তৎপরে আমি দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, আর এক জন্তু, সে চিতাব্যাঘ্রের সদৃশ, তাহার পৃষ্ঠে পক্ষীর ন্যায় চারি পক্ষ ছিল; আবার সেই জন্তুর চারি মস্তক ছিল, এবং তাহাকে কর্ত্তৃত্ব দত্ত হইল।
Cross references
তুমি বল, প্রভু সদাপ্রভু এই কথা কহেন, এক প্রকাণ্ড ঈগল পক্ষী ছিল; তাহার পক্ষ বৃহৎ ও পালখ সকল দীর্ঘ ও চিত্রবিচিত্র লোমে পরিপূর্ণ; ঐ পক্ষী লিবানোনে আসিয়া এরস বৃক্ষের উচ্চতম শাখা লইয়া গেল;
আপনার পশ্চাতে আপনা হইতে ক্ষুদ্র আর এক রাজ্য উঠিবে; তাহার পরে পিত্তলময় তৃতীয় এক রাজ্য উঠিবে, তাহা সমস্ত পৃথিবীর উপরে কর্ত্তৃত্ব করিবে।
প্রথমটা সিংহের সদৃশ; এবং ঈগল পক্ষীর ন্যায় তাহার পক্ষ ছিল; আমি দেখিতে দেখিতে তাহার সেই দুই পক্ষ উৎপাটিত হইল, পরে তাহাকে ভূমি হইতে উঠাইয়া মানুষের মত দুই চরণে দাঁড় করান হইল, এবং মানুষের হৃদয় তাহাকে দত্ত হইল।
আমি এই বিষয় বিবেচনা করিতেছিলাম, আর দেখ, পশ্চিমদিক্ হইতে এক ছাগ সমস্ত পৃথিবী পার হইয়া আসিল, ভূমি স্পর্শ করিল না; আর সেই ছাগের দুই চক্ষুর মধ্যস্থানে বিলক্ষণ একটা শৃঙ্গ ছিল।
তুমি দুই শৃঙ্গবিশিষ্ট যে মেষ দেখিলে, সে মাদীয় ও পারসীক রাজা।
আর সেই লোমশ ছাগ যবন দেশের রাজা, এবং তাহার দুই চক্ষুর মধ্যস্থানে যে বৃহৎ শৃঙ্গ, সে প্রথম রাজা।
তখন তিনি কহিলেন, আমি কি জন্য তোমার কাছে আসিয়াছি, তাহা কি জান? এখন আমি পারস্যের অধ্যক্ষের সহিত যুদ্ধ করিতে ফিরিয়া যাইব; আর দেখ, আমি চলিয়া গেলে যবনের অধ্যক্ষ আসিবে।
পরে বীর্য্যবান্ এক রাজা উৎপন্ন হইবে, সে মহাকর্ত্তৃত্ব-বিশিষ্ট কর্ত্তা হইবে ও স্বেচ্ছানুসারে কর্ম্ম করিবে।
এই জন্য আমি তাহাদের পক্ষে সিংহের ন্যায় হইলাম; চিতাব্যাঘ্রের ন্যায় আমি পথের পার্শ্বে অপেক্ষায় থাকিব।
সেই যে পশুকে আমি দেখিলাম, সে “চিতাবাঘের তুল্য, আর তাহার চরণ ভল্লুকের ন্যায়, এবং মুখ সিংহমুখের ন্যায়”; আর সেই নাগ আপনার পরাক্রম ও আপনার সিংহাসন ও মহৎ কর্ত্তৃত্ব তাহাকে দান করিল।