তখন আমি মনে মনে বলিলাম, হীনবুদ্ধির প্রতি যাহা ঘটে, তাহাই ত আমার প্রতি ঘটে, তবে আমি কি নিমিত্ত অধিক জ্ঞানবান হইলাম? পরে আমি মনে মনে বলিলাম, ইহাও অসার।
Cross references
দেখ, আমি তোমাকে এমন জ্ঞানশালী ও বুঝিবার চিত্ত দিলাম যে, তোমার পূর্ব্বে তোমার তুল্য কেহ হয় নাই, এবং পরেও তোমার তুল্য কেহ উৎপন্ন হইবে না।
উপদেশক কহিতেছেন, অসারের অসার, অসারের অসার, সকলই অসার।
সূর্য্যের নীচে কৃত সমস্ত কার্য্য আমি দেখিয়াছি; দেখ, সে সকলই অসার ও বায়ুভক্ষণ মাত্র।
আমি আপন হৃদয়ের সহিত কথোপকথন করিলাম, কহিলাম, দেখ, আমার পূর্ব্বে যিরূশালেমে যে সকল অধ্যক্ষ ছিলেন, সেই সকল অপেক্ষা আমি অধিক প্রজ্ঞাবিশিষ্ট হইয়াছি, এবং আমার হৃদয় নানা প্রকার প্রজ্ঞায় ও বিদ্যায় পারদর্শী হইয়াছে।
কেননা প্রজ্ঞার বাহুল্যে মনস্তাপের বাহুল্য হয়; এবং যে বিদ্যার বৃদ্ধি করে, সে ব্যাথার বৃদ্ধি করে।
কেননা হীনবুদ্ধির ন্যায় জ্ঞানবানের বিষয়ও লোকে চিরকাল মনে রাখিবে না, ভবিষ্যৎকালে কিছুই স্মরণে থাকিবে না; আহা! হীনবুদ্ধি যেমন মরে, তেমনি জ্ঞানবানও মরে।
বস্তুতঃ হীনবুদ্ধি অপেক্ষা জ্ঞানবানের কি উৎকর্ষ? আর জীবিতদের সাক্ষাতে চলিতে জানে এমন দুঃখী লোকেরই বা কি উৎকর্ষ?