অর্থাৎ যে দুই দিন যিহূদীরা আপনাদের শত্রুগণ হইতে বিশ্রাম পাইয়াছিল, এবং যে মাসে তাহাদের দুঃখ সুখে ও শোক মঙ্গল-দিনে পরিণত হইয়াছিল, সেই মাসের সেই দুই দিন যেন তাহারা ভোজনপান ও আনন্দ এবং আপন আপন বন্ধুর কাছে ভাগ ও দরিদ্রদের কাছে দান পাঠাইবার দিন বলিয়া মানে।
Cross references
আর মোশি লোকদিগকে কহিলেন, এই দিন স্মরণে রাখিও, যে দিনে তোমরা মিসর হইতে, দাসগৃহ হইতে, বহির্গত হইলে, কারণ সদাপ্রভু পরাক্রান্ত হস্ত দ্বারা তথা হইতে তোমাদিগকে বাহির করিয়া আনিলেন; কোন তাড়ীযুক্ত ভক্ষ্য খাওয়া হইবে না।
তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমাকে যে দেশ দিতেছেন, তথাকার কোন নগরদ্বারের ভিতরে যদি তোমার নিকটস্থ কোন ভ্রাতা দরিদ্র হয়, তবে তুমি আপন হৃদয় কঠিন করিও না, বা দরিদ্র ভ্রাতার প্রতি আপন হস্ত রুদ্ধ করিও না;
আর সেই উৎসবে তুমি, তোমার পুত্রকন্যা, তোমার দাসদাসী ও তোমার নগর-দ্বারের মধ্যবর্ত্তী লেবীয় ও বিদেশী এবং পিতৃহীন ও বিধবা সকলে আনন্দ করিবে।
সদাপ্রভুর মনোনীত স্থানে তুমি আপন ঈশ্বর সদাপ্রভুর উদ্দেশে সাত দিন উৎসব পালন করিবে; কেননা তোমার ঈশ্বর সদাপ্রভু তোমার সমস্ত উৎপন্ন দ্রব্যে ও হস্তকৃত সমস্ত কর্ম্মে তোমাকে আশীর্ব্বাদ করিবেন, আর তুমি সম্পূর্ণরূপে আনন্দিত হইবে।
আর তিনি তাহাদিগকে কহিলেন, যাও, পুষ্ট দ্রব্য ভোজন কর, মিষ্ট রস পান কর, এবং যাহার জন্য কিছু প্রস্তুত নাই, তাহাকে অংশ পাঠাইয়া দেও; কারণ অদ্যকার দিন আমাদের প্রভুর উদ্দেশে পবিত্র, তোমরা বিষণ্ণ হইও না, কেননা সদাপ্রভুতে যে আনন্দ, তাহাই তোমাদের শক্তি।
পরে প্রথম মাসের ত্রয়োদশ দিনে রাজ-লেখকেরা আহূত হইল; সেই দিন হামনের সমস্ত আজ্ঞানুসারে রাজার নিযুক্ত ক্ষিতিপাল সকলের ও প্রত্যেক প্রদেশের অধ্যক্ষগণের, এবং প্রত্যেক জাতির প্রধানবর্গের কাছে, প্রত্যেক প্রদেশের অক্ষর ও প্রত্যেক জাতির ভাষানুসারে পত্র লিখিত হইল, তাহা অহশ্বেরশ রাজার নামে লিখিত ও রাজার অঙ্গুরীয়ে মুদ্রাঙ্কিত হইল।
এই কারণ পল্লীগ্রামের অর্থাৎ প্রাচীরবিহীন নগর সমূহের নিবাসী যিহূদীরা অদর মাসের চতুর্দ্দশ দিনকে আনন্দের, ভোজন পানের, সুখের ও পরস্পর ভাগ পাঠাইবার দিন বলিয়া মানে।
তুমি আমার বিলাপ নৃত্যে পরিণত করিয়াছ; তুমি আমার চট খুলিয়া আমাকে আনন্দ পটুকায় বদ্ধকটি করিয়াছ,
যেন আমার গৌরব তোমার প্রশংসা গান করে, নীরব না থাকে। সদাপ্রভু, আমার ঈশ্বর, আমি চিরকাল তোমার স্তব করিব।
তাহাদের খড়্গ তাহাদেরই হৃদয়ে প্রবেশ করিবে, তাহাদের ধনুক ভাঙ্গিয়া যাইবে।
হে আমার প্রাণ, সদাপ্রভুর ধন্যবাদ কর, তাঁহার সকল উপকার ভুলিয়া যাইও না।
যেন তাহারা জাতিগণকে প্রতিফল দেয়, লোকবৃন্দকে শাস্তি দেয়;
আর সেই দিন তুমি বলিবে, হে সদাপ্রভু, আমি তোমার স্তবগান করিব; কেননা তুমি আমার প্রতি ক্রুদ্ধ ছিলে, কিন্তু তোমার ক্রোধ নিবৃত্ত হইয়াছে, আর তুমি আমাকে সান্ত্বনা করিতেছ।
যে দিন সদাপ্রভু তোমাকে দুঃখ ও উদ্বেগ হইতে, এবং যে কঠোর দাসত্বে তুমি বদ্ধ ছিলে, তাহা হইতে বিশ্রাম দিবেন,
বাহিনীগণের সদাপ্রভু এই কথা কহেন, চতুর্থ, পঞ্চম, সপ্তম ও দশম মাসের যে সকল উপবাস, সে সকল যিহূদা-কুলের জন্য আনন্দ, আমোদ এবং মঙ্গলোৎসব হইয়া উঠিবে; অতএব তোমরা সত্য ও শান্তি ভালবাসিও।
ধন্য যাহারা শোক করে, কারণ তাহারা সান্ত্বনা পাইবে।
বরং ভিতরে যাহা যাহা আছে, তাহা দান কর, আর দেখ, তোমাদের পক্ষে সকলই শুচি।
সত্য, সত্য, আমি তোমাদিগকে বলিতেছি, তোমরা ক্রন্দন ও বিলাপ করিবে, কিন্তু জগৎ আনন্দ করিবে; তোমরা দুঃখার্ত্ত হইবে, কিন্তু তোমাদের দুঃখ আনন্দে পরিণত হইবে।
আর যাহারা বিশ্বাস করিল, তাহারা সকলে একসঙ্গে সমস্তই সাধারণে রাখিত;
কেবল চাহিলেন যেন আমরা দরিদ্রদিগকে স্মরণ করি; আর তাহাই করিতে আমিও যত্নবান্ ছিলাম।