহাদের কাছে তাহারা বাক্য বর্ষাইবে না; অপমান ঘুচিবে না।’
বায়ুর ও মিথ্যাকথার অনুগামী কোন লোক যদি মিথ্যা করিয়া বলে, আমি দ্রাক্ষারস ও সুরার বিষয়ে তোমার পক্ষে বাক্য বর্ষাইব, তবে সে এই লোকদের বাক্যবর্ষক হইবে।
এবং মিথ্যা সাক্ষী দাঁড় করাইয়া দিল, যাহারা কহিল, এই ব্যক্তি পবিত্র স্থানের ও ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা কহিতে ক্ষান্ত হয় না;
সমস্ত পবিত্র লোকের জন্য এবং আমার পক্ষে বিনতি কর, যেন মুখ খুলিবার উপযুক্ত বক্তৃতা আমাকে দেওয়া যায়, যাহাতে আমি সাহস পূর্ব্বক সেই সুসমাচারের নিগূঢ়তত্ত্ব জ্ঞাত করিতে পারি,