বাবিল-রাজ বেল্শৎসরের প্রথম বৎসরে দানিয়েল শয্যার উপরে স্বপ্ন ও মনের দর্শন দেখিলেন; তখন তিনি সেই স্বপ্ন লিখিয়া কথার সার প্রকাশ করিলেন। দানিয়েল এই বিবরণ কহিলেন,—
Cross references
ঐ ঘটনার পরে দর্শনযোগে সদাপ্রভুর বাক্য অব্রামের নিকটে উপস্থিত হইল, তিনি বলিলেন, অব্রাম, ভয় করিও না, আমিই তোমার ঢাল ও তোমার মহা পুরস্কার।
পরে ঈশ্বর রাত্রিতে ইস্রায়েলকে দর্শন দিয়া কহিলেন, হে যাকোব, হে যাকোব। তিনি উত্তর করিলেন, দেখ, এই আমি।
তিনি কহিলেন, তোমরা আমার বাক্য শুন; তোমাদের মধ্যে যদি কেহ ভাববাদী হয়, তবে আমি সদাপ্রভু তাহার নিকটে কোন দর্শন দ্বারা আপনার পরিচয় দিব, স্বপ্নে তাহার সহিত কথা কহিব।
রাত্রিকালীন স্বপ্নদর্শনে যখন ভাবনা জন্মে, মনুষ্য সকল যখন গভীর নিদ্রায় নিমগ্ন হয়,
ঈশ্বর এক বার বলেন, বরং দুই বার, কিন্তু লোকে মন দেয় না।
পরে সদাপ্রভু আমাকে কহিলেন, তুমি একখানা বৃহৎ ফলক লও, এবং প্রচলিত অক্ষরে তাহাতে লিখ, ‘মহের-শালল-হাশ-বসের উদ্দেশে’;
তুমি এখন যাও, উহাদের সাক্ষাতে এই কথা ফলকের উপরে লিখ, ও পুস্তকে লিপিবদ্ধ কর; যেন তাহা উত্তরকালে সাক্ষ্যরূপে চিরকাল থাকে।
যে ভাববাদী স্বপ্ন দেখিয়াছে, সে স্বপ্নের বৃত্তান্ত বলুক; এবং যে আমার বাক্য পাইয়াছে, সে সত্যরূপে আমার বাক্যই বলুক।
আর, সমস্ত জাতি তাহার, তাহার পুত্রের ও তাহার পৌত্রের দাস হইবে; পরে তাহার দেশের সময়ও উপস্থিত হইবে, তখন অনেক জাতি ও মহান্ রাজগণ তাহাকেও দাসত্ব করাইবে।
পরে যিরমিয় নেরিয়ের পুত্র বারূককে ডাকিলেন; এবং বারূক যিরমিয়ের প্রতি কথিত সদাপ্রভুর সমস্ত বাক্য তাঁহার মুখে শুনিয়া এক জড়ান পুস্তকে লিখিলেন।
ত্রিংশ বৎসরের চতুর্থ মাসে, মাসের পঞ্চম দিবসে, যখন আমি কবার নদীতীরে নির্ব্বাসিত লোকদের মধ্যে ছিলাম, তখন স্বর্গ খুলিয়া গেল, আর আমি ঈশ্বরীয় দর্শন প্রাপ্ত হইলাম।
আর ঈশ্বর সেই চারি জন যুবককে সমস্ত গ্রন্থে ও বিদ্যায় জ্ঞান ও পারদর্শিতা দিলেন; আর সমস্ত দর্শন ও স্বপ্নকথায় দানিয়েল বুদ্ধিমান হইলেন।
নবূখদ্নিৎসরের রাজত্বের দ্বিতীয় বৎসরে নবূখদ্নিৎসর স্বপ্ন দেখিলেন, আর তাঁহার আত্মা উদ্বিগ্ন হইল, ও তাঁহার নিদ্রাভঙ্গ হইল।
কিন্তু ঈশ্বর স্বর্গে আছেন, তিনি নিগূঢ় বিষয় প্রকাশ করেন, আর উত্তরকালে যাহা যাহা ঘটিবে, তাহা তিনি মহারাজ নবূখদ্নিৎসরকে জানাইয়াছেন। আপনার স্বপ্ন এবং শয্যার উপরে আপনার মনের দর্শন এই।
আমি এক স্বপ্ন দেখিলাম, তাহা আমার ত্রাসজনক হইল, এবং শয্যার উপরে নানা চিন্তা ও মনের দর্শন আমাকে বিহ্বল করিল।
রাজা বেল্শৎসর আপনার সহস্র মহল্লোকের নিমিত্ত মহাভোজ প্রস্তুত করিলেন, এবং সেই সহস্রের সাক্ষাতে দ্রাক্ষারস পান করিলেন।
হে বেল্শৎসর, আপনি তাঁহারই পুত্র, আপনি এই সকল জ্ঞাত হইলেও আপনি অন্তঃকরণ নম্র করেন নাই।
সেই রাত্রিতে কল্দীয় রাজা বেল্শৎসর হত হন।
তৎপরে আমি রাত্রিকালীন দর্শনে দৃষ্টিপাত করিলাম, আর দেখ, চতুর্থ এক জন্তু, সে ভয়ঙ্কর, ক্ষমতাপন্ন ও অতিশয় শক্তিমান্; এবং তাহার বৃহৎ লৌহময় দন্ত ছিল, সে ভক্ষণ করিল ও চূর্ণ করিল, এবং উচ্ছিষ্টকে পদতলে দলিত করিল; আর পূর্ব্বকার সকল জন্তু হইতে সে ভিন্ন, ও তাহার দশটী শৃঙ্গ ছিল।
আমি রাত্রিকালীন দর্শনে দৃষ্টিপাত করিলাম আর দেখ, আকাশের মেঘ সহকারে মনুষ্য-পুত্রের ন্যায় এক পুরুষ আসিলেন, তিনি সেই অনেক দিনের বৃদ্ধের নিকটে উপস্থিত হইলেন, তাঁহার সম্মুখে আনীত হইলেন।
আমি দানিয়েল আপন দেহমধ্যে আত্মায় বিষণ্ণ হইলাম ও আমার মনের দর্শন আমাকে বিহ্বল করিল।
বেল্শৎসর রাজার রাজত্বের তৃতীয় বৎসরে আমি দানিয়েল প্রথম দর্শনের পরে আর এক দর্শন পাইলাম।
আর তৎপরে এইরূপ ঘটিবে, আমি মর্ত্ত্যমাত্রের উপরে আমার আত্মা সেচন করিব, তাহাতে তোমাদের পুত্রকন্যাগণ ভাববাণী বলিবে তোমাদের প্রাচীনেরা স্বপ্ন দেখিবে, তোমাদের যুবকেরা দর্শন পাইবে;
নিশ্চয়ই প্রভু সদাপ্রভু আপনার দাস ভাববাদিগণের নিকটে আপন গূঢ় মন্ত্রণা প্রকাশ না করিয়া কিছুই করেন না।
তখন সদাপ্রভু উত্তর করিয়া আমাকে কহিলেন, এই দর্শনের কথা লিখ, সুস্পষ্ট করিয়া ফলকে খুদ, যে পাঠ করে, সে যেন দৌড়িতে পারে।
“শেষ কালে এইরূপ হইবে, ইহা ঈশ্বর বলিতেছেন, আমি মর্ত্ত্যমাত্রের উপরে আপন আত্মা সেচন করিব; তাহাতে তোমাদের পুত্রগণ ও তোমাদের কন্যাগণ ভাববাণী বলিবে, আর তোমাদের যুবকেরা দর্শন পাইবে, আর তোমাদের প্রাচীনেরা স্বপ্ন দেখিবে।
কারণ পূর্ব্বকালে যাহা যাহা লিখিত হইয়াছিল, সে সকল আমাদের শিক্ষার নিমিত্তে লিখিত হইয়াছিল, যেন শাস্ত্রমূলক ধৈর্য্য ও সান্ত্বনা দ্বারা আমরা প্রত্যাশা প্রাপ্ত হই।
শ্লাঘা করা আমার পক্ষে আবশ্যক, তাহা হিতজনক নয় বটে, কিন্তু প্রভুর নানা দর্শন ও প্রত্যাদেশের কথা কহিব।
অতএব তুমি যাহা যাহা দেখিলে, এবং যাহা যাহা আছে, ও ইহার পরে যাহা যাহা হইবে, সে সমস্তই লিখ।
সেই সপ্ত মেঘধ্বনি কথা কহিলে আমি লিখিতে উদ্যত হইলাম; আর স্বর্গ হইতে এই বাণী শুনিলাম, ঐ সপ্ত মেঘধ্বনি যাহা কহিল, তাহা মুদ্রাঙ্কিত কর, লিখিও না।